বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা :
শিরোনাম: আঁধার রজনী পোহালো
পাঠ ও পাঠভেদ:
আঁধার রজনী পোহালো,
জগত পূরিল পুলকে।
বিমল প্রভাতকিরণে মিলিল দ্যুলোকে ভূলোকে
॥
জগত নয়ন তুলিয়া হৃদয়দুয়ার খুলিয়া
হেরিছে হৃদয়নাথেরে আপন হৃদয়-আলোকে
॥
প্রেমমুখহাসি তাঁহারি পড়িছে ধরার আননে-
কুসুম বিকশি উঠিছে,
সমীর বহিছে কাননে।
সুধীরে আঁধার টুটিছে,
দশ দিক ফুটে উঠিছে-
জননীর কোলে যেন রে জাগিছে বালিকা বালকে
॥
জগত যে দিকে চাহিছে সে দিকে দেখিনু চাহিয়া,
হেরি সে অসীম মাধুরী হৃদয় উঠিছে গাহিয়া।
নবীন আলোকে ভাতিছে,
নবীন আশায় মাতিছে,
নবীন জীবন লভিয়া জয়-জয় উঠে ত্রিলোকে
॥
পাণ্ডুলিপির পাঠ: [RBVBMS_003] [নমুনা]
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ (বিশ্বভারতী, আশ্বিন ১৩৩৮), কাব্য-গ্রন্থাবলী (১৩০৩ বঙ্গাব্দ)-এর ব্রহ্মসঙ্গীত অংশ থেকে গৃহীত হয়েছিল। পৃষ্ঠা: ১২৯] [নমুনা]
রেকর্ডসূত্র: পাওয়া যায় নি।
প্রকাশের কালানুক্রম: তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার 'অগ্রহায়ণ ১২৯১ বঙ্গাব্দ' সংখ্যায় গানটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। এরপর যে সকল গ্রন্থাদিতে গানটি প্রকাশিত হয়েছিল, সেগুলো হলো-রবিচ্ছায়া (১২৯২ বঙ্গাব্দ), গানের বহি ও বাল্মীকি প্রতিভা (১৩০০ বঙ্গাব্দ), কাব্যগ্রন্থ
এ সকল
গ্রন্থাদির পরে
১৩৩৮ বঙ্গাব্দে গানটি
গীতবিতান
--এর
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়েছিল।
১৩৪৮ বঙ্গাব্দের মাঘ মাসে প্রকাশিত
গীতবিতান
-এর
প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণে গানটি অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল পূজা পর্যায়ের
উপবিভাগ
আনন্দ-এর
২২
সংখ্যক গান হিসেবে। ১৩৭১ বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাসে প্রকাশিত অখণ্ড গীতবিতানের
পূজা
পর্যায়ের ৩৩০।
রাগ: খট। তাল: একতাল [রবীন্দ্রসংগীত : রাগ-সুর নির্দেশিকা । সুধীর চন্দ। (প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৬)। পৃষ্ঠা: ২৭]।
রাগ: খট। তাল: একতাল। [রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত, প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সংগীত আকাদেমী, জুলাই ২০০১। পৃষ্ঠা: ৫২]