বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা :
শিরোনাম: শূন্য হাতে ফিরি,
হে নাথ ও পথে পথে
পাঠ ও পাঠভেদ:
শূন্য হাতে ফিরি, হে নাথ ও পথে পথে- ফিরি হে দ্বারে দ্বারে-
চিরভিখারি হৃদি মম নিশিদিন চাহে কারে॥
চিত্ত না শান্তি জানে, তৃষ্ণা না তৃপ্তি মানে-
যাহা পাই তাই হারাই, ভাসি অশ্রুধারে ॥
সকল যাত্রী চলি গেল, বহি গেল সব বেলা,
আসে তিমিরযামিনী, ভাঙিয়া গেল মেলা-
কত পথ আছে বাকি, যাব চলি ভিক্ষা রাখি,
কোথা জ্বলে গৃহপ্রদীপ কোন্ সিন্ধুপারে ॥
- পাণ্ডুলিপির
পাঠ:
- পাঠভেদ: পাঠভেদ আছে। স্বরবিতান-৪-এর ১৪১ পৃষ্ঠায় মুদ্রিত পাঠানুসারে
নিচের পাঠভেদ দেখানো হলো।
যাব চলি ভিক্ষা রাখি
: ব্রহ্মসঙ্গীত-স্বরলিপি ১ (মাঘ ১৩১১)
যাব চলে' ভিক্ষা রাখি'
: গীতবিতান (আশ্বিন ১৩৩৮)
স্বরবিতান ৪ (চৈত্র ১৩৪৬)
- তথ্যানুসন্ধান
- ক. রচনাকাল ও স্থান:
গানটির সুনির্দিষ্ট রচনাকাল পাওয়া যায় না। ১৩০৯ বঙ্গাব্দের ১১ মাঘ [২৫
জানুয়ারি ১৯০৩ খ্রিষ্টাব্দ] ত্রিসপ্ততিতম
(মাঘোৎসব
৭৩) সাংবৎসরিক
মাঘোৎসবের সন্ধ্যার অধিবেশনে
অনুষ্ঠিত হয়। এই উৎসবের ২৩টি গানের ভিতরে রবীন্দ্রসঙ্গীতের ভিতরে এই
গানটিসহ ১২টি গান ছিল নতুন। এই সময়ে রবীন্দ্রনাথের বয়স ছিল ৪১ বৎসর।
প্রশান্তকুমার পাল তাঁর রবিজীবনী পঞ্চম খণ্ড (আনন্দ পাবলিশার্স, ১৪১৪
মুদ্রণ, পৃষ্ঠা: ১০৬)-এ এই সময়ের লিখিত গানগুলোর প্রেক্ষাপট সম্পর্কে
লিখেছেন- গান-নির্বাচনে রবীন্দ্রনাথের সমকালীন মানসিকতাই প্রতিফলিত,
মৃণালিনী দেবীর অকালমৃত্যু-জনিত সন্তাপ অধিকাংশ গানেই ধ্বনিত হয়েছে।
- খ. প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
-
পত্রিকা:
-
তত্ত্ববোধিনী (ফাল্গুন ১৩০৯ বঙ্গাব্দ)। কাফি-সুরফাক্তা। পৃষ্ঠা ১৭৪-৭৫।
[নমুনা]
-
প্রকাশের কালানুক্রম:
৭৩তম
মাঘোৎসবের সন্ধ্যার অধিবেশনে এই গানটি পরিবেশিত হয়েছিল।
-
গ. সঙ্গীতবিষয়ক তথ্যাবলী:
-
ভাঙা গান: মূল গান : কাফি-সুরফাঁক্তা। (মধ্যগতি)
রুম ঝুম বরখে আজু বাদরবা পিয়া বিদেশে মোরি,
থরথরাত ছতিয়া ন দিশ দিন মন ভাবে ॥
নৈন ন নীঁদ আবে দামিনী দমক লাগে,
উন বিন কল ন পরত নাথ নাথ ধাবে ॥
রহো ন জাত ঘরি পল ছিন তন দহে মোরি,
আবে মদন মাসন জুঝ সময় পাবে।
নিকসত নাহি প্রাণ হো রহী চিত পাখান,
তাপর করত ধ্যান তান বরষ গাবে ॥
সঙ্গীত মঞ্জরী।রবীন্দ্রসঙ্গীত ২ ; তানবরষ
রবীন্দ্রসঙ্গীত-গবেষণা-গ্রন্থমালা ৩য় খণ্ড/প্রফুল্লকুমার দাস। পৃষ্ঠা
৩৫।
উল্লেখ্য, যদুভট্টের কাছে উল্লিখিত মূল গানটি শুনে দ্বিজেন্দ্রনাথ
ঠাকুর একটি গান রচনা করেছিলেন। গানটি হলো-
দীন হীন ভকতে, নাথ, কর দয়া
[তথ্য]
আরও পরে একই সুরে জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর রচনা
করেছিলেন একটি গান। গানটি হলো—
তুমি যে ভরসা মম। [তথ্য]
- স্বরলিপি ও স্বরলিপিকার
- বিষয়াঙ্গ:
ব্রহ্মসঙ্গীত।
- সুরাঙ্গ:
ধ্রুপদাঙ্গ।
-
সুর ও তাল:
-
রাগ:
কাফি।
তাল:
সুরফাক তাল।
[রবীন্দ্রসংগীত:
রাগ-সুর নির্দেশিকা, সুধীর চন্দ, প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৬],
পৃষ্ঠা: ৭৮।
-
রাগ:
কাফি।
তাল:
সুরফাক তাল।[রাগরাগিণীর
এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত, প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য
সংগীত আকাদেমি, জুলাই ২০০১],
পৃষ্ঠা: ১৩৬।
- গ্রহস্বর: মজ্ঞা।
- লয়: মধ্য।