বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা:
শিরোনাম:
ওগো এত প্রেম-আশা
পাঠ ও পাঠভেদ:
ওগো এত প্রেম-আশা, প্রাণের তিয়াষা কেমনে আছে সে পাশরি।
তবে সেথা কি হাসে না চাঁদিনী যামিনী, সেথা কি বাজে না বাঁশরি॥
সখী, হেথা সমীরণ লুটে ফুলবন, সেথা কি পবন বহে না।
সে যে তার কথা মোরে কহে অনুক্ষন, মোর কথা তারে কহে না!
যদি আমারে আজি সে ভুলিবে সজনী, আমারে ভুলালে কেন সে।
ওগো এ চিরজীবন করিব রোদন, এই ছিল তার মানসে!
যবে কুসুমশয়নে নয়নে নয়নে কেটেছিল সুখরাতি রে,
তবে কে জানিত তার বিরহ আমার হবে জীবনের সাথি রে।
যদি মনে নাহি রাখে, সুখে যদি থাকে, তোরা একবার দেখে আয়―
এই নয়নের তৃষা, পরানের আশা, চরণের তলে রেখে আয়।
আর নিয়ে যা রাধার বিরহের ভার, কত আর ঢেকে রাখি বল্।
আর পারিস যদি তো আনিস হরিয়ে এক-ফোঁটা তার আঁখিজল।
না না, এত প্রেম, সখী, ভুলিতে যে পারে তারে আর কেহ সেধো না।
আমি কথা নাহি কব, দুখ লয়ে রব মনে মনে স'ব বেদনা।
ওগো মিছে মিছে, সখী, মিছে এই প্রেম, মিছে পরানের বাসনা।
ওগো সুখদিন হায় যবে চলে যায় আর ফিরে আর আসে না॥
পাণ্ডুলিপির পাঠ: পাওয়া যায়নি।
পাঠভেদ:
তথ্যানুসন্ধান
ক. রচনাকাল ও স্থান: ১২৯৩ বঙ্গাব্দে এই গানটি রচিত হয়। এই বিচারে গানটি রবীন্দ্রনাথের ২৫ বৎসর বয়সের রচনা।
খ. প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
- গ্রন্থ
- কাব্যগ্রন্থ অষ্টম খণ্ড। বিবিধ। ঝিঁঝিট-একতালা। (মজুমদার লাইব্রেরি, ১৩১০ বঙ্গাব্দ)। পৃষ্ঠা: ৩৫-৩৬ [নমুনা: ৩৫, ৩৬]
- কাব্যগ্রন্থাবলী [আদি ব্রাহ্মসমাজ প্রেস, ১৩০৩। কড়ি ও কোমল। শিরোনাম বিলাপ। ঝিঁঝিট। পৃষ্ঠা: ১২৫-১২৬] [নমুনা প্রথমাংশ শেষাংশ]
গীতবিতান
- প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ [বিশ্বভারতী, আশ্বিন ১৩৩৮, [কড়ি ও কোমল (১২৯৩ বঙ্গাব্দ) থেকে গৃহীত হয়েছিল। পৃষ্ঠা: ৪৪-৪৫] [নমুনা: প্রথমাংশ, শেষাংশ]
- গীতবিতান -এর প্রেম (প্রেম বৈচিত্র্য-২৭৫) পর্যায়ের ৩০২ সংখ্যক গান।
- স্বরবিতান দশম (১০) খণ্ডের (পৌষ ১৪১৩ বঙ্গাব্দ) ৩ সংখ্যক গান। পৃষ্ঠা : ১২-১৫।
- কড়ি ও কোমল, 'বিলাপ' শীর্ষক কবিতা (রবীন্দ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, বিশ্বভারতী, শ্রাবণ ১৩৯১ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ৭০)।
- কাব্যগ্রন্থাবলী (আশ্বিন ১৩০৩ বঙ্গাব্দ)। ঝিঁঝিট-একতালা।
- স্বরলিপি-গীতিমালিকা (১৩০৪ বঙ্গাব্দ)।
- সঙ্গীতসার সংগ্রহ দ্বিতীয় ভাগ (১৩০৬ বঙ্গাব্দ)।
- কাব্যগ্রন্থ ৮ম, বিবিধ (১৩১০ বঙ্গাব্দ)।
- রবীন্দ্র গ্রন্থাবলী হিতবাদী (১৩১১বঙ্গাব্দ)।
- বাঙ্গালীর গান (১৩১২ বঙ্গাব্দ)।
- গান ১৯০৮,১৯০৯,১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দ এবং ১৩২৭ বঙ্গাব্দ।
অঙ্গ: কীর্তন। তাল: দাদরা। [রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত। প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সংগীত আকাদেমি, জুলাই ২০০১। পৃষ্ঠা: ৭৫।]