বিষয়:
রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা:
শিরোনাম:
কখন যে বসন্ত গেল
পাঠ ও পাঠভেদ:
কখন যে বসন্ত গেল, এবার হল না গান।
কখন বকুলমূল ছেয়েছিল ঝরা ফুল,
কখন যে ফুল-ফোটা হয়ে গেল অবসান॥
এবার বসন্তে কি রে যুঁথিগুলি জাগে নি রে প্রেম―
অলিকুল গুঞ্জরিয়া করে নি কি মধুপান।
এবার কি সমীরণ জাগায় নি ফুলবন―
সাড়া দিয়ে গেল না তো, চলে গেল ম্রিয়মাণ॥
বসন্তের শেষ রাতে এসেছি যে শূন্য হাতে―
এবার গাঁথি নি মালা, কী তোমারে করি দান।
কাঁদিছে নীরব বাঁশি, অধরে মিলায় হাসি ―
তোমার নয়নে ভাসে ছলোছলো অভিমান॥
পাণ্ডুলিপির পাঠ:
পাঠভেদ:
কখন যে বসন্ত গেল, এবার হল না গান
যতগুলি পাখী ছিল
গেয়ে বুঝি চ'লে গেল,
সমীরণে মিলে গেল বনের বিলাপ-তান।
ভেঙেছে ফুলের মেলা, চ'লে গেছে হাসি খেলা,
এতক্ষণে সন্ধ্যাবেলা জাগিয়া চাহিল প্রাণ।
কখন্ বসন্ত গেল, এবার হ'লো না গান॥
―
মোট চারটি স্তবকের তৃতীয় স্তবক : গীতবিতান (আশ্বিন ১৩৩৮)
তথ্যানুসন্ধান
ক. রচনাকাল ও স্থান: ১৩০৮
বঙ্গাব্দে এই গানটি
রচিত হয়। এই বিচারে গানটি রবীন্দ্রনাথের
৪০ বৎসর বয়সের রচনা।
[সূত্র :
গীতবিতান কালানুক্রমিক সূচী।
প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়]
কড়ি ও কোমল (আদি ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র, ১২৯৩)
কাব্যগ্রন্থ দ্বিতীয় খণ্ড (ইন্ডিয়ান প্রেস ১৩২২)
কাব্যগ্রন্থ অষ্টম খণ্ড (মজুমদার লাইব্রেরি ১৩১০)
কাব্যগ্রন্থাবলী [আদি ব্রাহ্মসমাজ প্রেস, ১৩০৩। কড়ি ও কোমল। শিরোনাম বসন্ত অবসান। সিন্ধু ভৈরবী- আড়াঠেকা। পৃষ্ঠা: ১২৪] [নমুনা]
গানের বহি ও বাল্মীকি প্রতিভা (আদি ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র ১৩০০)।
গীতবিতান
দ্বিতীয় খণ্ড (বিশ্বভারতী, ১৩৪৮)
অখণ্ড সংস্করণ, তৃতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী ১৩৮০)। প্রেম (প্রেম বৈচিত্র্য-২৭৭) পর্যায়ের ৩০৪ সংখ্যক গান।
স্বরবিতান দ্বাত্রিংশ (৩২) খণ্ডের (অগ্রহায়ণ ১৪১২ বঙ্গাব্দ) ৬ সংখ্যক গান। পৃষ্ঠা : ১৪-১৯।