বেঁধেছ প্রেমের পাশে ওহে প্রেমময়।
তব প্রেম লাগি দিবানিশি জাগি ব্যাকুলহৃদয় ॥
তব প্রেমে কুসুম হাসে, তব প্রেমে চাঁদ বিকাশে,
প্রেমহাসি তব উষা নব নব
প্রেমে-নিমগন নিখিল নীরব,
তব প্রেম-ভরে ফিরে হা হা ক'রে উদাসী মলয় ॥
আকুল প্রাণ মম ফিরিবে না সংসারে,
ভুলেছে তোমারি রূপে নয়ন আমারি।
জলে স্থলে গগনতলে তব সুধাবাণী সতত উথলে-
শুনিয়া পরান শান্তি না মানে,
ছুটে যেতে চায় অনন্তেরই পানে,
আকুল হৃদয় খোঁজে বিশ্বময় ও প্রেম-আলয় ॥
ওহে প্রেমময়
: গানের বহি ও বাল্মীকি-প্রতিভা (১৩০০)
ব্রহ্মসঙ্গীত-স্বরলিপি ৩ (মাঘ ১৩১৩)
ওহে দয়াময়
: রবিচ্ছায়া (বৈশাখ ১২৯২)
তোমারি রূপে নয়ন আমারি : ব্রহ্মসঙ্গীত-স্বরলিপি ৩ (মাঘ ১৩১৩)
তোমার রূপে নয়ন আমারি : রবিচ্ছায়া (বৈশাখ ১২৯২)
গানের বহি ও বাল্মীকি-প্রতিভা (১৩০০)
খ. প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
গ্রন্থ:
কাব্যগ্রন্থাবলী [আদি ব্রাহ্মসমাজ প্রেস, ১৩০৩ ব্রহ্মসঙ্গীত। রাগিণী কাফি কানাড়া-তাল ঢিমা তেতালা। পৃষ্ঠা: ৪৫৩-৪৫৪] [নমুনা: প্রথমাংশ শেষাংশ]
প্রথম সংস্করণ [সিটি বুক সোসাইটি, ১৩১৫ বঙ্গাব্দ। ব্রহ্মসঙ্গীত। রাগিণী কাফি কানাড়া-তাল ঢিমা তেতালা। পৃষ্ঠা ২৯৪। [নমুনা]
দ্বিতীয় সংস্করণ [ইন্ডিয়ান প্রেস, ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩১৬ বঙ্গাব্দ । ব্রহ্মসঙ্গীত। রাগিণী কাফি কানাড়া-তাল ঢিমা তেতালা। পৃষ্ঠা: ৩০৩-৩০৪] [নমুনা: প্রথমাংশ, শেষাংশ]
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ [বিশ্বভারতী, আশ্বিন ১৩৩৮, কাব্য-গ্রন্থাবলী (১৩০৩ বঙ্গাব্দ)-এর ব্রহ্মসঙ্গীত অংশ থেকে গৃহীত হয়েছিল। পৃষ্ঠা: ১৪০] [নমুনা]
ধর্ম্মসঙ্গীত [ইন্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস। ১৩২১ বঙ্গাব্দ। পৃষ্ঠা ১৪৮-১৪৯] [নমুনা: প্রথমাংশ, শেষাংশ]
রবিচ্ছায়া (সাধারণ ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র, ১২৯২)। ব্রহ্মসঙ্গীত ৬৪। রাগিণী কাফি কানাড়া-তাল ঢিমা তেতলা। পৃষ্ঠা: ১৪৮-১৪৯। [নমুনা: প্রথমাংশ, শেষাংশ]
ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি তৃতীয় ভাগ (মকর সংক্রান্তি ১৩১৩ বঙ্গাব্দ)। কাফি-কানাড়া-ঢিমেতেতালা। কাঙ্গালীচরণ সেন-কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত হয়েছিল।
কাফি-কানাড়া।ত্রিতাল
চাঁচর চিকুর আধো, আধো জটাজাল।
আধো গলে বনমালা দোলে, আধো হাড়মাল ॥
আধো ভালে অলকা সাজে
আধো ভালে চাঁদ বিরাজে-
নব জলধর, আধো কলেবর, আধো শুভ্র রজতশিখর,
পীতবসন আধো ছাঁদন আধো বাঘছাল ॥
দ্র: সঙ্গীত-প্রকাশিকা ৪।১৩১১ ও রবীন্দ্রসংগীত-প্রসঙ্গ ২]
রবীন্দ্রসংগীত
গবেষণা গ্রন্থমালা-৩য় খণ্ড/প্রফুল্লকুমার দাস। পৃষ্ঠা ৯৮-৯৯।
রাগ: কাফি, কানাড়া। তাল: ত্রিতাল [রবীন্দ্রসংগীত : রাগ-সুর নির্দেশিকা। সুধীর চন্দ। (প্যাপিরাস, ডিসেম্বর, ২০০৬)। পৃষ্ঠা: ৭০]।