বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা :
শিরোনাম:
মিটিল সব ক্ষুধা, তাঁহার প্রেমসুধা
পাঠ ও পাঠভেদ:
৪১
মিটিল সব ক্ষুধা, তাঁহার প্রেমসুধা, চলো রে ঘরে লয়ে যাই।
সেথা যে কত লোক পেয়েছে কত শোক, তৃষিত আছে কত ভাই॥
ডাকো রে তাঁর নামে সবারে নিজধামে, সকলে তাঁর গুণ গাই।
দুখি কাতর জনে রেখো রে রেখো মনে, হৃদয়ে সবে দেহো ঠাঁই॥
সতত চাহি তাঁরে ভোলো রে আপনারে, সবারে করো রে আপন।
শান্তি-আহরণে, শান্তি বিতরণে, জীবন করো রে যাপন।
এত যে সুখ আছে কে তাহা শুনিয়াছে! চলো রে সবারে শুনাই।
বলো রে ডেকে বলো ‘পিতার ঘরে চলো, হেথায় শোকতাপ নাই’॥
তথ্যানুসন্ধান
খ. প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
গ্রন্থ:
কাব্যগ্রন্থ অষ্টমখণ্ড (মজুমদার লাইব্রেরি, ১৩১০)
কাব্যগ্রন্থ ১০ম খণ্ড (ইন্ডিয়ান প্রেস ১৩২৩)
কাব্যগ্রন্থাবলী [আদি ব্রাহ্মসমাজ প্রেস, ১৩০৩। ব্রহ্মসঙ্গীত। রাগিণী আশা ভৈরবী-তাল ঠুংরি। পৃষ্ঠা: ৪৬২] [নমুনা]
গানের বহি ও বাল্মীকি প্রতিভা (আদি ব্রাহ্মসমাজ প্রতিভা, ১৩০০)
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ [বিশ্বভারতী, আশ্বিন ১৩৩৮। কাব্য-গ্রন্থাবলী (১৩০৩ বঙ্গাব্দ)-এর ব্রহ্মসঙ্গীত অংশ থেকে গৃহীত হয়েছিল। পৃষ্ঠা: ১৬২-১৬৩]
অখণ্ড সংস্করণ, তৃতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী ১৩৮০)। পূজা ও প্রার্থনা' পর্যায়ের ৪১ সংখ্যক গান।
ধর্ম্মসঙ্গীত (ইন্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস ১৩২১)
ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি তৃতীয় ভাগ (মকর সংক্রান্তি ১৩১৩ বঙ্গাব্দ)। আসা ভৈরবী-ঠুংরি। কাঙ্গালীচরণ সেন-কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত হয়েছিল।
রবিচ্ছায়া (সাধারণ ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র)
স্বরবিতান ত্রয়োবিংশ (২৩) খণ্ডের ১৭ সংখ্যক গান। পৃষ্ঠা: ৫০-৫১।
জগৎ পিতা তুমি বিশ্ববিধাতা [গান-৩] [তথ্য]
[শ্রবণ
নমুনা: গান্ধার শিল্পীগোষ্ঠী
ধারণা করা হয়, এই বালক-বালিকাদের এই গানের দলে রবীন্দ্রনাথও ছিলেন।
এই গানের সুরে সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর রচনা করেছিলেন,
দয়াঘন তোমা-হেন [গান-৩] [তথ্য]
[শ্রবণ নমুনা: মানব বন্দ্যোপাধ্যায়]
উল্লেখ্য এই বোম্বাইয়ের প্রার্থনাসভায় হিন্দিতে এই গানটি পরিবেশিত হতো। হিন্দি
গানটির প্রথম চরণ ছিল দয়াঘন তুঝ বীন কো হিতকারী'। এই সুরের আদলে রবীন্দ্রনাথ রচনা
করেছিলেন—
বরিষ ধরা-মাঝে শান্তির বারি
[পূজা-১২৬]
[তথ্য]
[
[শ্রবণ
নমুনা]
কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়
একই সুরের ছায়ায় তিনি ২৪ বৎসরে রচনা
করেছিলেন
'মিটিল
সব ক্ষুধা। [পূজা ও প্রার্থনা-৪১] [তথ্য।
স্বরলিপিকার
রাগ ও তাল:
রাগ: আশাবরী-ভৈরবী। তাল: ত্রিতাল। [রবীন্দ্রসংগীত : রাগ-সুর নির্দেশিকা । সুধীর চন্দ। (প্যাপিরাস, জানুয়ারি ১৯৯৩)। পৃষ্ঠা: ৭৩]।
রাগ: ভৈরবী। তাল: কাওয়ালি। [রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত, প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী, জুলাই ২০০১], পৃষ্ঠা: ১২৭।
অঙ্গ: কীর্তনাঙ্গ