বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা:
শিরোনাম: শান্তি করো বরিষন নীরব ধারে
পাঠ ও পাঠভেদ:
শান্তি করো বরিষন নীরব ধারে, নাথ,
চিত্তমাঝে
সুখে দুখে সব কাজে, নির্জনে জনসমাজে ॥
উদিত রাখো নাথ, তোমার প্রেমচন্দ্র
অনিমেষ মম লোচনে গভীরতিমিরমাঝে
॥
- পাণ্ডুলিপির পাঠ:
রবীন্দ্রনাথের
পাণ্ডুলিপি
RBVBMS 426 (i)
[মজুমদার পুঁথি]
।
[নমুনা]
।
পাঠভেদ:
তথ্যানুসন্ধান
-
ক. রচনাকাল ও স্থান: সুনির্দিষ্টভাবে রচনাকাল পাওয়া যায় না। ধারণা করা হয়- গানটি ১৩০৩ বঙ্গাব্দের সপ্তষষ্ঠিতম মাঘোৎসবে গানটি প্রথম পরিবেশিত হয়েছিল। ধারণা করা হয়, রবীন্দ্রনাথ এই উৎসব উপলক্ষে গানটি রচনা করেছিলেন। এই সময় রবীন্দ্রনাথের বয়স ছিল ৩৫ বৎসর ৯ মাস।
[৩৫
বৎসর অতিক্রান্ত বয়সে রবীন্দ্রসঙ্গীতের তালিকা]
উল্লেখ পাণ্ডুলিপিতে একটি হিন্দি গান আছে। গানটি হলো- সুদূর দূরে আয়োবী সো মুরা
মুরা
[নমুনা]।
এই গানটি ভেঙে রবীন্দ্রনাথ কোনো গান রচনা করেন নি। পাণ্ডুলিপির একই পৃষ্ঠায় একটি
হিন্দি গান আছে। গানটি হলো-
শম্ভু হর পদযুগ ধ্যানি বখানি
[নমুনা]।
এই হিন্দি গানটি ভেঙে রবীন্দ্রনাথ এই গানটি রচনা করেছিলেন।
-
খ. প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
- পত্রিকা:
- সঙ্গীত-প্রকাশিকা (বৈশাখ ১৩১০ বঙ্গাব্দ)। তিলক কামোদ-সুরফাঁক্তা। পৃষ্ঠা ১৩৩।
- তত্ত্ববোধিনী (ফাল্গুন ১৩০৯ বঙ্গাব্দ)।
তিলককামোদ-সুরফাক্তা। পৃষ্ঠা ১৭৪।
[নমুনা]
- সঙ্গীতবিষয়ক তথ্যাবলি:
- ভাঙা গান: মূলগান : তিলক
কামোদ। সুরফাঁক্তা ।(মধ্যগতি)
শম্ভু হর পদযুগ ধ্যানি বখানি
নাথ রঙ্গ তারি কীরতন দিন রৈন
গাবত জন সমাজ
জয়তি ত্রিপুরনাথ দয়াল বীরচন্দ্র
গুণিগন প্রতিপালক তো সমান দাতা
কহি নহি তা রাজ ॥
বিষম সমর বিজয়ী ভূপাল ঔর তারে
কল যুগ বিচন সম তু অধিরাজ।
অগণিত যশ কীরত বিদ্যা নিধান
জগ জন রট রাণী তানবাজ গুণ
শ্রবণ শুন হা রাজ ॥ -তানরাজ
সঙ্গীত মঞ্জরী।
সূত্র : রবীন্দ্রসঙ্গীত-গবেষণা-গ্রন্থমালা ৩য় খণ্ড/প্রফুল্লকুমার দাস।
পৃষ্ঠা ৩৮।
- স্বরলিপি:
স্বরবিতান চতুর্থ (৪) খণ্ডের (মাঘ
১৪১২)।
গান সংখ্যা ৫। তিলক কামোদ
ও সুরফাঁক।
[স্বরলিপি]
- স্বরলিপিকার: কাঙ্গালীচরণ সেন।[কাঙ্গালীচরণ
সেন-কৃত স্বরলিপির তালিকা]
- সুর ও তাল:
- রাগ:
তিলক কামোদ। তাল : সুরফাঁকতাল।স্বরবিতান চতুর্থ
(৪) খণ্ডের (মাঘ ১৪১২
- রাগ : তিলক কামোদ। তাল : সুরফাঁকতাল। [রবীন্দ্রসংগীত: রাগ-সুর নির্দেশিকা, সুধীর চন্দ, প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৬], পৃষ্ঠা: ৭৮।
- রাগ: তিলক কামোদ। তাল: সুরফাঁকতাল। [রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত, প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সংগীত আকাদেমি, জুলাই ২০০১], পৃষ্ঠা: ১৩৫।