বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা :
শিরোনাম:
একমনে তোর একতারাতে একটি যে
তার সেইটি বাজা
পাঠ ও পাঠভেদ:
একমনে তোর একতারাতে একটি যে তার সেইটি বাজা-
ফুলবনে তোর একটি কুসুম, তাই নিয়ে তোর ডালি সাজা ॥
যেখানে তোর সীমা সেথায় আনন্দে তুই থামিস এসে,
যে কড়ি তোর প্রভুর দেওয়া সেই কড়ি তুই নিস রে হেসে।
লোকের কথা নিস নে কানে, ফিরিস নে আর হাজার টানে,
যেন রে তোর হৃদয় জানে হৃদয়ে তোর আছেন রাজা-
একতারাতে একটি যে তার আপন মনে সেইটি বাজা ॥
ক.
রচনাকাল ও স্থান: RBVBMS
110 (i)
পাণ্ডুলিপিতে লেখা গানটির
আদি রূপ পাওয়া যায়। এই রূপটি 'সীমা'
শিরোনামে খেয়া কাব্যে-
কবিতা হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। এর নিচে গানটি রচনার স্থান ও তারিখ উল্লেখ আছে-
''২৫শে মাঘ/শিলাইদহ/পদ্মা'। উল্লেখ্য,
রবীন্দ্রনাথ
১৩১২ বঙ্গাব্দের ২৩শে মাঘ থেকে ২৫শে মাঘ পর্যন্ত শিলাইদহে ছিলেন। এই সময় তিনি
পদ্মানদীতে বোটে থাকাকালে এই গানটি রচনা করেছিলেন ২৫শে মাঘ। এই সময়
রবীন্দ্রনাথের বয়স ছিল ৪৪ বৎসর ৯ মাস ।
[রবীন্দ্রনাথের
৪৪ বৎসর অতিক্রান্ত বয়সে রচিত গানের তালিকা]
গ্রন্থ:
সপ্তম খণ্ড । [ইন্ডিয়ান প্রেস, ১৩২৩ বঙ্গাব্দ, খেয়া। শিরোনাম সীমা। পৃষ্ঠা ২০৪] [নমুনা]
দশম খণ্ড [ইন্ডিয়ান প্রেস, ১৩২৩ বঙ্গাব্দ, ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দ। ধর্ম্মসঙ্গীত। পৃষ্ঠা ২০৫-২০৬] [নমুনা]
দ্বিতীয় সংস্করণ [ইন্ডিয়ান প্রেস ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩১৬ বঙ্গাব্দ। ব্রহ্মসঙ্গীত। মিশ্র বাহার -যৎ। পৃষ্ঠা: ৩৭৮ -৩৭৯। [নমুনা: প্রথমাংশ, শেষাংশ]
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ [বিশ্বভারতী, আশ্বিন ১৩৩৮ খেয়া (১৩১৩) থেকে গৃহীত হয়েছিল।। পৃষ্ঠা ২৫৫] [নমুনা]
প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণ [বিশ্বভারতী, মাঘ ১৩৪৮, পূজা। অন্তর্মুখ ৩। পৃষ্ঠা ১০৭] [নমুনা]
পত্রিকা:
তত্ত্ববোধিনী (ফাল্গুন ১৩১৫ বঙ্গাব্দ)। রাগ-মিশ্র বাহার, তাল-যৎ। পৃষ্ঠা ১৮০।
সঙ্গীত প্রকাশিকা (মাঘ ১৩১৫ বঙ্গাব্দ)। কাঙ্গালীচরণ সেন-কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত।
রেকর্ডসূত্র: ১৯১৫
খ্রিষ্টাব্দের ভিতরে জেনোফোন রেকর্ড থেক প্রকাশিত হয়েছিল। শিল্পী ছিলেন
বলাইদাস শীল। রেকর্ড নম্বর (x3-102158/x3-102160)
পরবর্তী নম্বর
N 108।
প্রকাশের
কালানুক্রম:
গানটি প্রথম পরিবেশিত হয়েছিল
১১ মাঘ ১৩১৫ বঙ্গাব্দ [২৪ জানুয়ারি ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ]-এর
৭৯তম মাঘোৎসবের
সন্ধ্যার অধিবেশনে। এরপর সঙ্গীত প্রকাশিকা (মাঘ ১৩১৫ বঙ্গাব্দ) এবং তত্ত্ববোধিনী
(ফাল্গুন ১৩১৫ বঙ্গাব্দ) সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল। এরপর যে সকল
গ্রন্থাদিতে গানটি অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়েছিল, সেগুলো হলো-
খেয়া,
প্রথম সংস্করণ
(১৩১৩
বঙ্গাব্দ),
গান
,
দ্বিতীয় সংস্করণ
(১৩১৬
বঙ্গাব্দ),
ধর্ম্মসঙ্গীত (১৩২১ বঙ্গাব্দ),
কাব্যগ্রন্থ,
সপ্তম খণ্ড
(১৩২৩ বঙ্গাব্দ) ও
কাব্যগ্রন্থ দশম খণ্ড
(১৩২৩ বঙ্গাব্দ)।
এ সকল গ্রন্থাদির
পরে,
১৩৩৮ বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাসে প্রকাশিত
গীতবিতান -এর
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ
গানটি গৃহীত হয়েছিল, গীতাঞ্জলি (১৩১৭ বঙ্গাব্দ) থেকে। এরপরর
এর
প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছিল ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের মাঘ
মাসে। এই সংস্করণে গানটি অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল
পূজা,
পর্যায়ের
অন্তর্মুখ উপবিভাগের তৃতীয় গান হিসেবে। ১৩৭১ বঙ্গাব্দের আশ্বিন
মাসে প্রকাশিত অখণ্ড গীতবিতানের
পূজা
পর্যায়ের ২৫৫ সংখ্যক গান হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল।
গানটি
একইভাবে অখণ্ড গীতাবিতানের তৃতীয় সংস্করণ প্রকাশিত
হয়েছিল পৌষ ১৩৮০ বঙ্গাব্দের পৌষ মাসে।