বিষয়:
রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা:
শিরোনাম:
কে জানিত তুমি ডাকিবে আমারে,
ছিলাম নিদ্রামগন।
পাঠ ও পাঠভেদ:
৪৯৭
কে জানিত তুমি ডাকিবে আমারে, ছিলাম নিদ্রামগন।
সংসার মোরে মহামোহঘোরে ছিল সদা ঘিরে সঘন ॥
আপনার হাতে দিবে সে বেদনা, ভাসাবে নয়নজলে,
কে জানিত হবে আমার এমন শুভদিন শুভলগন ॥
জানি না কখন করুণা-অরুণ উঠিল উদয়াচলে,
দেখিতে দেখিতে কিরণে পূরিল আমার হৃদয়গগন ॥
তোমার অমৃতসাগর হইতে বন্যা আসিল কবে,
হৃদয়ে বাহিরে যত বাঁধ ছিল কখন হইল ভগন ॥
সুবাতাস তুমি আপনি দিয়েছ, পরানে দিয়েছ আশা-
আমার জীবনতরণী হইবে তোমার চরণে মগন ॥
পাঠভেদ দেখানো হলো-
....ছিল সদা ঘিরে' সঘন : গীতবিতান (আশ্বিন ১৩৩৮, মাঘ ১৩৪৮)
....ঘিরে ছিল সদা সঘন : স্বরলিপিকার
কে জানিত হবে আমার : গীতবিতান ('আশ্বিন ১৩৩৮, মাঘ ১৩৪৮)
কে জানিত মোর
হইবে : স্বরলিপিকার
তথ্যানুসন্ধান
ক.
রচনাকাল ও স্থান: ১৩০৬
বঙ্গাব্দের ১১ মাঘ [বুধবার,
২৪
জানুয়ারি
১৯০০ খ্রিষ্টাব্দ] তারিখে,
সপ্ততিতম
সাংবৎসরিক মাঘোৎসবের
অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই উৎসবে সকাল ও
সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত উপাসনায় রবীন্দ্রনাথের রচিত মোট ২৩টি গান পরিবেশিত
হয়েছিল। এর ভিতরে 'মহাবিশ্বে মহাকাশে মহাকালে' গানটি পূর্বে রচিত। বাকি
২২টি গান এই উৎসব উপলক্ষে রচিত। এর ভিতরে এই গানটি সান্ধ্যাকালীন অধিবেশনে
পরিবেশিত হয়েছিল। এই সময়ে রবীন্দ্রনাথের বয়স ছিল ৩৮ বৎসর ৮-৯ মাস।
[রবীন্দ্রনাথের
৩৮ বৎসর অতিক্রান্ত বয়সে রচিত গানের তালিকা]
খ. প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
গ্রন্থ:
কাব্যগ্রন্থ অষ্টমখণ্ড (মজুমদার লাইব্রেরি, ১৩১০)
কাব্যগ্রন্থ, দশম খণ্ড (ইন্ডিয়ান প্রেস, ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩২৩ বঙ্গাব্দ)। ধর্মসঙ্গীত । পৃষ্ঠা: ১৯৩-১৯৫। [নমুনা]
গীতবিতান
অখণ্ড সংস্করণ, তৃতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী ১৩৮০)। পূজা ৪৯৭। উপ-বিভাগ : বিবিধ-১২১। পূজা ও প্রার্থনা' পর্যায়ের ৬৫।
ধর্ম্মসঙ্গীত (ইন্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, ১৩২১)। গান।
স্বরবিতান ত্রিষষ্টিতম (৬৩) খণ্ডের প্রথম সংখ্যক গান। পৃষ্ঠা ৫।
পত্রিকা:
তত্ত্ববোধিনী (ফাল্গুন ১৮২৫ শকাব্দ. ১৩০৬ বঙ্গাব্দ)। পৃষ্ঠা ১৮৭-৮৮।
পরিবেশনা: ১১ মাঘ ১৩০৬ বঙ্গাব্দের সপ্ততিতম সাংবাৎসরিক মাঘোৎসবের সায়ংকালীন উপাসনায় গানটি পরিবেশিত হয়।
গ. সঙ্গীত বিষয়ক তথ্যাবলী:
স্বরলিপিকার: সাহানাদেবী। পাণ্ডুলিপি থেকে স্বরবিতান-৬৩'তে গৃহীত হয়েছিল।
সুর ও তাল:
রাগ: দেশ। অঙ্গ: কীর্তন। তাল: দাদরা। [রবীন্দ্রসংগীত : রাগ-সুর নির্দেশিকা। সুধীর চন্দ। (প্যাপিরাস, জানুয়ারি ১৯১৩)। পৃষ্ঠা : ৪৫]।
রাগ: দেশ। অঙ্গ: কীর্তন। তাল: দাদরা। [রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত। প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সংগীত আকাদেমি, জুলাই ২০০১। পৃষ্ঠা: ৮৩।]
বিষয়াঙ্গ: ব্রহ্মসঙ্গীত
সুরাঙ্গ: কীর্তনাঙ্গ।
গ্রহস্বর: রগা।