হেরি তব বিমলমুখভাতি দূর হল গহন দুখরাতি।
ফুটিল মন প্রাণ মম তব চরণলালসে, দিনু হৃদয়কমলদল পাতি ॥
তব নয়নজ্যোতিকণা লাগি তরুণ রবিকিরণ উঠে জাগি।
নয়ন খুলি বিশ্বজন বদন তুলি চাহিল তব দরশপরশসুখ মাগি।
গগনতল মগন হল শুভ্র তব হাসিতে,
উঠিল ফুটি কত কুসুমপাঁতি- হেরি তব বিমলমুখভাতি ॥
ধ্বনিত বন বিহগকলতানে, গীত সব ধায় তব পানে।
পূর্বগগনে জগত জাগি উঠি গাহিল, পূর্ণ সব তব রচিত গানে।
প্রেমরস পান করি গান করি কাননে
উঠিল মন প্রাণ মম মাতি- হেরি তব বিমলমুখভাতি॥
পাণ্ডুলিপির পাঠ: পাণ্ডুলিপি পাওয়া যায় নি
পাঠভেদ:
পাঠভেদ
আছে।
তব নয়ন-জ্যোতিকণা লাগি : গীতবিতান (আশ্বিন
১৩৩৮ ও ভাদ্র ১৩৪৫)
তব নয়ন-জ্যোতিকণ লাগি : গানের বহি ও
বাল্মীকি-প্রতিভা (১৩০০)
কাব্যগ্রন্থাবলী (আশ্বিন ১৩০৩)
ব্রহ্মসঙ্গীত-স্বরলিপি ২ (মাঘ ১৩১২)
খ. প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
গ্রন্থ:
ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি দ্বিতীয় ভাগ (১১ মাঘ ১৩১২ বঙ্গাব্দ)। কাঙ্গালীচরণ সেন-কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত হয়েছিল।
স্বরবিতান ত্রয়োবিংশ (২৩) খণ্ডের ২৫ সংখ্যক গান। ভৈরবী-ঝাঁপতাল। পৃষ্ঠা ৬৫-৬৮। [নমুনা]
পত্রিকা:
তত্ত্ববোধনী (ফাল্গুন ১৮০৭ শকাব্দ, ১২৯২ বঙ্গাব্দ)। রাগিণী ভৈরবী-তাল ঝাঁপতাল। পৃষ্ঠা ২২২। [নমুনা]
রেকর্ডসূত্র: পাওয়া যায় নি।
প্রকাশের কালানুক্রম: ১২৯২ বঙ্গাব্দের ১১ই মাঘ ষড়্পঞ্চাশ সাংবৎসরিক মাঘোৎসবের প্রাতঃকালীন উপাসনায় গানটি পরিবেশিত হয়। এই সূত্রে গানটি তত্ত্ববোধনী পত্রিকার 'ফাল্গুন ১২৯২ বঙ্গাব্দ' সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল। এরপর যে সকল গ্রন্থাদিতে গানটি প্রকাশিত হয়েছিল, সেগুলো হলো-কাব্যগ্রন্থ
গ. সঙ্গীতবিষয়ক তথ্যাবলি:
স্বরলিপি: [স্বরলিপি]
স্বরলিপিকার: কাঙ্গালীচরণ সেন-কৃত স্বরলিপিটি ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরবিতান দ্বিতীয় ভাগ থেকে 'স্বরবিতান-২৩' -এর ৮৩-৮৪ পৃষ্ঠায় সুরভেদ হিসাবে গৃহীত হয়েছে। মূল স্বরলিপিটি কার তা স্পষ্ট নয়।
সুর ও তাল:
রাগ-ভৈরবী। তাল-ঝাঁপতাল। [স্বরবিতান-২৩, তত্ত্ববোধিনী]
রাগ : ভৈরবী। তাল-ঝাঁপতাল। [রবীন্দ্রসংগীত: রাগ-সুর নির্দেশিকা, সুধীর চন্দ, প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৬], পৃষ্ঠা: ৮৫।
রাগ: ভৈরবী। তাল-ঝাঁপতাল। [রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত, প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সংগীত আকাদেমি, জুলাই ২০০১], পৃষ্ঠা: ১৪৮।
বিষয়াঙ্গ: ব্রহ্মসঙ্গীত।
সুরাঙ্গ: ধ্রুপদাঙ্গ।
গ্রহস্বর: জ্ঞা।
লয়: মধ্য।