বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা :
শিরোনাম:
নিবিড় ঘন
আঁধারে
জ্বলিছে ধ্রুবতারা।
পাঠ ও পাঠভেদ:
নিবিড় ঘন আঁধারে জ্বলিছে ধ্রুবতারা।
মন রে মোর, পাথারে হোস নে দিশেহারা ॥
বিষাদে হয়ে ম্রিয়মাণ বন্ধ না করিয়ো গান,
সফল করি তোলো প্রাণ টুটিয়া মোহকারা ॥
রাখিয়ো বল জীবনে, রাখিয়ো চির-আশা,
শোভন এই ভুবনে রাখিয়ো ভালোবাসা।
সংসারের সুখে দুখে চলিয়া যেয়ো হাসিমুখে,
ভরিয়া সদা রেখো বুকে
তাঁহারি সুধাধারা
॥
দ্বিতীয় সংস্করণ [ইন্ডিয়ান প্রেস ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩১৬ বঙ্গাব্দ। ব্রহ্মসঙ্গীত। রাগিণী সাহানা, তাল নবতাল। পৃষ্ঠা: ৩৮২] [ নমুনা]
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ [বিশ্বভারতী, আশ্বিন ১৩৩৮ বঙ্গাব্দ। ১৩১০ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত 'মোহিত সেন সম্পাদিত কাব্যগ্রন্থের ৮ম ভাগের 'গান' অংশ থেকে গৃহীত হয়েছিল। পৃষ্ঠা: ২৩০-২৩১] [নমুনা: প্রথমাংশ, শেষাংশ]
প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী, মাঘ ১৩৪৮), পর্যায়: পূজা, উপবিভাগ: সাধনা ও সংকল্প: ২, পৃষ্ঠা: ৭৭। [নমুনা]
অখণ্ড, তৃতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী, পৌষ ১৩৮০), পূজা ১৭৬, উপ-বিভাগ : . সাধনা ও সংকল্প: ২।
ধর্ম্মসঙ্গীত [ইন্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, ১৩২১ বঙ্গাব্দ। পৃষ্ঠা: ৩৭] [নমুনা]
ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি প্রথম ভাগ (১ মাঘ ১৩১১ বঙ্গাব্দ)। সাহানা-নবতাল। কাঙ্গালীচরণ সেন-কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত হয়েছিল।
স্বরবিতান চতুর্থ (৪) খণ্ডের (বিশ্বভারতী, মাঘ ১৪১২) ১১ সংখ্যক গান। সাহানা। নবতাল। পৃষ্ঠা: ৩৪-৩৫।
পত্রিকা: তত্ত্ববোধিনী (ফাল্গুন ১৩০৯ বঙ্গাব্দ)। সাহানা-নবতাল। পৃষ্ঠা: ১৭৫। [নমুনা]
১১ মাঘ ১৩০৯ বঙ্গাব্দ [২৫ জানুয়ারি ১৯০৩ খ্রিষ্টাব্দ] ৭৩তম মাঘোৎসবের সন্ধ্যার অধিবেশনে পরিবেশিত হয়েছিল। এরপর যে সকল পত্রিকা এবং গ্রন্থাদিতে প্রকাশিত হয়েছিল, সেগুলো হলো- তত্ত্ববোধিনী (ফাল্গুন ১৩০৯ বঙ্গাব্দ), কাব্যগ্রন্থ অষ্টম খণ্ড (১৩১০ বঙ্গাব্দ), ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি প্রথম ভাগ (১৩১১ বঙ্গাব্দ)। এরপর যে সকল গ্রন্থাদিতে গানটি অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়েছিল, সেগুলো হলো- ১১ মাঘ ১৩১৩ বঙ্গাব্দ [২৫ জানুয়ারি ১৯০৭ খ্রিষ্টাব্দ] ৭৭তম মাঘোৎসবে এই গানটি পরিবেশিত হয়েছিল। এরপর গানটি প্রকাশিত হয়েছিল গান (প্রথম সংস্করণ ১৩১৫ বঙ্গাব্দ) ও দ্বিতীয় সংস্করণ (১৩১৬ বঙ্গাব্দ), ধর্ম্মসঙ্গীত (১৩২১ বঙ্গাব্দ), কাব্যগ্রন্থ দশম খণ্ড (১৩২৩ বঙ্গাব্দ)।
গ.
স্বরলিপি:
স্বরলিপি: [মূল স্বরলিপি, সুরান্তর]
স্বরলিপিকার:
কাঙ্গালীচরণ
সেন
[ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি
প্রথম ভাগ (১ মাঘ ১৩১১ বঙ্গাব্দ)]।
উল্লেখ্য, ব্রহ্মসঙ্গীত
স্বরলিপির ১ম ভাগ ও স্বরবিতান-৪র্থ খণ্ডের ১৩৪৬ সংস্করণে- কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত
হয়েছিল। এই গ্রন্থের পরবর্তী সংস্করণ প্রকাশিত ১৩৫৮ বঙ্গাব্দের চৈত্র মাসে। এই
সংস্করণের সম্পাদনা করেছিলেন ইন্দিরাদেবী। এই সংস্করণে
কাঙ্গালীচরণ
সেন-কৃত স্বরলিপিটি 'সুরভেদ/ছন্দোভেদ' অংশে স্থান পায়। সেই থেকে স্বরবিতান
চতুর্থ খণ্ডের বর্তমান মুদ্রণ (মাঘ ১৪১২)
পর্যন্ত
ইন্দিরাদেবী চৌধুরানী-কৃত
সম্পাদিত স্বরলিপিটি, মূল স্বরলিপি হিসেবে প্রকাশিত হয়ে আসছে।
[কাঙ্গালীচরণ
সেন-কৃত স্বরলিপির তালিকা]
সুর ও তাল: রাগ-সাহানা। তাল-নবতাল।
[স্বরবিতান চতুর্থ
(৪) খণ্ডের (মাঘ ১৪১২)]।
উল্লেখ্য, স্বরবিতান চতুর্থ খণ্ডের ৩৪ পৃষ্ঠার পাদটীকায় 'নবতাল' সম্পর্কে লেখা
হয়েছে—
ইহাও রবীন্দ্রসংগীতে ব্যবহৃত একটি নূতন তাল। এই তালে নয়টি মাত্রা আছে, এ জন্য ইহার নাম 'নবতাল'। ইহার ঠেকা মৃদঙ্গবাদকগণের ইচ্ছাধীন। দৃষ্টান্তস্বরূপ একটি ঠেকা, যথা—
+ ১
২
৩ ৪
ধা
দেন্
তা
।
তেটে
কতা
। গদি
ঘেনে
।
ধাগে
তেটে
১
২
৩
৪ ৫
৬
৭
৮ ৯
গানটি তালের প্রথম মাত্রা থেকে শুরু হয়।
রাগ: সাহানা। তাল: নবতাল। [রবীন্দ্রসংগীত: রাগ-সুর নির্দেশিকা। সুধীর চন্দ। প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৬। পৃষ্ঠা: ৬৩]
বিষয়াঙ্গ: ব্রহ্মসঙ্গীত।
সুরাঙ্গ: ধ্রুপদাঙ্গ
গ্রহস্বর: মা।
লয়: মধ্য।