বিষয়:
রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা:
শিরোনাম:
আমরা
বেঁধেছি কাশের গুচ্ছ
পাঠ ও পাঠভেদ:
আমরা বেঁধেছি কাশের গুচ্ছ, আমরা গেঁথেছি শেফালিমালা―
নবীন ধানের মঞ্জরী দিয়ে সাজিয়ে এনেছি ডালা॥
এসো গো শারদলক্ষ্মী, তোমার শুভ্র মেঘের রথে,
এসো নির্মল নীলপথে,
এসো ধৌত শ্যামল আলো-ঝলমল বনগিরিপর্বতে―
এসো মুকুটে পরিয়া শ্বেতশতদল শীতল-শিশির-ঢালা॥
ঝরা মালতীর ফুলে
আসন বিছানো নিভৃত কুঞ্জে ভরা গঙ্গার কূলে
ফিরিছে মরাল ডানা পাতিবারে তোমার চরণমূলে।
গুঞ্জরতান তুলিয়ো তোমার সোনার বীণার তারে
মৃদুমধু ঝঙ্কারে,
হাসি-ঢালা সুর গলিয়া পড়িবে ক্ষণিক অশ্রুধারে।
রহিয়া রহিয়া যে পরশমণি ঝলকে অলককোণে
পলকের তরে সকরুণ করে বুলায়ো বুলায়ো মনে―
সোনা হয়ে যাবে সকল ভাবনা, আঁধার হইবে আলা॥
পাণ্ডুলিপির পাঠ:
রবীন্দ্রনাথের
পাণ্ডুলিপি
RBVBMS 479।
[মূল পাণ্ডুলিপির ২৪ পৃষ্ঠায় লেখা হয়েছে-
'বেঁধেছি
কাশের গুচ্ছ ইত্যাদি'। পাণ্ডুলিপির শেষে পুরো গানটি
পুনরায় লেখা হয়েছে।
[পৃষ্ঠা
৩১-
৩২]
RBVBMS 440
[নমুনা:
প্রথমাংশ,
শেষাংশ]
তথ্যানুসন্ধান
ক. রচনাকাল ও স্থান:
রবীন্দ্রনাথের
পাণ্ডুলিপি
RBVBMS 479-এর
৩১-
৩২ পৃষ্ঠায়
গানটি লেখা হয়েছে। গানের শেষে তারিখ উল্লেখ আছে- '৩রা
ভাদ্র/১৩১৫/শান্তিনিকেতন'। এই সময়
রবীন্দ্রনাথের
বয়স ছিল ৪৭ বৎসর ৪ মাস।
গ্রন্থ:
ঋতু-উৎসব [বিশ্বভারতী। ১৩৩৩ বঙ্গাব্দ। শারদোৎসব।দ্বিতীয় দৃশ্য। ঠাকুরদা(সন্ন্যাসী) ও বালকগণের গান। মিশ্র রামকেলি-একতালা। পৃষ্ঠা: ৮৩-৮৪][নমুনা প্রথমাংশ, দ্বিতীয়াংশ]
গান
ইন্ডিয়ান প্রেস ১৩১৬
ইন্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস ১৩২১
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ (বিশ্বভারতী ১৩৩৮)
দ্বিতীয় খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী ১৩৪৮)
গীতাঞ্জলি
ইন্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস ১৩১৭
বিশ্বভারতী ১৩৩০
শারদোৎসব, মিশ্র রামকেলি-একতালা (ভাদ্র ১৩১৫ বঙ্গাব্দ)। সন্ন্যাসী।
শেফালি, স্বরবিতান পঞ্চাশত্তম (ভাদ্র ১৩২৬ বঙ্গাব্দ)। দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর -কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত।
সংগীত-গীতাঞ্জলী (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ)। ভীমরাও শাস্ত্রী -কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত।
স্বরবিতান পঞ্চাশত্তম (৫০, শেফালি) খণ্ডের (চৈত্র ১৪১৩ বঙ্গাব্দ) পঞ্চম গান। পৃষ্ঠা ২২-২৫।
পত্রিকা:
সংগীত-প্রকাশিকা পত্রিকা, মিশ্রখট্-একতাল (অগ্রহায়ন ১৩১৬ বঙ্গাব্দ)। সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপধ্যায় -কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত।
গ. সঙ্গীত বিষয়ক তথ্যাবলী:
স্বরলিপিকার:
স্বরলিপি: দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর। [স্বরবিতান পঞ্চাশত্তম (৫০, শেফালি) খণ্ডে (চৈত্র ১৪১৩ বঙ্গাব্দ)]
সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপধ্যায়। [সংগীত-প্রবেশিকা পত্রিকা (অগ্রহায়ন ১৩১৬ বঙ্গাব্দ)]
ভীমরাও শাস্ত্রী [সংগীত-গীতাঞ্জলী (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ)]
সুর ও তাল:
স্বরবিতান পঞ্চাশত্তম (৫০, শেফালি) খণ্ডে (চৈত্র ১৪১৩ বঙ্গাব্দ) গৃহীত স্বরলিপিতে রাগ-তালের উল্লেখ নেই। উক্ত স্বরলিপিটি ৩।৩।৩।৩ মাত্রা ছন্দে একতাল তালে নিবদ্ধ।
রাগ: কালাংড়া। তাল: একতাল। [রবীন্দ্রসংগীত: রাগ-সুর নির্দেশিকা। সুধীর চন্দ। প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৬। পৃষ্ঠা: ২৮]
রাগ: কালেংড়া। তাল: একতাল। [রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত। প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সংগীত আকাদেমি, জুলাই ২০০১। পৃষ্ঠা: ৫৪।]
গ্রহস্বর: ঋা।
লয়: মধ্য