তুমি যে আমারে চাও আমি সে জানি।
কেন যে মোরে কাঁদাও আমি সে জানি॥
এ আলোকে এ আঁধারে কেন তুমি আপনারে
ছায়াখানি দিয়ে ছাও আমি সে জানি ॥
সারাদিন নানা কাজে কেন তুমি নানা সাজে
কত সুরে ডাক দাও আমি সে জানি।
সারা হলে দে'য়া-নে'য়া দিনান্তের শেষ খেয়া
কোন্ দিক-পানে বাও আমি সে জানি॥
গান
প্রথম সংস্করণ
[সিটি
বুক সোসাইটি, ১৩১৫ বঙ্গাব্দ।
ব্রহ্মসঙ্গীত।
ভূপালী-কাওয়ালি।
পৃষ্ঠা
৩৭০-৩৭১] [নমুনা প্রথমাংশ
শেষাংশশ]
দ্বিতীয় সংস্করণণ
[ইন্ডিয়ান প্রেস। ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩১৬
বঙ্গাব্দ।
ব্রহ্মসঙ্গীত।
ভূপালী-কাওয়ালি। পৃষ্ঠা: ৩৪৭-৩৪৮
[নমুনা:
প্রথমাংশ,
দ্বিতীয়াংশ]
ধর্ম্মসঙ্গীত [ইন্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস ১৩২১ বঙ্গাব্দ। পৃষ্ঠা: ১২৭-১২৮] [নমুনা: প্রথমাংশ, শেষাংশ]
স্বরবিতান ষষ্টিতম (৬০) খণ্ডের ৩য় গান। পৃষ্ঠা ১২-১৩। [নমুনা]
স্বরলিপিকার: শৈলজারঞ্জন মজুমদার।
সুর ও তাল:
স্বরবিতান-৬০-এ গানটির স্বরলিপিতে রাগ-তালের উল্লেখ নেই। উক্ত স্বরলিপিতে ছন্দোবিভাজন দেখানো হয়েছে, ৪।৪।৪।৪ ছন্দ। অর্থাৎ 'ত্রিতাল বা 'কাওয়ালি' হিসাবে গণ্য করা যেতে পারে। তবে বর্তমানে গানটি ত্রিতালেই গাওয়া হয়ে থাকে। আর গানটির রাগ হলো মিশ্র ভূপালি।
- ইমন-পূরবী। তাল: ত্রিতাল। [রবীন্দ্রসংগীত: রাগ-সুর নির্দেশিকা। সুধীর চন্দ। প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৬।। পৃষ্ঠা: ৫৫]।
- ইমন-পূরবী। তাল: ত্রিতাল। [রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত, প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী, জুলাই ২০০১, পৃষ্ঠা: ৯৭।]
বিষয়াঙ্গ: ব্রহ্মসঙ্গীত
স্বকীয় বৈশিষ্ট্যের গান
গ্রহস্বর: সা।
লয়: মধ্য।