বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা :
শিরোনাম:
জগতের
আনন্দযঞ্জে আমার নিমন্ত্রণ।
পাঠ ও পাঠভেদ:
জগতে আনন্দযঞ্জে আমার নিমন্ত্রণ।
ধন্য হল, ধন্য হল মানবজীবন ॥
নয়ন আমার রূপের পুরে সাধ মিটায়ে বেড়ায় ঘুরে,
শ্রবণ আমার গভীর সুরে হয়েছে মগন ॥
তোমার যজ্ঞে দিয়েছ ভার, বাজাই আমি বাঁশি-
গানে গানে গেঁথে বেড়াই প্রাণের কান্না হাসি।
এখন সময় হয়েছে কি ? সভায় গিয়ে তোমায় দেখি
জয়ধ্বনি শুনিয়ে যাব এ মোর নিবেদন ॥
পাণ্ডুলিপির পাঠ: RBVBMS 478 [নমুনা]
তথ্যানুসন্ধান
ক. রচনাকাল ও স্থান:
RBVBMS 478
পাণ্ডুলিপিতে গানাটি রচনার তারিখ ও স্থানের
উল্লেখ আছে-'৩০
আশ্বিন/শিলাইদহ'। উল্লেখ্য,
রবীন্দ্রনাথ
২২শে আশ্বিন কলকাতায় ফিরে আসেন এবং ২৩ আশ্বিন-এ শিলাইদহের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। ৩০শে
আশ্বিন পর্যন্ত শিলাইদহে তিনি এই গানটি-সহ মোট ৩টি গান রচনা করেন। এই সময় রবীন্দ্রনাথের
বয়স ছিল ৪৮ বৎসর ৬ মাস।
[রবীন্দ্রনাথের
৪৮ বৎসর অতিক্রান্ত বয়সে রচিত গানের তালিকা]
খ. প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
গ্রন্থ:
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ [বিশ্বভারতী, আশ্বিন ১৩৩৮। গীতাঞ্জলি (১৩১৭ বঙ্গাব্দ) থেকে গৃহীত হয়েছিল। পৃষ্ঠা: ৩৪০] [নমুনা]
গীতলিপি পঞ্চম ভাগ (১৯১১ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩১৭ বঙ্গাব্দ) । সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়-স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত হয়েছিল।
সঙ্গীত-গীতাঞ্জলি [১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ। ভীমরাও শাস্ত্রী-স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত হয়েছিল]
GITANJALI (Song offerings)। নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত গীতাঞ্জলি (১৯১২ খ্রিষ্টাব্দ)। ১৬ সংখ্যক গান।
ইংরেজী গীতাঞ্জলি'তে রবীন্দ্রনাথ-কৃত অনুবাদ :
I have had my
invitation to this world's festival, and thus my life has been blessed. My eyes
have seen and my ears have heard.
It was my part at this feast to play upon my instrument, and I have done all I
could.
Now, I ask, has the time come at last when I may go in and see thy face and
offer thee my my silent salutation ?
পত্রিকা:
রাগ-সরফর্দা। তাল-একতাল। [স্বরবিতান-৩]
রাগ-সরফর্দা, বিলাবল। তাল-একতাল। গান। বর্তমানে এই গানটি তাল একতাল হিসাবেই পাওয়া যায়।
বিষয়াঙ্গ: ব্রহ্মসঙ্গীত।
সুরাঙ্গ। খেয়ালাঙ্গ।
গ্রহস্বর: রা।
লয়: মধ্য।