বিষয়:
রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা:
শিরোনাম:
রাজরাজেন্দ্র জয় জয়তু জয় হে।
পাঠ
ও পাঠভেদ:
রাজরাজেন্দ্র জয় জয়তু জয় হে।
দুষ্টদলদলন তব দণ্ড ভয়কারী, শত্রুজনদর্পহর দীপ্ত তরবারি-
সঙ্কটশরণ্য তুমি দৈন্যদুখহারী
মুক্ত-অবরোধ তব অভ্যুদয় হে॥
পাণ্ডুলিপির পাঠ:
পাঠভেদ:
তথ্যানুসন্ধান
ক. রচনাকাল ও স্থান:
গানটি
১৩১৫ ভাদ্রে প্রকাশিত শারদোৎসব গৃহীত হয়েছে।
এই বিচারে প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় তাঁর
গীতবিতান কালানুক্রমিক সূচি গ্রন্থে গানটির প্রকাশকালের বিচারে ১৩১৫
বঙ্গাব্দের গানের তালিকায় যুক্ত করেছেন।
এই গানটি
সম্পর্কে
ক্ষিতিমোহন সেনের মত হলো-"...বন্দীদের
রাজপ্রশস্তি “রাজরাজেন্দ্রজয়”-গানটি
যে শারদোৎসবে বসাইলেন তাহা পূর্বে একসময়ে প্রসঙ্গান্তরে তাঁহার দ্বারাই রচিত
হইয়াছিল।"
এই উক্তির
সূত্রে প্রশান্তকুমার পাল তাঁর রবিজীবনী ষষ্ঠ খণ্ডে, এই গানটির রচনাকাল অনুমান করে
লিখেছেন-"...
সম্ভবত
ত্রিপুরারাজ রাধাকিশোর মাণিক্য ২৩ পৌষ ১৩১১ যখন শান্তিনিকেতন পরিদর্শনে এসেছিলেন
তখন তাঁর অভ্যর্থনা উপলক্ষে রবীন্দ্রনাথ গানটি রচনা করেন।"
প্রশান্তকুমার পাল-এর এই
ধারণাকে ঠিক মেনে নেওয়া যায় না। ১৩১১ থেকে ১৩১৫ বঙ্গাব্দের ভিতরে এই গানটি রচিত
হলে- কোনো গ্রন্থে বা পত্রিকায় প্রকাশিত হয় নি- এটা অভাবনীয়। তাই এরূপ ধারণার
বশবর্তী না হয়ে,
শারদোৎসব-এর প্রকাশকালের বিচারেই রচনাকাল ধরা হলো। এই বিচারে ধরা হয়েছে ১৩১৫
বঙ্গাব্দের
ভাদ্র মাসের আগেই তিনি গানটি রচনা করেছিলেন। এই সময় রবীন্দ্রনাথের বয়স
ছিল
৪৭ বৎসর।
[রবীন্দ্রনাথের ৪৭ বৎসর অতিক্রান্ত বয়সের গানে তালিকা]
খ. প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
গ্রন্থ:
ঋতু-উৎসব [বিশ্বভারতী। ১৩৩৩ বঙ্গাব্দ। শারদোৎসব। দ্বিতীয় দৃশ্য। বন্দীগণের গান। পৃষ্ঠা ৬৫] [নমুনা]
অখণ্ড সংস্করণ, তৃতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী, পৌষ ১৩৮০ বঙ্গাব্দ)। পর্যায়: নাট্যগীতি: ৮৪। পৃষ্ঠা: ।
শারোদোৎসব
প্রথম সংস্করণ (বিশ্বভারতী, ভাদ্র ১৩১৫), দ্বিতীয় দৃশ্য, বন্দীগণের গান।
রবীন্দ্ররচনাবলী সপ্তম খণ্ড (বিশ্বভারতী, শ্রাবণ ১৩৯৩), বন্দীগণের গান, মিশ্র কানাড়া-ঝাঁপতাল, পৃষ্ঠা ৪০৩।
গান ১৯০৯ (বিবিধ) ২৬।
স্বরবিতান ষট্পঞ্চাশত্তম (৫৬) খণ্ডের (বিশ্বভারতী, চৈত্র ১৪১৪) ১৫ সংখ্যক গান, পৃষ্ঠা ৪৫-৪৬। পাণ্ডুলিপি হতে গৃহীত।
রেকর্ডসূত্র:
প্রকাশের
কালানুক্রম:
গ. সঙ্গীতবিষয়ক তথ্যাবলি:
স্বরলিপি:
স্বরলিপিকার: অনাদিকুমার দস্তিদার।
সুর ও তাল:
স্বরবিতান ষট্পঞ্চাশত্তম (৫৬) খণ্ডের (বিশ্বভারতী, চৈত্র ১৪১৪) গৃহীত স্বরলিপিতে রাগ-তালের উল্লেখ নেই। উক্ত স্বরলিপিতে ছন্দোবিভাজন দেখানো হয়েছে, ২।৩।২।৩ মাত্রা ছন্দে ঝাঁপতাল তালে নিবদ্ধ।
রাগ:
সাহানা।
তাল:
ঝাঁপতাল।
[রবীন্দ্রসংগীত:
রাগ-সুর নির্দেশিকা, সুধীর চন্দ, প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৬],
পৃষ্ঠা: ৭৭।
[রবীন্দ্রনাথের
কীর্তনাঙ্গের গানের তালিকা]
রাগ: কাফি। তাল: ঝাঁপতাল। [রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত, প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সংগীত আকাদেমি, জুলাই ২০০১], পৃষ্ঠা: ১৩৩।
গ্রহস্বর: সা।
লয়: মধ্য।