বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা :
শিরোনাম:
যারা কাছে আছে তারা কাছে থাক্
পাঠ ও পাঠভেদ:
যারা কাছে আছে তারা কাছে থাক্, তারা তো পারে না জানিতে-
তাহাদের চেয়ে তুমি কাছে আছ আমার হৃদয়খানিতে॥
যারা কথা বলে তাহারা বলুক, আমি করিব না কারেও বিমুখ-
তারা নাহি জানে ভরা আছে প্রাণ তব অকথিত বাণীতে।
নীরবে নিয়ত রয়েছ আমার নীরব হৃদয়খানিতে॥
তোমার লাগিয়া কারেও, হে প্রভু, পথ ছেড়ে দিতে বলিব না কভু,
যত প্রেম আছে সব প্রেম মোরে তোমা-পানে রবে টানিতে-
সকলের প্রেমে রবে তব প্রেম আমার হৃদয়খানিতে।
সবার সহিতে তোমার বাঁধন হেরি যেন সদা এ মোর সাধন-
সবার সঙ্গ পারে যেন মনে তব আরাধনা আনিতে।
সবার মিলনে তোমার মিলন
জাগিবে হৃদয়খানিতে॥
পাণ্ডুলিপির পাঠ: রবীন্দ্রনাথের পাণ্ডুলিপিতে গানটি পাওয়া যায় নি।
পাঠভেদ:
তথ্যানুসন্ধান
ক. রচনাকাল ও স্থান:
খ. প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
গ্রন্থ:
দ্বিতীয় সংস্করণ [ইন্ডিয়ান প্রেস ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩১৬ বঙ্গাব্দ। ব্রহ্মসঙ্গীত। রাগিণী মিশ্র সাহানা-তাল একতালা। পৃষ্ঠা: ৩৫৬] [নমুনা]
পত্রিকা:
তত্ত্ববোধিনী (ফাল্গুন ১৮২৩ শকাব্দ, ১৩১৪ বঙ্গাব্দ)। মিশ্র সাহানা একতাল। পৃষ্ঠা: ১৮৪। [নমুনা]
সঙ্গীত প্রকাশিকা (মাঘ ১৩১৪ বঙ্গাব্দ)। স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত হয়েছিল। কিন্তু স্বরলিপিকারের নাম অনুল্লিখিত ছিল।
রেকর্ডসূত্র: নাই।
প্রকাশের কালানুক্রম: গানটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ১৩০৮ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত নৈবেদ্য প্রথম সংস্করণে। এরপর যে সকল পত্রিকা ও গ্রন্থাদিতে অন্তর্ভুক্ত হয়ে গানটি প্রকাশিত হয়েছিল, সেগুলো হলো-
কাব্যগ্রন্থ ষষ্ঠ খণ্ড (১৩১০ বঙ্গাব্দ), সঙ্গীত প্রকাশিকা পত্রিকার 'মাঘ ১৩১৪ বঙ্গাব্দ' সংখ্যা। এরপর ১৩১৪ বঙ্গাব্দের ১১ই মাঘে অনুষ্ঠিত [শনিবার, ২৫ জানুয়ারি ১৯০৮ খ্রিষ্টাব্দ] অষ্টসপ্ততিতম (৭৮) সাংবৎসরিক মাঘোৎসববে গানটি গীত হয়েছিল। এই সূত্রে গানটি তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার 'ফাল্গুন ১৩১৪ বঙ্গাব্দ' সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল। এরপর ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি পঞ্চম ভাগ (বৈশাখ ১৩১৬ বঙ্গাব্দ), গান দ্বিতীয় সংস্করণ (১৩১৬ বঙ্গাব্দ), ধর্ম্মসঙ্গীত (১৩২১ বঙ্গাব্দ) ও কাব্যগ্রন্থ সপ্তম খণ্ড (১৩২৩ বঙ্গাব্দ)-এ অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়েছিল।গ. সঙ্গীত বিষয়ক তথ্যাবলী:
স্বরলিপি:
স্বরলিপিকার: কাঙালীচরণ সেন। ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি ৫ম ভাগ থেকে স্বরবিতান-২৫এ গৃহীত হয়েছে।
সুর ও তাল:
স্বরবিতান পঞ্চবিংশ (২৫) খণ্ডের গৃহীত স্বরলিপিতে রাগ-তালের নাম হিসেবে উল্লেখ রয়েছে যথাক্রমে মিশ্র সাহানা ও একতাল।
রাগ : মিশ্র সাহানা। তাল: একতাল। [রবীন্দ্রসংগীত: রাগ-সুর নির্দেশিকা, সুধীর চন্দ, প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৬], পৃষ্ঠা ৭৫।
রাগ: সাহানা। তাল: একতাল। [রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত, প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সংগীত আকাদেমি, জুলাই ২০০১], পৃষ্ঠা ১৩১।
বিষয়াঙ্গ: ব্রহ্মসঙ্গীত।
সুরাঙ্গ:
গ্রহস্বর: সা।
লয়: ঈষৎ দ্রুত।