বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা :
শিরোনাম:
বরিষ ধরা-মাঝে
শান্তির বার
পাঠ ও পাঠভেদ:
বরিষ ধরা-মাঝে শান্তির বারি
শুষ্ক হৃদয় লয়ে আছে দাঁড়াইয়ে
উর্ধ্বমুখে নরনারী ॥
না থাকে অন্ধকার, না থাকে মোহপাপ,
না থাকে শোকপরিতাপ।
হৃদয় বিমল হোক, প্রাণ সবল হোক,
বিঘ্ন দাও অপসারি ॥
কেন এ হিংসাদ্বেষ, কেন এ ছদ্মবেশ,
কেন এ মান-অভিমান।
বিতর' বিতর' প্রেম পাষাণহৃদয়ে,
জয় জয় হোক তোমারি ॥
তথ্যানুসন্ধান
ক. রচনাকাল ও স্থান: ১লা বৈশাখ ১২৯১ তারিখে, মহর্ষিভবনে (প্রাতঃকালে) নববর্ষ ব্রাহ্মসমাজ'-এর জন্য তিনি এই গানটি-সহ মোট চারটি গান লিখেছিলেন।
খ. প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
গ্রন্থ:
কাব্যগ্রন্থ অষ্টম খণ্ড (মজুমদার লাইব্রেরি, ১৩১০ বঙ্গাব্দ)। ব্রহ্মসঙ্গীত। রাগিণী আশা ভৈরবী-তাল ঠুংরি, পৃষ্ঠা ২৪৫। [নমুনা]
কাব্যগ্রন্থ দশম খণ্ড [ইন্ডিয়ান প্রেস, ১৩২৩ বঙ্গাব্দ, ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দ), ধর্ম্মসঙ্গীত, পৃষ্ঠা: ২৩৩। [নমুনা]
কাব্যগ্রন্থাবলী [আদি ব্রাহ্মসমাজ প্রেস, ১৩০৩ ব্রহ্মসঙ্গীত। রাগিণী আশা ভৈরবী-তাল ঠুংরি। পৃষ্ঠা: ৪৫৩] [নমুনা]
প্রথম সংস্করণ [সিটি বুক সোসাইটি, ১৩১৫ বঙ্গাব্দ। ব্রহ্মসঙ্গীত। রাগিণী আশা ভৈরবী-তাল ঠুংরি। পৃষ্ঠা ২৯১। [নমুনা]
দ্বিতীয় সংস্করণ [ইন্ডিয়ান প্রেস, ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩১৬ বঙ্গাব্দ। ব্রহ্মসঙ্গীত। রাগিণী আশা ভৈরবী-তাল ঠুংরি। পৃষ্ঠা: ৩০২।] [নমুনা]
গানের বহি ও বাল্মীকি প্রতিভা [আদি ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র। ১৩০০ বঙ্গাব্দ, গান সংখ্যা ৩১৯, রাগিণী আশা ভৈরবী-তাল ঠুংরি, পৃষ্ঠা ৩১৮-১৯। [নমুনা: প্রথমাংশ, শেষাংশ]
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ [বিশ্বভারতী, আশ্বিন ১৩৩৮, কাব্য-গ্রন্থাবলী (১৩০৩ বঙ্গাব্দ)-এর ব্রহ্মসঙ্গীত অংশ থেকে গৃহীত হয়েছিল। পৃষ্ঠা: ১৩৯] [নমুনা]
প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী, মাঘ ১৩৪৮), পর্যায়: পূজা, উপবিভাগ: প্রার্থনা ৩৫, পৃষ্ঠা: ৫৪। [নমুনা]
অখণ্ড, তৃতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী ১৩৮০)। পূজা: ১২৬। উপবিভাগ: প্রার্থনা-৩৫ সংখ্যক গান।
গীতমালিকা (১৯০৭ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩১৪ বঙ্গাব্দ)।
গীতরত্নাবলী দ্বিতীয় ভাগ (১৮৮৭ খ্রিষ্টাব্দ, ১২৯৪ বঙ্গাব্দ)।
ধর্ম্মসঙ্গীত [ইন্ডিয়ান প্রেস্ লিমিটেড, ১৩২১ বঙ্গাব্দ। পৃষ্ঠা: ১২০-২১] [নমুনা: প্রথমাংশ, শেষাংশ]
বাঙালীর গান [১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩১২ বঙ্গাব্দ), গান সংখ্যা ৮১, আশা ভৈরবী-ঠুংরি, পৃষ্ঠা ৬৩২।
ব্রহ্মসঙ্গীত গ ভাগ (১৮৯৩ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩০০ বঙ্গাব্দ)।
ব্রহ্মসঙ্গীত ও সঙ্কীর্ত্তন (১৩১৪ বঙ্গাব্দ)।
ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি ষষ্ঠ ভাগ (জ্যৈষ্ঠ ১৩১৮ বঙ্গাব্দ)। আশা ভৈরবী-ঠুংরী। কাঙ্গালীচরণ সেন-কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত হয়েছিল।
রবিচ্ছায়া (সাধারণ ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র, ১২৯২ বঙ্গাব্দ)। ব্রহ্মসঙ্গীত ২০। রাগিণী আশা ভৈরবী- তাল ঠুংরি। পৃষ্ঠা: ১১৭-১১৮। [নমুনা: প্রথমাংশ, শেষাংশ]
সঙ্গীতসার সংগ্রহ তৃতীয় ভাগ (১৩০৮ বঙ্গাব্দ)।
স্বরবিতান ষড়্বিংশ (২৬) (বিশ্বভারতী, চৈত্র ১৪১৩) খণ্ডের ২৫ সংখ্যক গান। পৃষ্ঠা ৫৮-৫৯।
পত্রিকা:
তত্ত্ববোধিনী (জ্যৈষ্ঠ ১৮০৬ শকাব্দ ১২৯১ বঙ্গাব্দ)। আশা ভৈরবী-ঠুংরি । পৃষ্ঠা ২৬। [নমুনা]
রেকর্ডসূত্র: সিদ্ধার্থ ঘোষের রচিত রেকর্ডে রবীন্দ্রসংগীত (ইন্দিরা সংগীত-শিক্ষায়তন। নভেম্বর ১৯৮৯,
১৯
প্রকাশের কালানুক্রম:
গানটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল
তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার 'জ্যৈষ্ঠ ১২৯১ বঙ্গাব্দ'
সংখ্যায়।
এরপর যে সকল গ্রন্থাদিতে
গানটি
প্রকাশিত হয়েছিল, সেগুলো হলো-
রবিচ্ছায়া
(১২৯২),
গীতরত্নাবলী
দ্বিতীয় ভাগ (১২৯৪),
ব্রহ্মসঙ্গীত
গ
ভাগ
(১৩০০)
,গানের বহি ও বাল্মীকি প্রতিভা
(১৩০০),
কাব্যগ্রন্থাবলী
(১৩০৩),
কাব্যগ্রন্থ অষ্টম খণ্ড
(১৩১০),
বাঙালীর গান
(১৩১২),
গীতমালিকা (১৩১৪),
ব্রহ্মসঙ্গীত ও সঙ্কীর্ত্তন (১৩১৪),
গান,
প্রথম সংস্করণ
(১৩১৫), গান
দ্বিতীয় সংস্করণ
(১৩১৬),
ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি ষষ্ঠ ভাগ (১৩১৮),
ধর্ম্মসঙ্গীত
(১৩২১) ও
কাব্যগ্রন্থ দশম খণ্ড
(১৩২৩)
এ সকল
গ্রন্থাদির পরে,
১৩৩৮ বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাসে প্রকাশিত
গীতবিতান -এর
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ
- গানটি প্রথম
অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। এর
প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছিল ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের
মাঘ মাসে। এই সংস্করণে গানটি অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল
পূজা, পর্যায়ের উপবিভাগ: প্রার্থনা হিসেবে।
১৩৭১
বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাসে প্রকাশিত অখণ্ড গীতবিতানের ১২৬ সংখ্যক গান
হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। অখণ্ড গীতাবিতানের তৃতীয়
সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছিল পৌষ ১৩৮০ বঙ্গাব্দের পৌষ মাসে।
জগৎ পিতা তুমি বিশ্ববিধাতা [গান-৩] [তথ্য]
ধারণা করা হয়, এই বালক-বালিকাদের এই গানের দলে রবীন্দ্রনাথও ছিলেন।
এই গানের সুরে সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর রচনা করেছিলেন,
দয়াঘন তোমা-হেন [গান-৩] [তথ্য]
উল্লেখ্য এই বোম্বাইয়ের প্রার্থনাসভায় হিন্দিতে এই গানটি পরিবেশিত হতো। হিন্দি
গানটির প্রথম চরণ ছিল দয়াঘন তুঝ বীন কো হিতকারী'। এই সুরের আদলে রবীন্দ্রনাথ রচনা
করেছিলেন—
'বরিষ ধরা-মাঝে শান্তির
বারি'।