শিবমত ভৈরব
উত্তর ভারতীয়
সঙ্গীত পদ্ধতিতে
ভৈরব ঠাটের অন্তর্গত রাগ
বিশেষ। ভৈরব ঠাটের জনক রাগ হিসেবে পরিচিত রাগ ভৈরবের সাথে এই
রাগের মূল পার্থক্য, এই রাগে উভয় নিষাদ ও উভয় গান্ধার ব্যবহৃত হবে।
মূলত এর অবরোহে কৌশলে কোমল গান্ধার ও কোমল নিষাদ ব্যবহার করা হয়।
এর আরোহে গান্ধার ও নিষাদ শুদ্ধ, এই কারণে এই রাগে ভৈরবের রূপ
পাওয়া যায়। অবরোহণে কোমল গান্ধার থাকায় টোড়ির ছায়া পড়ে। এই
রাগের আরোহণ সম্পূর্ণই ভৈরবের মতো। কিন্তু অবরোহণ ভৈরবীর মতো। তবে অবরোহণে
কোমল স্পর্শ হয়ে কোমল ধৈবত ব্যবহৃত হয়। এছাড়া অবরোহে পঞ্চম দুর্বল।
এই রাগটি ভৈরব অঙ্গের। কারণ এর আরোহ ভৈরবের মতো। অবরোহে তারার সা থেকে কোমল ধৈবতে
কোমল নিষাদের স্পরশ থাকায় ভৈরবের ছায়া আসে।
আরোহণ: স ঋ গ ম প দ ন র্স
অবরোহণ : র্স
ণ দ প, ম জ্ঞ ঋ স।
ঠাট:
ভৈরব (ঠাট)
জাতি : সম্পূর্ণ-সম্পূর্ণ
বাদীস্বর : ধৈবত
সমবাদী স্বর: ঋষভ
অঙ্গ : উত্তরাঙ্গ
প্রধান।
সময়:
দিবা
দ্বিতীয় প্রহর।
পকড় : স, গ, ম প, দ, প, ম গ ম, ঋ স
তথ্য:
- মারিফুন্নাগমাত।
রাজা নওয়াব আলী খান। অনুবাদ মকসুদুর রহমান হিলালী। বাঙলা একাডেমী বর্ধমান
হাউস। ঢাকা। পৃষ্ঠা: ২৬৮-২৬২।
- রাগ-রূপায়ণ। সুরেশচন্দ্র চক্রবর্তী। জেনারেল প্রিন্টার্স
য়্যান্ড পাব্লিশাসার্স প্রাইভেট লিমিটেড। ৫৫-৫৬