নিত্য নব সত্য তব শুভ্র আলোকময়
পরিপূর্ণ জ্ঞানময়
কবে হবে বিভাসিত মম চিত্ত-আকাশে ?।
রয়েছি বসি দীর্ঘনিশি
চাহিয়া উদয়দিশি
ঊর্ধ্বমুখে করপুটে-
নবসুখ-নবপ্রাণ-নবদিবা-আশে ॥
কী দেখিব, কী জানিব,
না জানি সে কী আনন্দ-
নূতন আলোক আপন মনোমাঝে।
সে আলোকে মহাসুখে
আপন আলয়মুখে
চলে যাব গান গাহি-
কে রহিবে আর দূর পরবাসে ॥
পত্রিকা:
তত্ত্ববোধিনী (ফাল্গুন ১৩০১ বঙ্গাব্দ)। রাগিণী খাম্ভার-তাল ঝাঁপতাল। পৃষ্ঠা: ১৯১। [নমুনা]
এরপর গানটি
গীতবিতানের
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ
(১৩৩৮ বঙ্গাব্দ) গানটি প্রথম অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। ১৩৪৮
বঙ্গাব্দে প্রকাশিত
প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণে
পূজা
পর্যায়ের
বিবিধ উপবিভাগের ১৮ সংখ্যক গান হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। এরপর
১৩৭১ বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাসে প্রকাশিত অখণ্ড গীতবিতানের
পূজা
পর্যায়ের ৩৯০ সংখ্যক গান হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল।
গগ. সঙ্গীত বিষয়ক তথ্যাবলী:
ভাঙা গান:
এটি একটি ভাঙা গান। মূল গানটি বৈজুবাওয়ারা'র রচনা।
মূল গান :
শুক্লা বিলাবলী
।
ঝাঁপতাল
এহো
জ্ঞান রঙ্গ ধ্যান
রঙ্গ ঔর বিজ্ঞান রঙ্গ
মন রঙ্গ সব
অঙ্গন রঙ্গ রঙ্গ।
প্রথম রাম কৃষ্ণ
রঙ্গ, রহিম করিম রঙ্গ,
ঘট ঘট ব্রহ্ম রঙ্গ রোম রোম তনু রঙ্গ হর রঙ্গ রঙ্গ।
জপ রঙ্গ তপ রঙ্গ
তীরখ ব্রত নেম রঙ্গ
সর্বময়ী কর্ম ধর্ম জপ রঙ্গ রঙ্গ।
জীব জন্তু পন্নগ
পশু এক ঈশ্বর,
রঙ্গ রঙ্গ সুর নর মুনি-সঙ্গ বৈজু প্রভু কৃষ্ণ রঙ্গ রঙ্গ ॥
সঙ্গীত-মঞ্জরী
রবীন্দ্রসঙ্গীত-গবেষণা-গ্রন্থমালা ৩য় খণ্ড/প্রফুল্লকুমার দাশ। পৃষ্ঠা ৪৮।
স্বরলিপিকার:
সুর ও তাল:
রাগ-শুক্ল বিলাবল। তাল-ঝাঁপতাল। [স্বরবিতান-২২]
রাগ-খম্ভার। তাল-ঝাঁপতাল। [ ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি-২য় ভাগ।]
বিষয়াঙ্গ: ব্রহ্মসঙ্গীত।
সুরাঙ্গ: ধ্রুপদাঙ্গ।
গ্রহস্বর: রা।
লয়: মধ্য।