বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা :
শিরোনাম:
পাদপ্রান্তে রাখ'
সেবকে
পাঠ ও পাঠভেদ:
পাদপ্রান্তে রাখ' সেবকে,
শান্তিসদন সাধনধন দেবদেব হে ॥
সর্বলোকপরমশরণ, সকলমোহকলুষহরণ,
দুঃখতাপবিঘ্নতরণ, শোকশান্তস্নিগ্ধচরণ,
সত্যরূপ প্রেমরূপ হে,
দেবমনুজবন্দিতপদ বিশ্বভূপ হে ॥
হৃদয়ানন্দ পূর্ণ ইন্দু, তুমি অপার প্রেমসিন্ধু।
যাচে তৃষিত অমিয়বিন্দু, করুণালয় ভক্তবন্ধু
প্রেমনেত্রে চাহ’ সেবকে,
বিকশিতদল চিত্তকমল হৃদয়দেব হে ॥
পুণ্যজ্যোতিপূর্ণ গগন, মধুর হেরি সকল ভুবন,
সুধাগন্ধমুদিত পবন, ধ্বনিতগীত হৃদয়ভবন।
এস’ এস’ শূন্য জীবনে,
মিটাও আশ সব তিয়াষ অমৃতপ্লাবনে ॥
দেহ’ জ্ঞান, প্রেম দেহ’, শুষ্ক চিত্তে বরিষ স্নেহ।
ধন্য হোক হৃদয় দেহ’, পুণ্য হোক সকল গেহ।
পাদপ্রান্তে রাখ' সেবকে,
শান্তিসদন সাধনধন দেবদেব হে ॥
তথ্যানুসন্ধান
ক. রচনাকাল ও স্থান:
১১ মাঘ ১৩০২ বঙ্গাব্দ, [২৪ জানুয়ারি ১৮৯৫ খ্রিষ্টাব্দ]
৬৬তম
মাঘোৎসবে উপলক্ষে
রবীন্দ্রনাথ এই গানটি-সহ মোট দুটি
গান রচনা করেছিলেন। উল্লেখ্য অপর গানটি হলো-
বিশ্বরাজালয়ে বিশ্ববীণা বাজিছে [আনুষ্ঠানিক-১৯]
[তথ্য]। এই সময়
রবীন্দ্রনাথের বয়স ছিল ৩৪ বৎসর
৮-৯ মাস।
উল্লেখ্য,
গানটির সুর ইউরোপীয়
সঙ্গীতের আদর্শে নিবদ্ধ।
এ প্রসঙ্গে ইন্দিরাদেবী
তাঁর ‘রবীন্দ্রস্মৃতি’
গ্রন্থে লিখেছেন-তাঁর (হেমেন্দ্রনাথের) চতুর্থ কন্যা মণীষা
‘তমীশরাংবরাণাং’
বেদমন্ত্র ও রবিকাকার
কতকগুলি গানে, যথা
‘পাদপ্রান্তে
রাখ সেবকে’
প্রভৃতিতে পিয়ানোর সংগত
বসিয়েছিলেন।
কাব্যগ্রন্থ অষ্টম খণ্ড
(মজুমদার লাইব্রেরি, ১৩১০ বঙ্গাব্দ)।
ব্রহ্মসঙ্গীত।
রাগিণী ঝিঁঝিট- তাল একতালা। পৃষ্ঠা
২৩৪-৩৬।
[নমুনা
প্রথমাংশ,
দ্বিতীয়াংশ,
শেষাংশ]
কাব্যগ্রন্থ দশম খণ্ড
(ইন্ডিয়ান প্রেস, ১৩২৩ বঙ্গাব্দ, ১৯১৬
খ্রিষ্টাব্দ),
ধর্ম্মসঙ্গীত, পৃষ্ঠা: ২২৯-৩০।
[নমুনা:
প্রথমাংশ,
শেষাংশ]
কাব্যগ্রন্থাবলী
[আদি ব্রাহ্মসমাজ প্রেস, ১৩০৩। ব্রহ্মসঙ্গীত।
রাগিণী ঝিঁঝিট-তাল একতালা
পৃষ্ঠা: ৪৭০]
[নমুনা]
প্রথম সংস্করণ [সিটি বুক সোসাইটি, ১৩১৫
বঙ্গাব্দ।
ব্রহ্মসঙ্গীত।
পৃষ্ঠা ২৮১-২৮২
]
[নমুনা:
প্রথমাংশ,
শেষাংশ]
দ্বিতীয় সংস্করণ [ইন্ডিয়ান
প্রেস (১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩১৬
বঙ্গাব্দ)।
ব্রহ্মসঙ্গীত। রাগিণী ঝিঁঝিট, তাল একতালা।
পৃষ্ঠা: ২৯৬।] [নমুনা]
গীতি-চর্চ্চা
(বিশ্বভারতী, পৌষ ১৩৩২), গান সংখ্যা ৮৮,
পৃষ্ঠা: ৬৭-৬৮।
[নমুনা:
প্রথমাংশ,
শেষাংশ]
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ
(বিশ্বভারতী, ১৩৩৮ বঙ্গাব্দ। ১৩০৩ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত
'কাব্যগ্রন্থাবলী'-
ব্রহ্মসঙ্গীত অংশ থেকে গৃহীত হয়েছিল। পৃষ্ঠা: ১৮৪]
[নমুনা]
প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণ
(বিশ্বভারতী, মাঘ ১৩৪৮),
পর্যায়:
পূজা,
উপবিভাগ: প্রার্থনা
৩৪,
পৃষ্ঠা: ৫৩-৫৪।
[নমুনা:
১,
২]
অখণ্ড, তৃতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী, পৌষ ১৩৮০),
পূজা: ১২৫। উপবিভাগ:
প্রার্থনা-৩৪,
পৃষ্ঠা: ৫৭-৫৮।
ধর্ম্মসঙ্গীত
[ইন্ডিয়ান প্রেস্ লিমিটেড, ১৩২১ বঙ্গাব্দ, গান,
পৃষ্ঠা: ১১৭-১৮]
[নমুনা:
প্রথমাংশ,
শেষাংশ]
বাঙালীর
গান (পশ্চিমবঙ্গ বাংলা
আকাদেমি, এপ্রিল ২০০১ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩১২
বঙ্গাব্দ), গান সংখ্যা ২৬৮,
ঝিঁঝিট-একতালা,
পৃষ্ঠা ৬৭৪।
ব্রহ্মসঙ্গীত ও সঙ্কীর্ত্তন (১৩১৪ বঙ্গাব্দ)।
ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি ষষ্ঠ ভাগ (জ্যৈষ্ঠ ১৩১৮ বঙ্গাব্দ)।
ইমনী-একতাল। কাঙ্গালীচরণ সেন-কৃত স্বরলিপি-সহ
মুদ্রিত হয়েছিল।
স্বরবিতান ষড়্বিংশ
(২৬)
(বিশ্বভারতী,
চৈত্র ১৪১৩)
খণ্ডের ২৩ সংখ্যক
গান।
পৃষ্ঠা ৫২-৫৫।
পত্রিকা:
তত্ত্ববোধিনী (ফাল্গুন
১৮১৭ শকাব্দ, ১৩০২ বঙ্গাব্দ)।
রাগিণী ঝিঁঝিট-তাল একতালা।
পৃষ্ঠা: ১৮০-৮১।
[নমুনা]
রেকর্ডসূত্র: সিদ্ধার্থ
ঘোষের রচিত রেকর্ডে রবীন্দ্রসংগীত (ইন্দিরা সংগীত-শিক্ষায়তন।
নভেম্বর ১৯৮৯,
১৯
[রবীন্দ্রনাথের
৩৪ বৎসর অতিক্রান্ত বয়সে রচিত গানের তালিকা]
০৮
থেকে ১৯১২
খ্রিষ্টাব্দের ভিতরে
অডিঅন রেকর্ড কোম্পানি
এই গানের একটি রেকর্ড প্রকাশ করেছিল। গানটির শিল্পী এস্ দাস।
রেকর্ড নম্বর
ছিল
প্রকাশের
কালানুক্রম:
১১ মাঘ ১৩০২ বঙ্গাব্দ, [২৪ জানুয়ারি ১৮৯৫ খ্রিষ্টাব্দ]
৬৬তম
মাঘোৎসবে
গানটি
পরিবেশিত হয়েছিল।
গানটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল
তত্ত্ববোধিনী
পত্রিকার 'ফাল্গুন
১৩০২ বঙ্গাব্দ' সংখ্যায়।
এরপর যে সকল গ্রন্থাদিতে গানটি
প্রকাশিত হয়েছিল, সেগুলো হলো-
কাব্যগ্রন্থাবলী
(আদি ব্রাহ্মসমাজ, ১৩০৩),
কাব্যগ্রন্থ অষ্টম খণ্ড
(১৩১০),
বাঙালীর
গান (১৩১২),
ব্রহ্মসঙ্গীত ও সঙ্কীর্ত্তন (১৩১৪ বঙ্গাব্দ),
গান
প্রথম সংস্করণ (গান
দ্বিতীয় সংস্করণ
(১৩১৬),
ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি ষষ্ঠ ভাগ (১৩১৮),
ধর্ম্মসঙ্গীত
(১৩২১),
কাব্যগ্রন্থ দশম খণ্ড
(১৩২৩)
ও
গীতি-চর্চ্চা
(১৩৩২)।
এ সকল গ্রন্থাদির পরে,
১৩৩৮ বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাসে প্রকাশিত
গীতবিতান -এর
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ
- গানটি প্রথম অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল।
এর
প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছিল ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের মাঘ মাসে।
এই সংস্করণে গানটি অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল
পূজা,
পর্যায়ের উপবিভাগ: প্রার্থনা হিসেবে।
১৩৭১ বঙ্গাব্দের আশ্বিন
মাসে প্রকাশিত অখণ্ড গীতবিতানের ১২৫ সংখ্যক গান হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল।
অখণ্ড গীতাবিতানের তৃতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছিল পৌষ ১৩৮০ বঙ্গাব্দের পৌষ
মাসে।
গ. সঙ্গীতবিষয়ক তথ্যাবলী:
স্বরলিপি: [নমুনা]
স্বরলিপিকার:
কালীচরণ সেন-কৃত স্বরলিপিটি স্বরবিতান-২৬’এর
৬৯ পৃষ্ঠায় সুরভেদ হিসাবে দেখানো হয়েছে।
স্বরবিতান-২৬-এ
গৃহীত মূল স্বরলিপিটি কার তা স্পষ্ট জানা যায় না।
[কাঙ্গালীচরণ
সেন-কৃত স্বরলিপির তালিকা]
সুর ও তাল:
রাগ-ইম্নী। তাল-একতাল।
[স্বরবিতান ষড়্বিংশ (২৬) (বিশ্বভারতী, চৈত্র ১৪১৩)]
[ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি ষষ্ঠ ভাগ (জ্যৈষ্ঠ ১৩১৮ বঙ্গাব্দ)]
[রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত। প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সংগীত আকাদেমী, জুলাই ২০০১। পৃষ্ঠা: ১১১ ]
রাগ: ইমন-বিলাবল। তাল: একতাল। [রবীন্দ্রসংগীত : রাগ-সুর নির্দেশিকা। সুধীর চন্দ। (প্যাপিরাস, ডিসেম্বর, ২০০৬)। পৃষ্ঠা: ৬৪]
রাগ-ঝিঁঝিট। তাল-একতাল।
[কাব্য-গ্রন্থ , অষ্টমভাগ (মজুমদার লাইব্রেরি, ১৩১০ বঙ্গাব্দ)]
[কাব্যগ্রন্থাবলী (আদি ব্রাহ্মসমাজ, ১৩০৩)]
[গান, ইন্ডিয়ান প্রেস (১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩১৬ বঙ্গাব্দ)]
[বাঙালীর গান (পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি, এপ্রিল ২০০১)]
[তত্ত্ববোধিনী (ফাল্গুন
১৮১৭ শকাব্দ. ১৩০২ বঙ্গাব্দ)]
[ইমন-বিলাবল/ ঝিঁঝিট/ ইমনী/ ইমন সুরে নিবদ্ধ রবীন্দ্রসঙ্গীতের তালিকা]
[একতাল
তালে নিবদ্ধ রবীন্দ্রসঙ্গীতের তালিকা]
বিষয়াঙ্গ: ব্রহ্মসঙ্গীত।
সুরাঙ্গ: খেয়ালাঙ্গ
গ্রহস্বর: গা।
লয়: মধ্য।
সূত্র :
রবীন্দ্রসঙ্গীত মহাকোষ প্রথম ভাগ।
স্বরবিতান ষড়্বিংশ (২৬) (বিশ্বভারতী, চৈত্র ১৪১৩), পৃষ্ঠা ৭৪।