তোমার কথা হেথা কেহ তো বলে না, করে শুধু মিছে কোলাহল।
সুধাসাগরের তীরেতে বসিয়া পান করে শুধু হলাহল॥
আপনি কেটেছে আপনার মূল- না জানে সাঁতার, নাহি পায় কূল,
স্রোতে যায় ভেসে, ডোবে বুঝি শেষে, করে দিবানিশি টলোমল॥
আমি কোথা যাব, কাহারে শুধাব, নিয়ে যায় সবে টানিয়া।
একেলা আমারে ফেলে যাবে শেষে অকূল পাথারে আনিয়া।
সুহৃদের তরে চাই চারি ধারে, আঁখি করিতেছে ছলছল,
আপনার ভারে মরি যে আপনি কাঁপিছে হৃদয় হীনবল॥
প্রথম সংস্করণ সিটি বুক সোসাইটি, ১৩১৫ বঙ্গাব্দ। রাগিণী ইমন ভূপালী-তাল একতালা। পৃষ্ঠা ২৬৯-২৭০] [নমুনা প্রথমাংশ শেষাংশ]
দ্বিতীয় সংস্করণ [ইন্ডিয়ান প্রেস। ১৩১৬ বঙ্গাব্দ, ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ। ব্রহ্মসঙ্গীত। রাগিণী ইমন ভূপালী-তাল একতালা। পৃষ্ঠা: ২৮৭] [নমুনা]
গানের বহি ও বাল্মীকি প্রতিভা [আদি-ব্রহ্মসমাজ যন্ত্র, ১৩০০ বঙ্গাব্দ। রাগিণী ইমন ভূপালী-তাল একতালা। পৃষ্ঠা: ৩৫৯-৩৬০] [নমুনা: প্রথমাংশ, শেষাংশ]
প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণ [বিশ্বভারতী,মাঘ ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ। পূজা, বিবিধ ২৩ । পৃষ্ঠা ১৬০] [নমুনা]
অখণ্ড সংস্করণ, তৃতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী ১৩৮০)। পূজা ৩৯৫। উপবিভাগ: বিবিধ-২৩।
ধর্ম্মসঙ্গীত [ইন্ডিয়ান প্রেস্ লিমিটেড, ১৩২১ বঙ্গাব্দ। পৃষ্ঠা ১৪৪-১৪৫] [নমুনা: প্রথমাংশ, শেষাংশ]
ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি প্রথম ভাগ (১ মাঘ ১৩১১ বঙ্গাব্দ)। ইমন-ভূপালি-একতালা। কাঙ্গালীচরণ সেন-কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত হয়েছিল।
স্বরবিতান চতুর্থ (৪) খণ্ডের (মাঘ ১৪১২) ২১ সংখ্যক গান। পৃষ্ঠা ৫৬-৫৮। [নমুনা মূল স্বরলিপি] [সুরান্তর]
পত্রিকা:
আলোচনা [ফাল্গুন ১২৯২। পুষ্পস্তবক। ইমন ভূপালি-একতালা] [নমুনা]
ভারতী (শ্রাবণ ১৩০০ বঙ্গাব্দ)। শৈলবালা রায়-কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত।
গ. সঙ্গীত বিষয়ক তথ্যাবলী:
স্বরলিপি: [মূল স্বরলিপি] [সুরান্তর]
স্বরলিপিকার: কালীচরণ
সেন-কৃত স্বরলিপিটি ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি-১ম ভাগ থকে স্বরবিতান-৪’
এর ১২৮ পৃষ্ঠায় সুরভেদ হিসাবে গৃহীত হয়েছে।
সুরভেদের এ স্বরলিপিটি ব্রহ্মসঙ্গীত-স্বরলিপি ১ম ভাগ ও স্বরবিতান ৪র্থ খণ্ড (চৈত্র
১৩৪৬ বঙ্গাব্দ)’এ
গৃহীত হয়েছিল।
স্বরবিতান-৪’এ
গৃহীত মূল স্বরলিপিটি কার তা স্পষ্ট নয়।
[কাঙ্গালীচরণ
সেন-কৃত স্বরলিপির তালিকা]
সুর ও তাল:
রাগ-ইমন ভূপালি। তাল-একতালা। [স্বরবিতান চতুর্থ (৪) খণ্ডের (মাঘ ১৪১২)]
রাগ:
বিষয়াঙ্গ: ব্রহ্মসঙ্গীত
সুরাঙ্গ: খেয়াললাঙ্গ।
গ্রহস্বর: গা।
লয়: মধ্য।