বিষয়:
রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা:
শিরোনাম:
ওগো শোনো কে বাজায়।
পাঠ ও পাঠভেদ:
৫৬
ওগো শোনো কে বাজায়।
বনফুলের মালার গন্ধ বাঁশির তানে মিশে যায়॥
অধর ছুঁয়ে বাঁশিখানি চুরি করে হাসিখানি-
বঁধুর হাসি মধুর গানে প্রাণের পানে ভেসে যায়॥
কুঞ্জবনের ভ্রমর বুঝি বাঁশির মাঝে গুঞ্জরে,
বকুলগুলি আকুল হয়ে বাঁশির গানে মুঞ্জরে।
যমুনারই কলতান কানে আসে, কাঁদে প্রাণ-
আকাশে ওই মধুর বিধু কাহার পানে হেসে চায়॥
পাণ্ডুলিপির পাঠ:
পাঠভেদ:
তথ্যানুসন্ধান
ক. রচনাকাল ও স্থান: ১২৯৩
বঙ্গাব্দের ২ অগ্রহায়ণ তারিখে কড়ি ও কোমল প্রকাশিত হয়েছিল। এই গ্রন্থের কিছু
কবিতাকে রবীন্দ্রনাথ গানে পরিবর্তন করেন। এই গানগুলোর ভিতরে এই গানটিও ছিল। কড়ি
ও কোমল -এর প্রকাশকালের
সময় রবীন্দ্রনাথের বয়স ছিল- ২৪ বৎসর ৭ মাস।
ইন্ডিয়ান প্রেস, ১৩১৬ বঙ্গাব্দ।
ইন্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, ১৩২১ বঙ্গাব্দ।
গানের বহি ও বাল্মীকি প্রতিভা (আদি ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র ১৩০০)।
গীতবিতান
দ্বিতীয় খণ্ড (বিশ্বভারতী, ১৩৪৮)
অখণ্ড সংস্করণ, তৃতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী ১৩৮০)। প্রেম (প্রেম বৈচিত্র্য-২৯) পর্যায়ের ৫৬ সংখ্যক গান।
বাঙ্গালীর গান (১৩১২ বঙ্গাব্দ)।গান (১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দ)
রাগ: বেহাগ। তাল: আড়খেমটা। [রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত। প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সংগীত আকাদেমি, জুলাই ২০০১। পৃষ্ঠা: ৭৬।]