বেতার জগতে এই রাগ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে-
'এই রাগিণীতে এলায়িত কুন্তলা বিরহিণী বন-শবরী রূপ অরণ্যাশ্রয়ী লইয়া ফুটিয়া ওঠে বলিয়া ইহার নাম "বনকুন্তলা"। আরোহীতে পঞ্চম ধৈবত অবলম্বন করিয়া স্থিতি বলিয়া ভূপালী হইতে ইহা স্বতন্ত্র শোনায়। আরোহীতে র্সানাধাপা, গা রা সা রা- ইহার প্রধান রূপ, ইহাতেই ইহার অরণ্যাশ্রয়ী করুণ-রূপ ফুটে উঠে।'
[তথ্যসূত্র: বেতার জগৎ, ১৬ জানুয়ারি, ১৯৪০ সংখ্যা। পৃষ্ঠা ৬২]আরোহণ: স র, গ প, ধ প, পধর্স
অবরোহণ: র্স ন ধ প গ র, গ স র
ঠাট: বিলাবল
জাতি: ঔড়ব-ষাড়ব।
বর্জিতস্বর:আরোহণে ম ও ন এবং অবরোহণে ম।
বাদীস্বর: ঋষভ
সমবাদী স্বর: পঞ্চম
অঙ্গ: পূর্বাঙ্গ প্রধান।
সময়: সন্ধ্যা
সম প্রকৃতির রাগ: পাহাড়ী (খাম্বাজ ঠাটের), তিলককামোদ।
পকড় : স র, গ স র, ধ্ প্, ধ্ স
এই রাগে কাজী নজরুল ইসলামের দুইটি গান পাওয়া যায়। গানটি দুইটি হলো-