বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা :
শিরোনাম:
বসে আছি হে কবে
শুনিব তোমার বাণী।
পাঠ ও পাঠভেদ:
১৬৯
বসে আছি হে কবে শুনিব তোমার বাণী।
কবে বাহির হইব জগতে মম জীবন ধন্য মানি ॥
কবে প্রাণ জাগিবে, তব প্রেম গাহিবে,
দ্বারে দ্বারে ফিরি সবার হৃদয় চাহিবে,
নরনারীমন করিয়া হরণ চরণে দিবে আনি ॥
কেহ শুনে না গান, জাগে না প্রাণ,
বিফলে গীত-অবসান—
তোমার বচন করিব রচন সাধ্য নাহি নাহি।
তুমি না কহিলে কেমনে কব প্রবল অজেয় বাণী তব,
তুমি যা বলিবে তাই বলিব— আমি কিছুই না জানি।
তব নামে আমি সবারে ডাকিব, হৃদয়ে লইব টানি ॥
তথ্যানুসন্ধান
ক.
রচনাকাল ও স্থান: গানটির
রচনাকাল সম্পর্কে সুনির্দিষ্টভাবে কিছু জানা যায় না।
১১ মাঘ ১২৯৩ বঙ্গাব্দ শনিবার ২৩ জানুয়ারি ১৮৮৬ তারিখে
সপ্তপঞ্চাশ সাংবৎসরিক মাঘোৎসব উপলক্ষে রবীন্দ্রনাথ এই গানটিসহ ২৬টি
নতুন গান পরিবেশিত হয়েছিল। ধারণা করা হয়, রবীন্দ্রনাথ এই অনুষ্ঠান উপলক্ষে
এই গানগুলো রচনা করেছিলেন। এই সময় রবীন্দ্রনাথের বয়স ছিল ২৫ বৎসর ৯ মাস।
[রবীন্দ্রনাথের
২৫ বৎসর অতিক্রান্ত বয়সে রচিত গানের তালিকা]
খ.
প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
গ্রন্থ:
কাব্যগ্রন্থ
অষ্টম খণ্ড
[মজুমদার
লাইব্রেরি, ১৩১০।
রাগিণী
আলাইয়া- তাল একতালা।
পৃষ্ঠা ২৪৫-২৪৬]
[নমুনা:
প্রথমাংশ,
শেষাংশ]
কাব্যগ্রন্থাবলী
[আদি ব্রাহ্মসমাজ প্রেস, ১৩০৩। ব্রহ্মসঙ্গীত।
রাগিণী আলাইয়া- তাল একতালা।
পৃষ্ঠা: ৪৬১]
[নমুনা]
প্রথম সংস্করণ [সিটি বুক সোসাইটি, ১৩১৫
বঙ্গাব্দ।
ব্রহ্মসঙ্গীত।
রাগিণী আলাইয়া- তাল একতালা।
পৃষ্ঠা:
২৯২] [নমুনা]
দ্বিতীয় সংস্করণ
[ইন্ডিয়ান
প্রেস (১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩১৬
বঙ্গাব্দ।
ব্রহ্মসঙ্গীত। রাগিণী আলাইয়া-তাল একতাল।
পৃষ্ঠা: ৩০২-৩০৩। [নমুনা:
প্রথমাংশ,
শেষাংশ]
গানের বহি ও বাল্মীকি প্রতিভা
[আদি ব্রাহ্মসমাজ প্রতিভা, ১৩০০।
ব্রহ্মসঙ্গীত। রাগিণী আলাইয়া-তাল
একতাল। পৃষ্ঠা: ৩৭২-৩৭৪] [নমুনা:
প্রথমাংশ,
শেষাংশ]
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ
[বিশ্বভারতী,
১৩৩৮ বঙ্গাব্দ। ১৩০৩ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত 'কাব্যগ্রন্থাবলী'-
ব্রহ্মসঙ্গীত অংশ থেকে গৃহীত হয়েছিল। পৃষ্ঠা: ১৬১] [নমুনা]
প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী,১৩৪৮ বঙ্গাব্দ। পূজা
(উপবিভাগ:
বিরহ ৪২) পৃষ্ঠা। ৭৩-৭৪ [নমুনা:
প্রথমাংশ,
শেষাংশ]
অখণ্ড, তৃতীয়
সংস্করণ (বিশ্বভারতী,
পৌষ ১৩৮০ বঙ্গাব্দ)।
পূজা
পর্যায় ১৬৯। উপবিভাগ:
বিরহ ৪২।
তত্ত্ববোধিনী (ফাল্গুন ১৮০৮ শকাব্দ ১২৯৩ বঙ্গাব্দ। আলাইয়া-একতালা। পৃষ্ঠা: ২১৫। [নমুনা]
রেকর্ড সূত্র: পাওয়া যায় নি।
প্রকাশের
কালানুক্রম:
১১ মাঘ ১২৯৩
বঙ্গাব্দ
[শনিবার ২৩ জানুয়ারি ১৮৮৬ খ্রিষ্টাব্দ]
তারিখে সপ্তপঞ্চাশ সাংবৎসরিক
মাঘোৎসব উপলক্ষে
আয়োজিত
অনুষ্ঠানের প্রাতঃকালীন অধিবেশনে গানটি প্রথম পরিবেশিত হয়েছিল। তত্ত্ববোধিনী (ফাল্গুন
১৮০৮ শকাব্দ ১২৯৩ বঙ্গাব্দ)
সংখ্যায় গানটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। এরপর যে সকল গ্রন্থাদিতে গানটি
অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়েছিল, সেগুলো হলো-
গানের বহি ও বাল্মীকি প্রতিভা
(১৩০০ বঙ্গাব্দ),
কাব্যগ্রন্থাবলী
(১৩০৩ বঙ্গাব্দ),
কাব্যগ্রন্থ (অষ্টম খণ্ড
১৩১০ বঙ্গাব্দ),
গান
(প্রথম সংস্করণ
১৩১৫
বঙ্গাব্দ) ও
দ্বিতীয় সংস্করণ
(১৩১৬
বঙ্গাব্দ)
ব্রহ্মসঙ্গীত
স্বরলিপি পঞ্চম ভাগ (১৩১৬ বঙ্গাব্দ),
ধর্ম্মসঙ্গীত
(১৩২১ বঙ্গাব্দ) এবং কাব্যগ্রন্থ
দশম খণ্ড
(১৩২৩ বঙ্গাব্দ)।
এ সকল
গ্রন্থাদির পরে,
১৩৩৮ বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাসে প্রকাশিত
গীতবিতান
-এর
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ
-এ
গানটি প্রথম অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। এরপর
প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছিল ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের মাঘ মাসে। এই
সংস্করণে গানটি অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল
পূজা,
পর্যায়ের বিরহ উপবিভাগের ৪২
সংখ্যক গান হিসেবে। ১৩৭১ বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাসে প্রকাশিত অখণ্ড গীতবিতানের
পূজা
পর্যায়ের ১৬৯ সংখ্যক গান হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল।
গানটি একইভাবে অখণ্ড গীতাবিতানের তৃতীয় সংস্করণ প্রকাশিত
হয়েছিল পৌষ ১৩৮০ বঙ্গাব্দের পৌষ মাসে।