বিষয়:
রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা:
শিরোনাম:
আষাঢ়সন্ধ্যা
ঘনিয়ে এল, গেল রে দিন বয়ে।
পাঠ ও পাঠভেদ:
আষাঢ়সন্ধ্যা ঘনিয়ে এল, গেল রে দিন বয়ে।
বাঁধন-হারা বৃষ্টিধারা ঝরছে রয়ে রয়ে॥
একলা বসে ঘরের কোণে কী ভাবি যে আপন-মনে,
সজল হাওয়া যূথীর বনে কী কথা যায় কয়ে॥
হৃদয়ে আজ ঢেউ দিয়েছে, খুঁজে না পাই কূল-
সৌরভে প্রাণ কাঁদিয়ে তোলে ভিজে বনের ফুল।
আঁধার রাতে প্রহরগুলি কোন্ সুরে আজ ভরিয়ে তুলি,
কোন্ ভুলে আজ সকল ভুলি আছি আকুল হয়ে॥
পাণ্ডুলিপির পাঠ: [RBVBMS 358] [নমুনা]।
পাঠভেদ:
ভাবসন্ধান: যুক্ত হবে।
তথ্যানুসন্ধান
ক. রচনাকাল ও স্থান:
রবীন্দ্রনাথের
RBVBMS 358
পাণ্ডুলিপিতে গানটির সাথে স্থান ও
তারিখ উল্লেখ আছে 'শিলাইদহ/২৯ আষাঢ়
১৩১৬'।
রবীন্দ্রনাথের ৪৮ বৎসর
৩ মাস বয়সের রচনা।
খ. প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
গ্রন্থ
কেতকী, (শ্রাবণ ১৩২৬ বঙ্গাব্দ)। দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর-কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত।
কাব্যগ্রন্থ অষ্টমখণ্ড ইন্ডিয়ান প্রেস ১৩২৩
গান
ইন্ডিয়ান প্রেস ১৩১৬
ইন্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস ১৩২১
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ (বিশ্বভারতী ১৩৩৮)।
দ্বিতীয় খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী ১৩৪৮)।
অখণ্ড সংস্করণ, তৃতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী ১৩৮০)। প্রকৃতি (উপ-বিভাগ : বর্ষা-৮) পর্যায়ের ৩৩ সংখ্যক গান।
গীতলিপি (৩য় ভাগ) (১৯১০-১৯১৮ সাল)। সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপধ্যায় -কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত।
গীতাঞ্জলি
ইন্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস ১৩১৭
বিশ্বভারতী ১৩৩০
সংগীত গীতাঞ্জলী (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ), ভীমরাও শাস্ত্রী-কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত।
সঞ্চয়িতা (বিশ্বভারতী ১৩৩৮)
স্বরবিতান একাদশ (১১) খণ্ডের অষ্টম গান। পৃষ্ঠা ২৮-২৯।
স্বরবিতান সপ্তত্রিংশ (৩৭) খণ্ডের দশম গান। পৃষ্ঠা ২৭-২৯ ।
পত্রিকা:
ভারতী (আশ্বিন ১৩১৬)
গ. সঙ্গীত বিষয়ক তথ্যাবলী:
স্বরলিপিকার: স্বরবিতান ১১ খণ্ডটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৩২৬ বঙ্গাব্দের শ্রাবণ মাসে। এই সংস্করণে দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর-কৃত স্বরলিপি গৃহীত হয়েছিল। এরপরের প্রথম সংস্করণ হয় শ্রাবণ ১৩৩৫ বঙ্গাব্দে। এই সংস্করণেও এই স্বরলিপি ছিল। ১৩৫৭ বঙ্গাব্দের জ্যৈষ্ঠ মাসে গ্রন্থটির দ্বিতীয় সংস্করণটি প্রকাশিত হয়। এই সংস্করণে দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর-কৃত স্বরলিপিটি সুরান্তর হিসেবে দেখানো হয়েছে। উল্লেখ্য এই সংস্করণটির সম্পাদনা করেছিলেন ইন্দিরাদেবী। ধারণা করা হয়, এই স্বরবিতানের দ্বিতীয় সংস্করণে গৃহীত মূল স্বরলিপিটি ইন্দিরাদেবী-কৃত।
পরবর্তীতে স্বরবিতান ৩৭ খণ্ডটিতে এই গানটির সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপধ্যায়-কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত হয়। স্বরবিতান ৩৭ খণ্ডটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৩৬১ বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাসে। এছাড়া সংগীত গীতাঞ্জলীতে (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ) গানটি ভীমরাও শাস্ত্রী-কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত হয়।
সুর ও তাল:
স্বরবিতান একাদশ (১১, কেতকী) খণ্ডে (আশ্বিন ১৪১৬ বঙ্গাব্দ) গৃহীত মূল স্বরলিপিতে রাগ-তালের উল্লেখ নেই। উক্ত স্বরলিপিটি ৩।৩ মাত্রা ছন্দে দাদরা তালে নিবদ্ধ। স্বরবিতান সপ্তত্রিংশ (৩৭) খণ্ডে (ভাদ্র ১৪১৩ বঙ্গাব্দ) গৃহীত মূল স্বরলিপিতে রাগ উল্লেখ রয়েছে ইমনকল্যাণ। আর তাল উল্লেখ করা হয়েছে একতাল।
রাগ: ইমন। তাল: দাদরা। [রবীন্দ্রসংগীত : রাগ-সুর নির্দেশিকা। সুধীর চন্দ। প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৬)। পৃষ্ঠা: ৩৪।]
রাগ: ইমন কল্যাণ তাল: দাদরা। ছন্দান্তর একতাল [রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত, প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সংগীত আকাদেমী, জুলাই ২০০১। পৃষ্ঠা: ৬৪।]
গ্রহস্বর: সা।
লয়: মধ্য।