উরের রাজকীয় সমাধিক্ষেত্রে পাওয়া সিল। এতে মেসানেপাদাকে কিশের রাজা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

মেসানেপাদা
রাজত্বকাল: ২৫৫০-? অব্দ

প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের প্রাচীন প্রাচীন উর নগরীর-এর প্রথম রাজবংশের পঞ্চম রাজা।  উর -এর তৃতীয় রাজা মেসকলমদুগ -এর পুত্র ছিলেন।

উল্লেখ, মেসকলমদুগ-এর দুটি পুত্রের নাম পাওয়া যায়। এর ভিতরে প্রথম পুত্র আকলামদুগ তাঁর মৃত্যুর পর রাজত্ব লাভ করেন। তাঁর অপর পুত্র মেসানেপাদা রাজত্ব লাভ করেছিলেন তাঁর ভাই আকলামদুগ-এর মৃত্যুর পর। তাঁর স্ত্রীর নাম ছিল নিন্টুর।

খ্রিষ্টপূর্ব ২৫২৬ অব্দের দিকে উরুকের রাজা লুগাল-কিতুনকে পরাজিত করে, তাঁর রাজত্বের অন্তর্ভুক্ত করেন। উরু-এর রাজকীয় কবরে পাওয়া একটি সীলমোহরে তাঁকে কিশ নগরের রাজা হিসাবেও বর্ণনা করা হয়েছে।

মারির ল্যাপিস লাজুলি পুঁতি, মেসকালামদুগের ছেলে মেসানেপাদার শিলালিপি সহ। দামেস্কের জাতীয় জাদুঘর , সিরিয়া

এছাড়া পাওয়া গেছে আধুনিক সিরিয়ার একটি প্রাচীন সেমিটিক শহর-রাষ্ট্র মারির রাজকীয় পুঁতির শিলালিপিতে  এবং একটি ল্যাপিস-লাজুলি পুঁতি উপরে। এই পুঁতিতে লেখা আছে-

"দেবতা লুগালকালামের কাছে ("ভূমির প্রভু", দাগান বা এনলিল দ্বারা চিহ্নিত ), মেসানেপাদা , উরের রাজা , মেসকালামদুগের পুত্র, কিশের রাজা , এই পুঁতিটি পবিত্র করেছেন"

উর থেকে প্রায় ৭০০ কিলোমিটার দূরে মারিতে এই পূঁতি কিভাবে এসেছিল তা জানা যায় না। সম্ভত এই সময়ে উর ও মারির ভিতরে বাণিজ্যিক বা সৌহার্দের সম্পর্ক ছিল।

আবিষ্কৃত ল্যাপিস লাজুলি পুঁতি (রেফারেন্স এম. 4439) মারির রাজা "হানুসুম" (গানসুদ) এর কাছে উরের মেসানেপাদা উপহার হিসাবে প্রেরণ করেছিলেন ।

তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র আ'আনেপাদা রাজত্ব লাভ করেন। তাঁর অপর পুত্র মেসকিয়াগন রাজ্যলাভ করেছিল আ'আনেপাদা -র মৃত্যুর পর।