বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা :
শিরোনাম:
আনন্দ
তুমি স্বামি,
মঙ্গল
তুমি
পাঠ ও পাঠভেদ:
আনন্দ
তুমি স্বামি,
মঙ্গল
তুমি,
তুমি হে মহাসুন্দর,
জীবননাথ
॥
শোকে দুখে তোমারি বাণী জাগরণ দিবে আনি,
নাশিবে দারুণ অবসাদ
॥
চিত মন অর্পিনু তব পদপ্রান্তে-
শুভ্র
শান্তিশতদল-পুণ্যমধু-পানে
চাহি আছে সেবক,
তব সুদৃষ্টিপাতে
কবে হবে এ দুখরাত প্রভাত
॥
গ্রন্থ:
দ্বিতীয় সংস্করণ [ইন্ডিয়ান প্রেস (১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩১৬ বঙ্গাব্দ)।। ব্রহ্মসঙ্গীত। রাগিণী ভৈরবী -তাল সুরফাঁক্তা। পৃষ্ঠা: ৩৩১-৩৩২] [নমুনা: প্রথমাংশ, শেষাংশ]
গীতবিতান
গীতিচর্চ্চা [বিশ্বভারতী, পৌষ ১৩৩২ বঙ্গাব্দ। গান সংখ্যা ৬। পৃষ্ঠা: ৪।] [নমুনা]
ধর্ম্মসঙ্গীত [ইন্ডিয়ান প্রেস্ লিমিটেড, ১৩২১ বঙ্গাব্দ। গান। পৃষ্ঠা: ১৫৪ [নমুনা]
বৈতালিক [চৈত্র ১৩২৫ বঙ্গাব্দ] দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর-কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত হয়েছিল।
ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি প্রথম ভাগ (১ মাঘ ১৩১১ বঙ্গাব্দ)। ভৈরবী-সুরফাঁক্তা। কাঙ্গালীচরণ সেন-কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত হয়েছিল।
পত্রিকা:
তত্ত্ববোধিনী [ফাল্গুন, ১৩০৯ বঙ্গাব্দ। ভৈরবী-সুরফাঁক্তা। পৃষ্ঠা: ১৬৩] [নমুনা]
সঙ্গীত প্রকাশিকা [আষাঢ় ১৩০৯। ভৈরবী-সুরফাঁক্তা। পৃষ্ঠা: ১৬৯] [নমুনা]
রেকর্ডসূত্র: পাওয়া যায় নি।
প্রকাশের কালানুক্রম: গানটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল সঙ্গীত প্রকাশিকা পত্রিকার 'আষাঢ় ১৩০৯ বঙ্গাব্দ' সংখ্যায়। এরপর ১১ই মাঘ ১৩০৯ বঙ্গাব্দে অনুষ্ঠিত ৭৩তম মাঘোৎসবে এ গানটি প্রথম গীত হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানের সূত্রে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার 'ফাল্গুন, ১৩০৯ বঙ্গাব্দ' সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল। এরপর যে সকল গ্রন্থাদিতে গানটি অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়েছিল, সেগুলো হলো- কাব্যগ্রন্থ অষ্টম খণ্ড (১৩১০ বঙ্গাব্দ), ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি প্রথম ভাগ (১৩১১ বঙ্গাব্দ) কাব্যগ্রন্থ দশম খণ্ড (১৩২৩ বঙ্গাব্দ), গান নামক গ্রন্থের প্রথম সংস্করণ (১৩১৫ বঙ্গাব্দ) এবং দ্বিতীয় সংস্করণ (১৩১৬ বঙ্গাব্দ), ধর্ম্মসঙ্গীত (১৩২১ বঙ্গাব্দ), বৈতালিক (চৈত্র ১৩২৫ বঙ্গাব্দ), ও গীতিচর্চ্চা (পৌষ ১৩৩২ বঙ্গাব্দ)।
এ সকল গ্রন্থাদির পরে,
১৩৩৮ বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাসে প্রকাশিত
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণে
'মোহিত সেন সম্পাদিত কাব্যগ্রন্থের ৮ম ভাগের 'গান' অংশ থেকে গৃহীত হয়েছিল।
১৩৪৮ বঙ্গাব্দের মাঘ মাসে প্রকাশিত
গীতবিতান -এর
দ্বিতীয় খণ্ড, প্রথম সংস্করণ-এ
গানটি
পূজা
পর্যায়ের,
দুঃখ উপবিভাগের
৪৯ সংখ্যক গান হিসেবে অন্তর্ভুক্ত
হয়েছিল।
১৩৭১
বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাসে প্রকাশিত অখণ্ড গীতবিতানের
পূজা
পর্যায়ে
২৪০
সংখ্যক গান হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল।
গানটি একইভাবে অখণ্ড গীতাবিতানের তৃতীয় সংস্করণ
প্রকাশিত হয়েছিল পৌষ ১৩৮০ বঙ্গাব্দের পৌষ মাসে।
রাগ: ভৈরবী। তাল: সুরফাঁকতাল। [রবীন্দ্রসংগীত: রাগ-সুর নির্দেশিকা। সুধীর চন্দ। প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৬। পৃষ্ঠা: ২৭]
রাগ: ভৈরবী। তাল: সুরফাঁকতাল। [রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত। প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সংগীত আকাদেমি, জুলাই ২০০১। পৃষ্ঠা: ৫২।]