গত সপ্তাহ থেকে শুরু হয়েছে
বিশ্বলোকের গল্প
এবারে এর দ্বিতীয় পর্ব উপস্থাপন করা হলো। এবার থেকে এই গল্পের প্রকাশিত অংশের সূচি যুক্ত করা। এই  সূচিতে উপস্থাপনের ভিত্তিতে সম্প্রসারিত করা হবে।
 

আদিপর্ব:
  • প্রথম অধ্যায়: বিগব্যাং থেকে ছায়াপথ (১৩৮০-১৩৫০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ):
    • উল্লেখযোগ্য বিষয়: বিগব্যাং, অতিপারমণবিক কণাসমূহ, নক্ষত্র ও ছায়াপথ
  • দ্বিতীয় অধ্যায়: ছায়াপথ থেকে সৌরজগত (১৩৫০-৪৫০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ)
    • উল্লেখযোগ্য বিষয়: সৌরজগত ও সূর্য
প্রাক্-ক্যাম্ব্রিয়ান মহাকাল
  • প্রথম অধ্যায়: হেডিনকাল (৪৬০-৪০০ কোটি খ্রিষ্টপূর্বাব্দ)
  • দ্বিতীয় অধ্যায়: আর্কিয়ান কাল (৪০০-২৫০ কোটি খ্রিষ্টপূর্বাব্দ)

প্রাসঙ্গিক বিষয়:

  • ভাল্বারা মহা-মহাদেশ: প্রাচীন পৃথিবীর আর্কিয়ান কালের মহা-মহাদেশ। ৩৬০ কোটি পূর্বাব্দের দিকে, আর্কিয়ান কাল-র প্রথম যুগ ইয়ো-আর্কিয়ান -এর শেষভাগে এই মহা-মহাদেশের উদ্ভব হয়েছিল। ভাল্বারা তৈরি হয়েছিল কাপ্‌ভাল ক্র্যাটন এবং পিলবারা ক্র্যাটনের সমন্বয়ে।
      [
    বিস্তারিত]
     
  • উর মহা-মহাদেশ: প্রাচীন পৃথিবীর একটি মহাদেশ। প্রায় ৩০০ কোটি খ্রিষ্ট-পূর্বাব্দে এই মহাদেশ সৃষ্টি হয়েছিল। প্রায় ৩০০ কোটি খ্রিষ্ট-পূর্বাব্দে পৃথিবীর আদিমতম মহা-মহাদেশ ভাল্বারা যখন ভেঙে যাচ্ছিল, সেই সময় ভাল্বারার উত্তরাংশে একটি পৃথক স্থলভূমি তৈরির প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছিল। এর আকার ছিল বর্তমান অষ্ট্রেলিয়ার চেয়েও ছোট। ভাল্বারার বিচারে তুলনা করে বিজ্ঞানীরা একে মহাদেশ হিসেবে উল্লেখ করে থাকেন।
    [বিস্তারিত]
     
  • কেনোরল্যান্ড মহা-মহাদেশ: প্রাচীন পৃথিবীর একটি মহা-মহাদেশ বিশেষ। আর্কিয়ান কাল-এর প্রথমদিকে ৩৬০ কোটি পূর্বাব্দে, সৃষ্ট ভাল্বারা মহা-মহাদেশ ২৮০ কোটি বৎসর আগে বিভক্ত হয়েছিল। আর এই বিভাজনের সূত্রে ০ কোটি বৎসর আগে আর্কিয়ান কাল-এর নিয়ো-আর্কিয়ান যুগে, নতুন মহা-মহাদেশ কেনোরল্যান্ড -এর সৃষ্টি হয়েছিল।

    আগের যুগের ২৯০ কোটি পূর্বাব্দে বাল্টিক ক্র্যাটন অবলম্বনে কেনোরল্যাণ্ডের গড়ে উঠা শুরু হয়। এই সময় ভাল্বারা মহা-মহাদেশ এবং উর মহাদেশ সুস্থির অবস্থাতেই ছিল। কিন্তু ২৮০ কোটি পূর্বাব্দে উর এবং ভাল্বারা উভয়েরই ভাঙন শুরু হয়। এর ভিতরে উর মহাদেশটির বৃহৎ অংশ কেনোরল্যান্ড মহা-মহাদেশের সাথে যুক্ত হয়ে যায়। [বিস্তারিত]