মীণাক্ষী
নজরুলসৃষ্ট রাগ। মৎসের ন্যায় গতি বক্র ও প্রকৃতি হওয়ায় 'মীণাক্ষী' নামকরণ করা হয়েছিল। বেতার জগতের ১৩ জানুয়ারি, ১৯৪০ সংখ্যার 'আমাদের কথা' বিভাগে  'নব রাগমালিকা' সম্পর্কে যে আলোচনা করা হয়, তাতে এই রাগের পরিচয় তুলে ধরা হয়েছিল। এই পরিচিতিটি ছিল-

 এই রাগিণীতে নীলাম্বরী কাফি এবং অনেকটা হংসকিঙ্কিনী রাগের আভাষ পাওয়া যায়। ইহার বিশেষত্ব- আরোহণে বক্রগতিতে কোমল ধৈবত ও তীব্র গান্ধারের পূর্ব্ববর্ত্তী সুরকে ধরিয়া আন্দোলন অর্থাৎ ধৈবতের সময় নিখাদ ও গান্ধারের সময় মধ্যম ধরিয়া সুরকে দোলানো। ইহার গতি মীনের মত বক্র ও চঞ্চল বলিয়া ইহার নাম "মীনাক্ষী"
 

আরোহণ: ণ্‌, ধ্ স ণ্ র, গ ম প, গমপধর্স 
অবরোহণ: র্স ণ ধ ম, পদপ, মজ্ঞর, গস।
ঠাট: কাফী।
জাতি: ষাড়ব-সম্পূর্ণ।
বাদীস্বর: ঋষভ
সমবাদী স্বর: পঞ্চম
অঙ্গ: পূর্বাঙ্গ প্রধান।
সময়: রাত্রি দ্বিতীয় প্রহর
সম প্রকৃতির রাগ: পাহাড়ী (খাম্বাজ ঠাটের), তিলককামোদ।
পকড় : ণ্, ধ্ স ণ্ র, গ ম প, ম জ্ঞ র, গ স।

এই রগে নিবদ্ধ নজরুলসঙ্গীত
           চপল আঁখির ভাষায়, হে মীণাক্ষী [তথ্য]