![]() |
উরের রাজকীয় সমাধিক্ষেত্রে পাওয়া সিল। এতে মেসানেপাদাকে কিশের রাজা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। |
খ্রিষ্টপূর্ব ২৫২৬ অব্দের দিকে উরুকের রাজা লুগাল-কিতুনকে পরাজিত করে, তাঁর রাজত্বের অন্তর্ভুক্ত করেন। উরু-এর রাজকীয় কবরে পাওয়া একটি সীলমোহরে তাঁকে কিশ নগরের রাজা হিসাবেও বর্ণনা করা হয়েছে।
![]() |
মারির ল্যাপিস লাজুলি পুঁতি, মেসকালামদুগের ছেলে মেসানেপাদার শিলালিপি সহ। দামেস্কের জাতীয় জাদুঘর , সিরিয়া |
এছাড়া পাওয়া গেছে আধুনিক সিরিয়ার একটি প্রাচীন সেমিটিক শহর-রাষ্ট্র মারির রাজকীয় পুঁতির শিলালিপিতে এবং একটি ল্যাপিস-লাজুলি পুঁতি উপরে। এই পুঁতিতে লেখা আছে-
"দেবতা লুগালকালামের কাছে ("ভূমির প্রভু", দাগান বা এনলিল দ্বারা চিহ্নিত ), মেসানেপাদা , উরের রাজা , মেসকালামদুগের পুত্র, কিশের রাজা , এই পুঁতিটি পবিত্র করেছেন"
উর থেকে প্রায় ৭০০ কিলোমিটার দূরে মারিতে এই পূঁতি কিভাবে এসেছিল তা জানা যায়
না। সম্ভত এই সময়ে উর ও মারির ভিতরে বাণিজ্যিক বা সৌহার্দের সম্পর্ক ছিল।
আবিষ্কৃত ল্যাপিস লাজুলি পুঁতি (রেফারেন্স এম. 4439) মারির রাজা "হানুসুম" (গানসুদ) এর কাছে উরের মেসানেপাদা উপহার হিসাবে প্রেরণ করেছিলেন ।
তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর
পুত্র আ'আনেপাদা রাজত্ব লাভ করেন। তাঁর অপর পুত্র মেসকিয়াগন রাজ্যলাভ করেছিল আ'আনেপাদা
-র মৃত্যুর পর।