আনন্দনাড়ু
বানান বিশ্লেষণ:
আ+ন+অ+ন্+দ্+ন্+আ+ড়্+উ
উচ্চারণ:
a.non.d̪o.na.ɽu
(আ.নোন্.দো.না.ড়ু)
শব্দ-উৎস:
সংস্কৃত
आनन्द
(আনন্দ)>বাংলা
আনন্দ +
সংস্কৃত
लाड्डु
(লাড্ডু)>বাংলা
লাড়ু>নাড়ু
রূপতাত্ত্বিক
বিশ্লেষণ:
পদ:
বিশেষ্য
ঊর্ধ্বক্রমবাচকতা {| মিষ্টি | খাদ্যপ্রকরণ | পুষ্টিকরদ্রব্য | খাদ্য-পুষ্টি | বস্তু | দৈহিক সত্তা | সত্তা |}
অর্থ: চালের গুঁড়া,
চিনি বা গুড় ইত্যাদি দিয়ে তৈরিকৃত নাড়ু বিশেষ। অনেক সময় এর সাথে নারকেলের কুচি, তিল
ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। সাধারণত কোনো বিশেষ সামাজিক পার্বণ বা পারিবারিক উৎসবের
জন্য বিশেষভাবে এই নাড়ু পাওয়া যায়। এই কারণে দোকানে যে নাড়ু কেনাবেচা হয়, তা
আনন্দনাড়ু বলা যায় না। বাংলা লোকসমাজের আনন্দকে উজ্জীবিত করার জন্য পরিবারের মেয়েরা
এই নাড়ু তৈরি থাকে। আপাত দৃষ্টিতে একে অন্যান্য সাধারণ নাড়ু বলে মনে হয়, কিন্তু
আনন্দনাড়ুর সাথে থাকে, লোকসমাজের শুভেচ্ছা, স্নেহ, শ্রদ্ধা। বাড়ির মেয়ের সন্তানের
জন্ম উপলক্ষ্য, নবান্নের উৎসবে, মেয়েদের গহনা পড়ার জন্য নাক-কান ফোঁড়ানোতে
এই নাড়ু বানানো হয়।
সমার্থক শব্দ: আনন্দনাড়ু, আনন্দলাড়ু, ইচ্ছা-নাড়ু।
সূত্র :