বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা :
শিরোনাম:
দুই হৃদয়ের নদী একত্র মিলিল যদি
পাঠ ও পাঠভেদ:
দুই হৃদয়ের নদী একত্র মিলিল যদি
বলো, দেব, কার পানে আগ্রহে ছুটিয়া যায়॥
সম্মুখে রয়েছ তার তুমি প্রেমপারাবার,
তোমারি অনন্তহৃদে দুটিতে মিলিতে চায়॥
সেই এক আশা করি দুইজনে মিলিয়াছে,
সেই এক লক্ষ্য ধরি দুইজনে চলিয়াছে।
পথে বাধা শত শত পাষাণ পর্বত কত,
দুই বলে এক হয়ে ভাঙিয়া ফেলিবে তায়॥
অবশেষে জীবনের মহাযাত্রা ফুরাইলে
তোমারি স্নেহের কোলে যেন গো আশ্রয় মিলে,
দুটি হৃদয়ের সুখ দুটি হৃদয়ের দুখ
দুটি হৃদয়ের আশা মিলায় তোমার পায়॥
'যোগেনবাবু,
দুটি বিবাহের গান রচনা করিয়া পাঠাই।
পছন্দ হইলে গ্রহণ করিবেন।
আপনার
শ্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।'
এই চিঠির শেষে তিনি লিখেছিলেন,
'আর একটা উৎসবের গান যদি পারি ত,
কাল পাঠাইতে চেষ্টা করিব।'
[সূত্র: রবিজীবনী, দ্বিতীয় খণ্ড। প্রশান্তকুমার পাল। আনন্দ, কলিকাতা। মে ২০০৬]
গানটি রচনার সুনির্দিষ্ট কোনো তারিখ নেই।
গানটি রচনার প্রেক্ষাপট অনুসারে ধারণা করা হয়, গানটি রবীন্দ্রনাথে
২০ বৎসর বয়সের রচনা।
[রবীন্দ্রনাথের
২০ বৎসর
অতিক্রান্ত বয়সে রচিত গানের তালিকা]
খ. প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
গ্রন্থ:
কাব্যগ্রন্থ ৮ গান (১৩১০ বঙ্গাব্দ), ১০ গান (১৯১৬)
কাব্যগ্রন্থাবলী [আদি ব্রাহ্মসমাজ প্রেস, ১৩০৩। ব্রহ্মসঙ্গীত। রাগিণী সাহানা-তাল ঝাঁপতাল। পৃষ্ঠা: ৪৬৬][নমুনা]
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ [বিশ্বভারতী, আশ্বিন ১৩৩৮, কাব্য-গ্রন্থাবলী (১৩০৩ বঙ্গাব্দ)-এর ব্রহ্মসঙ্গীত অংশ থেকে গৃহীত হয়েছিল। পৃষ্ঠা: ১৭৪-১৭৫] [নমুনা: প্রথমাংশ, শেষাংশ]
গীতবিতানের আনুষ্ঠানিক পর্যায়ের ষষ্ঠ গান।
গানের বহি ও বাল্মীকি প্রতিভা (বৈশাখ ১৩০০ বঙ্গাব্দ)।
রবিচ্ছায়া (সাধারণ ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র, ১২৯২)। ব্রহ্মসঙ্গীত ৬০। রাগিণী সাহানা-তাল ঝাঁপতাল। । পৃষ্ঠা: ১৪৫। [নমুনা: ১৪৫]
রবীন্দ্র গ্রন্থাবলী, হিতবাদী (১৩১১ বঙ্গাব্দ)
স্বরবিতান পঞ্চপঞ্চাশত্তম (৫৫) খণ্ডের (চৈত্র ১৪১৩) চতুর্থ গান। পৃষ্ঠা : ১৭-২০।
পত্রিকা:
তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা (ভাদ্র ১২৮৮ বঙ্গাব্দ)
সঙ্গীত প্রকাশিকা (মাঘ ১৩১২ বঙ্গাব্দ)। স্বরলিপি-সহ প্রকাশিত হলেও স্বরলিপিকারের নাম পাওয়া যায় না।
গ. সঙ্গীত বিষয়ক তথ্যাবলী:
স্বরলিপিকার:
সুর ও তাল:
স্বরবিতান পঞ্চপঞ্চাশত্তম (৫৫) খণ্ডের (চৈত্র ১৪১৩) গৃহীত গানটির স্বরলিপিতে রাগ-তালের উল্লেখ নেই। উক্ত স্বরলিপিটি ৩।৩।৩।৩ মাত্রা ছন্দে 'ঝাঁপতালে' তালে নিবদ্ধ।
রাগ: সাহানা। তাল: একতাল
গ্রহস্বর-মা।
লয়-মধ্য।