বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা :
শিরোনাম:
বাণী তব ধায় অনন্ত গগনে লোকে লোকে
পাঠ ও পাঠভেদ:
৪৬৯
বাণী তব ধায় অনন্ত গগনে লোকে লোকে,
তব বাণী গ্রহ চন্দ্র দীপ্ত তপন তারা ॥
সুখ দুখ তব বাণী, জনম মরণ বাণী তোমার,
নিভৃত গভীর তব বাণী ভক্তহৃদয়ে শান্তিধারা ॥
পাণ্ডুলিপির পাঠ: রবীন্দ্রনাথের পাণ্ডুলিপিতে গানটি পাওয়া যায় নি।
তথ্যানুসন্ধান
ক. রচনাকাল ও স্থান:
১৩০৬
বঙ্গাব্দের ১১ মাঘ [বুধবার,
২৪
জানুয়ারি
১৯০০ খ্রিষ্টাব্দ] তারিখে,
সপ্ততিতম
সাংবৎসরিক মাঘোৎসবের
অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই উৎসবে সকাল ও
সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত উপাসনায় রবীন্দ্রনাথের রচিত মোট ২৩টি গান পরিবেশিত
হয়েছিল। এর ভিতরে 'মহাবিশ্বে মহাকাশে মহাকালে' গানটি পূর্বে রচিত। বাকি
২২টি গান এই উৎসব উপলক্ষে রচিত। এর ভিতরে এই গানটি সান্ধ্যাকালীন অধিবেশনে
পরিবেশিত হয়েছিল। এই সময়ে রবীন্দ্রনাথের বয়স ছিল ৩৮ বৎসর ৮-৯ মাস।
[রবীন্দ্রনাথের
৩৮ বৎসর অতিক্রান্ত বয়সে রচিত গানের তালিকা]
খ. প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
গ্রন্থ:
কাব্যগ্রন্থ অষ্টমখণ্ড (মজুমদার লাইব্রেরি ১৩১০)
কাব্যগ্রন্থ দশম খণ্ড (ইন্ডিয়ান প্রেস ১৩২৩)
সিটি বুক সোসাইটি, ১৩১৫ বঙ্গাব্দ। ব্রহ্মসঙ্গীত।
ইন্ডিয়ান প্রেস (১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩১৬ বঙ্গাব্দ)। ব্রহ্মসঙ্গীত। রাগিণী আড়ানা, তাল চৌতাল। পৃষ্ঠা: ৩২৪। [নমুনা: ৩২৪]
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ [বিশ্বভারতী, আশ্বিন ১৩৩৮ বঙ্গাব্দ। ১৩১০ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত 'মোহিত সেন সম্পাদিত কাব্যগ্রন্থের ৮ম ভাগের 'গান' অংশ থেকে গৃহীত হয়েছিল। পৃষ্ঠা: ২৪০]
প্রথম খণ্ড (বিশ্বভারতী ১৩৪৮)
অখণ্ড সংস্করণ, তৃতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী ১৩৮০)। পূজা ৪৬৯। উপ-বিভাগ : বিবিধ-৯৪।
ধর্ম্মসঙ্গীত (ইন্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, ১৩২১)। গান।
ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি ৪র্থ ভাগ (বৈশাখ ১৩১৫ বঙ্গাব্দ)। আড়ানা-চৌতাল। কাঙ্গালীচরণ সেন-কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত।
স্বরবিতান চতুর্বিংশ (২৪) খণ্ডের ২০ সংখ্যক গান। পৃষ্ঠা ৫৫।
পত্রিকা:
তত্ত্ববোধিনী (ফাল্গুন ১৩০৬ বঙ্গাব্দ)। আড়ানা-চৌতাল। পৃষ্ঠা ১৮৮। [নমুনা]
পরিবেশনা:
১১ মাঘ ১৩০৬ বঙ্গাব্দের
সপ্ততিতম
সাংবাৎসরিক মাঘোৎসবের
সায়ংকালীন
উপাসনায় গানটি পরিবেশিত হয়।
গ. সঙ্গীত বিষয়ক তথ্যাবলী:
ভাঙা গান:
এটি একটি ভাঙা গান। গানটি ক্ষেমরসিক-এর
রচনা।
মূল গান : আড়ানা । চৌতাল (দ্রুতগতি)
বেণী নিরখত ভূজঙ্গ পতাল লাক গয়ো
দুগ দেখত মীন জল মধ ছিপত রী॥
মুখ দেখ কলা হীন উড়পত উড় ব্যোম বসত
ইসত দশন দুত নিরখত হত অনার দরখ মরোরী
কুচ দেখ চক্রবাক নগর ন রহে রহ কারণ
তন দুতি দেখ কাঞ্চন আগমে জরোরী
সিংহ বাকী কটি নেহার গয়ো বন পর দরপ হায়,
ক্ষেমরসিক ছব নিরখত দেত বলিহারী
সঙ্গীত মঞ্জরী।
দ্রষ্টব্য:
রবীন্দ্র্রসংগীত-গবেষণা-গ্রন্থমালা,
৩য় খণ্ড/শ্রীপ্রফুল্লকুমার দাস।
স্বরলিপিকার:
সুর ও তাল:
রাগ-আড়ানা। তাল-চৌতাল। স্বরবিতান-২৪, তত্ত্ববোধিনী
রাগ: আড়ানা। তাল: চৌতাল। [রবীন্দ্রসংগীত : রাগ-সুর নির্দেশিকা। সুধীর চন্দ। (প্যাপিরাস, ডিসেম্বর, ২০০৬)। পৃষ্ঠা: ৬৮]
রাগ: আড়ানা। তাল: চৌতাল। [রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত। প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সংগীত আকাদেমী, জুলাই ২০০১। পৃষ্ঠা: ১১৯]
সুরাঙ্গ: ধ্রুপদাঙ্গ
গ্রহস্বর: না।
লয়: মধ্যলয়।