বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা :
শিরোনাম:
আছে দুঃখ,
আছে মৃত্যু,
বিরহদহন লাগ
পাঠ ও পাঠভেদ:
আছে দুঃখ,
আছে মৃত্যু,
বিরহদহন লাগে।
তবুও শান্তি,
তবু আনন্দ,
তবু অনন্ত জাগে
॥
তবু প্রাণ নিত্যধারা,
হাসে সূর্য চন্দ্র তারা,
বসন্ত নিকুঞ্জে আসে বিচিত্র রাগে
॥
তরঙ্গ মিলায়ে যায় তরঙ্গ উঠে,
কুসুম ঝরিয়া পড়ে কুসুম ফুটে।
নাহি ক্ষয়,
নাহি শেষ,
নাহি নাহি দৈন্যলেশ—
সেই পূর্ণতার পায়ে মন স্থান মাগে
॥
শান্তিদেব ঘোষ তাঁর
'রবীন্দ্রসংগীত'
গ্রন্থে- এ গানটির রচনার উপলক্ষ সম্পর্কে লিখেছেন- স্ত্রীর মৃত্যুর পর
'আছে দুঃখ আছে
মৃত্যু' গানটি লিখেছিলেন বলে অনেকের বিশ্বাস।' পৃষ্ঠা ২০৩।
গ্রন্থ:
দ্বিতীয় সংস্করণ [ইন্ডিয়ান প্রেস ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩১৬ বঙ্গাব্দ। ব্রহ্মসঙ্গীত। রাগিণী ললিত-বিভাস- তাল একতাল। পৃষ্ঠা: ৩৩১। [নমুনা]
অখণ্ড সংস্করণ, তৃতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী ১৩৮০)। পূজা ২৪৮। উপবিভাগ আশ্বাস-৮।
গীতিচর্চ্চা [বিশ্বভারতী, পৌষ ১৩৩২ বঙ্গাব্দ। গান ৪। পৃষ্ঠা ৩] [নমুনা]
ধর্ম্মসঙ্গীত [ইন্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, ১৩২১। পৃষ্ঠ ১২৫] [নমুনা]
বৈতালিক [চৈত্র ১৩২৫ বঙ্গাব্দ। দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর-কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত হয়েছিল।]
স্বরবিতান সপ্তবিংশ (২৭) খণ্ডের দ্বিতীয় গান। পৃষ্ঠা ১৩-১৪। [নমুনা]
পত্রিকা:
রেকর্ডসূত্র: রেকর্ডসূত্র পাওয়া যায় নি
প্রকাশের কালানুক্রম:
১৩০৯ বঙ্গাব্দের ১১ই মাঘ
অনুষ্ঠিত
৭৩তম মাঘোৎসবে এ গানটি প্রথম গীত হয়েছিল। এই
উৎসবের পরিবেশিত গানগুলো প্রকাশিত হয়েছিল
তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার
'ফাল্গুন ১৩০৯ বঙ্গাব্দ' সংখ্যায়। এরপর গানটি যে সকল গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত হয়ে
প্রকাশিত হয়েছিল, সেগুলো হলো-
কাব্যগ্রন্থ
অষ্টম
খণ্ড
(১৩১০
বঙ্গাব্দ),
গান
প্রথম সংস্করণ
(১৩১৫ বঙ্গাব্দ)
ও দ্বিতীয়
সংস্করণ (১৩১৬
বঙ্গাব্দ),
কাব্যগ্রন্থ
দশম খণ্ড (১৩২৩),
তত্ত্ববোধিনী
(ফাল্গুন ১৩২৬ বঙ্গাব্দ সংখ্যা),
গীতিচর্চ্চা
(১৩৩২ বঙ্গাব্দ),
ধর্ম্মসঙ্গীত
(১৩২১ বঙ্গাব্দ) ও
বৈতালিক
(১৩২৫ বঙ্গাব্দ)।
রাগ: মিশ্র যোগিয়া ললিত। তাল: একতাল। [রবীন্দ্রসংগীত : রাগ-সুর নির্দেশিকা । সুধীর চন্দ। (প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৬)। পৃষ্ঠা: ২৫]।
রাগ: ললিত, বিভাস (বাংলা), যোগিয়া। তাল: একতাল। [রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত। প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সংগীত আকাদেমী, জুলাই ২০০১। পৃষ্ঠা: ৪৯]