বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা :
শিরোনাম:
দুখের বেশে এসেছ ব'লেতোমারে নাহি ডরিব হে
পাঠ ও পাঠভেদ:
দুখের বেশে এসেছ ব'লে তোমারে নাহি ডরিব হে।
যেখানে ব্যথা তোমারে সেথা নিবিড় ক'রে ধরিব হে ॥
আঁধারে ঢাকিলে, স্বামী, তোমারে তবু চিনিব আমি-
মরণরূপে আসিলে, প্রভু, চরণ ধরি মরিব হে।
যেমন করে দাও-না দেখা তোমারে নাহি ডরিব হে ॥
নয়নে আজি ঝরিছে জল, ঝরুক জল নয়নে হে।
বাজিছে বুকে বাজুক তব কঠিন বাহু-বাঁধনে হে।
তুমি যে আছ বক্ষে ধরে, বেদনা তাহা জানাক মোরে-
চাব না কিছু, কব না কথা, চাহিয়া রব বদনে হে ॥
পাণ্ডুলিপির পাঠ: রবীন্দ্রনাথের পাণ্ডুলিপিতে গানটি পাওয়া যায় নি।
পাঠভেদ:
তথ্যানুসন্ধান
ক. রচনাকাল ও স্থান:
প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
তাঁর 'গীতবিতান কালানুক্রমিক সূচি' গ্রন্থে এই গানটির রচনাকাল সম্পর্কে লিখেছেন-
'অনুমান ১৩১২ সালের ৬ই মাঘ মহর্ষির সাম্বৎসরিক শ্রাদ্ধোৎসব উপলক্ষে রচিত।' এই বিচারে
বলা যেতে পারে- গানটি
রবীন্দ্রনাথের
৪৪ বৎসর ৯
মাস বয়সের রচনা।
[রবীন্দ্রনাথের
৪৪ বৎসর অতিক্রান্ত বয়সে রচিত গানের তালিকা]
খ. প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
গ্রন্থ:
কাব্যগ্রন্থ সপ্তম খণ্ড [ইন্ডিয়ান প্রেস ১৩২৩। খেয়া, শিরোনাম: দুঃখমূর্ত্তি। পৃষ্ঠা: ১৪৩-১৪৪]
অখণ্ড সংস্করণ,তৃতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী ১৩৮০)। পূজা ২৩০, উপ-বিভাগ: দুঃখ-৩৯।
ধর্ম্মসঙ্গীত [ইন্ডিয়ান প্রেস্ লিমিটেড, ১৩২১ বঙ্গাব্দ। পৃষ্ঠা: ৯০] [নমুনা]
ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি পঞ্চম ভাগ (৯ বৈশাখ ১৩১৬ বঙ্গাব্দ)মিশ্র ইমন কল্যাণ-ঝম্পক। কাঙ্গালীচরণ সেন-কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত হয়েছিল।
স্বরবিতান পঞ্চবিংশ (২৫) খণ্ডের ১৩ গান। পৃষ্ঠা ৩১-৩৩।
পত্রিকা:
বঙ্গদর্শন (মাঘ ১৩১২ বঙ্গাব্দ)। শিরোনাম-দুঃখমূত্তি'। পৃষ্ঠা ৪৮৮-৮৯।
সঙ্গীত প্রকাশিকা (পৌষ ১৩১৪ বঙ্গাব্দ)। ইমন কল্যাণ-ঝম্পক। পৃষ্ঠা ৮৭-৮৮।
রেকর্ডসূত্র: ১৯১৬ থেকে ১৯২৫ খ্রিষ্টাব্দের ভিতরে 'গ্রামোফোন রেকর্ড' এই গানের একটি রেকর্ড প্রকাশ করেছিল। শিল্পী ছিলেন শরদিন্দু ঘোষ। রেকর্ড নম্বর
এরপর ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের মাঘ মাসে প্রকাশিত গীতবিতান -এর প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণে গানটি অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল পূজা পর্যায়ের উপবিভাগ দুঃখ -এর ৩৯ সংখ্যক গান হিসেবে। ১৩৭১ বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাসে প্রকাশিত অখণ্ড গীতবিতানের পূজা পর্যায়ের ২৩০ সংখ্যক গান হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। গানটি একইভাবে অখণ্ড গীতাবিতানের তৃতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছিল পৌষ ১৩৮০ বঙ্গাব্দের পৌষ মাসে।
গ. সঙ্গীত বিষয়ক তথ্যাবলী:
স্বরলিপিকার:
কাঙ্গালীচরণ সেন।
সুর ও তাল:
রাগ-ইমন কল্যাণ। তাল-ঝম্পক।
[স্বরবিতান-২৫]
স্বরবিতান-২৫'এর ৬৮ পৃষ্ঠায় লিখিত হয়েছে,-
ব্রহ্মসঙ্গীত-স্বরলিপি
৫ (বৈশাখ ১৩১৬
বঙ্গাব্দ)
কাঙ্গালীচরণ সেন-কৃত স্বরলিপি
: ইমনকল্যাণ স্থলে মিশ্র ইমন্ কল্যাণ রাগ উল্লিখিত।' রূপান্তরিত
স্বরলিপিটি কার তা জানা যায় না।
রাগ-মিশ্র ইমন কল্যাণ।
তাল-ঝম্পক। [ব্রহ্মসঙ্গীত
স্বরলিপি-৫]
বিষয়াঙ্গ: ব্রহ্মসঙ্গীত।
সুরাঙ্গ: ধ্রুপদাঙ্গ।
গ্রহস্বর-: সা।
লয়: মধ্য।