বিষয়:
রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা:
শিরোনাম:
শান্ত হ রে মম চিত্ত নিরাকুল
পাঠ
ও পাঠভেদ:
শান্ত হ রে মম চিত্ত নিরাকুল, শান্ত হ রে ওরে দীন !
হেরো চিদম্বরে মঙ্গলে সুন্দরে সর্বচরাচর লীন ॥
শুন রে নিখিলহৃদয়নিস্যন্দিত শূন্যতলে উথলে জয়সঙ্গীত,
হেরো বিশ্ব চিরপ্রাণতরঙ্গিত নন্দিত নিত্যনবীন ॥
নাহি বিনাশ বিকার বিশোচন, নাহি দুঃখ সুখ তাপ-
নির্মল নিষ্কল নির্ভয় অক্ষয়, নাহি জরা জ্বর পাপ।
চির আনন্দ, বিরাম চিরন্তন, প্রেম নিরন্তর, জ্যোতি নিরঞ্জন-
শান্তি নিরাময়, কান্তি সুনন্দন,
সান্ত্বন অন্তহীন ॥
পাণ্ডুলিপির পাঠ: RBVBMS 426 (i) [নমুনা]
ক. রচনাকাল ও স্থান: মজুমদার
পুঁথিতে এই ২৯ ভাদ্রের পরের এমন কিছু গান পাওয়া যায়, যে গানগুলোর সাথে
তারিখ পাওয়া যায় না। স্বরবিতান চতুর্থ খণ্ড থেকে জানা যায়- গানটি
স্বরলিপি-সহ 'সঙ্গীত--প্রকাশিকা' পত্রিকার 'শ্রাবণ ১৩০৯' সংখ্যায় প্রকাশিত
হয়েছিল। এই সূত্রে ধারণা করা যায়, গানটি রবীন্দ্রনাথ এই বছরের আষাঢ় মাসে
রচনা করেছিলেন।
এই সময় রবীন্দ্রনাথের বয়স ছিল ৩৫ বৎসর ২ মাস।
[রবীন্দ্রনাথের ৩৫ বৎসর বয়সের রচিত গানের তালিকা]
খ. প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
গ্রন্থ:
দশম খণ্ড [ইন্ডিয়ান প্রেস ১৩২৩ বঙ্গাব্দ, ধর্ম্মসঙ্গীত। পৃষ্ঠা: ২০০-২০০১][নমুনা]
প্রথম সংস্করণ [সিটি বুক সোসাইটি, ১৩১৫ বঙ্গাব্দ। ব্রহ্মসঙ্গীত। রাগিণী ঝিঁঝিট- তাল ঠুংরি। পৃষ্ঠা: ৩৫৮-৩৫৯] [নমুনা: প্রথমাংশ, শেষাংশ]
দ্বিতীয় সংস্করণ [ইন্ডিয়ান প্রেস (১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩১৬ বঙ্গাব্দ)। ব্রহ্মসঙ্গীত। রাগিণী ঝিঁঝিট- তাল ঠুংরি। পৃষ্ঠা: ৩৪১। [নমুনা]
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ [বিশ্বভারতী, আশ্বিন ১৩৩৮ বঙ্গাব্দ। ১৩১০ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত 'মোহিত সেন সম্পাদিত কাব্যগ্রন্থের ৮ম ভাগের 'গান' অংশ থেকে গৃহীত হয়েছিল। পৃষ্ঠা: ২৪১] [নমুনা]
প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণ [বিশ্বভারতী, মাঘ ১৩৪৮, পর্যায়: পূজা, উপবিভাগ: আত্মবোধন ৫, পৃষ্ঠা: ১১০] [নমুনা]
অখণ্ড সংস্করণ, তৃতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী, চৈত্র ১৪১৩), পর্যায়: পূজা ২৬৩। উপবিভাগ: আত্মবোধন-৫
তত্ত্ববোধিনী [ফাল্গুন ১৩০৯। ঝিঁঝিট-ঠুংরি। পৃষ্ঠা: ১৭৫-১৭৬] [নমুনা]
সঙ্গীত প্রকাশিকা [শ্রাবণ ১৩০৯ বঙ্গাব্দ। কাঙ্গালীচরণ সেন-কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত হয়েছিল।
রেকর্ডসূত্র: পাওয়া যায় নি।
প্রকাশের কালানুক্রম:
গানটি রচনার পর,
সঙ্গীত
প্রকাশিকা পত্রিকার 'শ্রাবণ ১৩০৯ বঙ্গাব্দ'
সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল। ১৩০৯ বঙ্গাব্দের ১১ই মাঘ [২৫ জানুয়ারি ১৯০৩ খ্রিষ্টাব্দ]
৭৩তম মাঘোৎসবের সন্ধ্যার
অধিবেশনে এই গানটি পরিবেশিত হয়েছিল। এই সূত্রে
তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার 'ফাল্গুন ১৩০৯ বঙ্গাব্দ' সংখ্যায় গানটি
প্রকাশিত হয়েছিল।
এরপর যে সকল গ্রন্থাদিতে অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত
হয়েছিল, সেগুলো হলো-
কাব্যগ্রন্থ
অষ্টম খণ্ড
(১৩১০ বঙ্গাব্দ),
কাব্যগ্রন্থ
দশম খণ্ড (১৩২৩ বঙ্গাব্দ),
ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি প্রথম ভাগ (১৩১১ বঙ্গাব্দ),
গান
প্রথম সংস্করণ
(১৩১৫
বঙ্গাব্দ),
গান
দ্বিতীয়
সংস্করণ
(১৩১৬ বঙ্গাব্দ)
গ. সঙ্গীতবিষয়ক তথ্যাবলি:
স্বরলিপি: [স্বরলিপি]
স্বরলিপিকার:
স্বরবিতান-৪ এর ১২৮
পৃষ্ঠায় উল্লেখ করা হয়েছে-
'ব্রহ্মসঙ্গীত-স্বরলিপি
১ (মাঘ
১৩১১) ও
স্বরবিতান
৪ (চৈত্র ১৩৪৬)। কাঙ্গালীচরণ
সেন-কৃত স্বরলিপি: কাহারবা স্থলে
২।২।২।২ মাত্রা ছন্দে ঠুংরি তালে স্বরলিপি মুদ্রিত।'
কিন্তু
স্বরবিতান চতুর্থ খণ্ডে অন্তর্ভুক্ত মূল স্বরলিপির উপরে রাগ তালের
উল্লেখ আছে- 'ঝিঁঝিট। কাহারবা'। এই স্বরলিপিটির স্বরলিপিকার সম্পর্কে
বিশেষ কিছু জানা যায় না।
[কাঙ্গালীচরণ
সেন-কৃত স্বরলিপির তালিকা]
সুর ও তাল:
স্বরবিতান চতুর্থ (৪) খণ্ডের (মাঘ ১৪১২) গৃহীত গানটির স্বরলিপিতে রাগ-তালের নাম হিসেবে ঝিঁঝিট ও কাহারবা -এর উল্লেখ রয়েছে।
রাগ : ঝিঁঝিট। তাল : কাহারবা। [রবীন্দ্রসংগীত: রাগ-সুর নির্দেশিকা, সুধীর চন্দ, প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৬], পৃষ্ঠা: ৭৮।
রাগ: ঝিঁঝিট। তাল: কাহারবা। [রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত, প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সংগীত আকাদেমি, জুলাই ২০০১], পৃষ্ঠা: ১৩৫।
বিষয়াঙ্গ: ব্রহ্মসঙ্গীত।
সুরাঙ্গ:
গ্রহস্বর: রা।
লয়: মধ্য।