বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা :
শিরোনাম:
তোমারি ইচ্ছা
হউক পূর্ণ করুণাময় স্বামী।
পাঠ ও পাঠভেদ:
তোমারি ইচ্ছা হউক পূর্ণ করুণাময় স্বামী।
তোমারি প্রেম স্মরণে রাখি, চরণে রাখি আশা—
দাও দুঃখ, দাও তাপ, সকলই সহিব আমি॥
তব প্রেম-আঁখি সতত জাগে,জেনেও না জানি।
ওই মঙ্গলরূপ ভুলি, তাই শোকসাগরে নামি॥
আনন্দময় তোমার বিশ্ব শোভাসুখপূর্ণ,
আমি আপন দোষে দুঃখ পাই বাসনা-অনুগামী॥
মোহবন্ধ ছিন্ন করো কঠিন আঘাতে,
অশ্রুসলিলধৌত
হৃদয়ে থাকো দিবসযামী॥
পাণ্ডুলিপির পাঠ: রবীন্দ্রনাথের পাণ্ডুলিপি পাওয়া যায় নি।
তথ্যানুসন্ধান
ক. রচনাকাল ও স্থান:
খ. প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
গ্রন্থ:
কাব্যগ্রন্থ অষ্টম খণ্ড [মজুমদার লাইব্রেরি, ১৩১০ বঙ্গাব্দ। রাগিণী ভৈরবী-তাল একতালা, পৃষ্ঠা: ২১৯-২২০] [নমুনা: প্রথমাংশ, শেষাংশ]
কাব্যগ্রন্থ দশম খণ্ড [ইন্ডিয়ান প্রেস, ১৩২৩ বঙ্গাব্দ। ধর্ম্ম সঙ্গীত। পৃষ্ঠা: ২৫৮।] [নমুনা]
কাব্যগ্রন্থাবলী [আদি ব্রাহ্মসমাজ প্রেস, ১৩০৩। ব্রহ্মসঙ্গীত। ভৈরবী-একতালা। পৃষ্ঠা: ৪৬৪][নমুনা]
প্রথম সংস্করণ [সিটি বুক সোসাইটি, ১৩১৫ বঙ্গাব্দ। ব্রহ্মসঙ্গীত। রাগিণী ভৈরবী-তাল একতালা, পৃষ্ঠা: ২৬৮-৬৯। [নমুনা: প্রথমাংশ, শেষাংশ]
দ্বিতীয় সংস্করণ [ইন্ডিয়ান প্রেস, ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩১৬ বঙ্গাব্দ। ব্রহ্মসঙ্গীত। রাগিণী ভৈরবী, তাল একতালা। পৃষ্ঠা: ২৮৬।] [নমুনা]
গানের বহি ও বাল্মীকি প্রতিভা (১৩০০ বঙ্গাব্দ), গান সংখ্যা ৩৯৮, পৃষ্ঠা ৩৮৭-৩৮৮। [নমুনা: প্রথমাংশ, শেষাংশ]
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ [বিশ্বভারতী, ১৩৩৮ বঙ্গাব্দ। ১৩০৩ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত 'কাব্যগ্রন্থাবলী'- ব্রহ্মসঙ্গীত অংশ থেকে গৃহীত হয়েছিল। পৃষ্ঠা: ১৬৮] [নমুনা]
প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী, মাঘ ১৩৪৮), পর্যায়: পূজা, উপবিভাগ: প্রার্থনা ২২, পৃষ্ঠা: ৪৮-৪৯। [নমুনা প্রথমাংশ, শেষাংশ]
অখণ্ড, তৃতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী, পৌষ ১৩৮০), পূজা ১১৩, উপ-বিভাগ : প্রার্থনা ২২, পৃষ্ঠা: ৫২।
গীতিচর্চ্চা (বিশ্বভারতী, পৌষ ১৩৩২ বঙ্গাব্দ)। গান সংখ্যা ১৩। পৃষ্ঠা: ২০। [নমুনা]
গীতিমালিকা (১৯০৭ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩১৪)
ধর্ম্মসঙ্গীত (ইন্ডিয়ান প্রেস্ লিমিটেড, ১৩২১ বঙ্গাব্দ)। গান। পৃষ্ঠা: ১৪৪। [নমুনা]
বাঙালীর গান (১৩১২ বঙ্গাব্দ), গান সংখ্যা ২০৪, ভৈরবী-একতালা, পৃষ্ঠা ৬৬০।
বৈতালিক (চৈত্র ১৩২৫ বঙ্গাব্দ)। দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর-কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত হয়েছিল।
ব্রহ্মসঙ্গীত ও সঙ্কীর্ত্তন (১৩১৪ বঙ্গাব্দ)।
ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি পঞ্চম ভাগ (৯ বৈশাখ ১৩১৬ বঙ্গাব্দ)। ভৈরবী-একতালা। কাঙ্গালীচরণ সেন-কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত হয়েছিল।
ভারতীয় সঙ্গীতমুক্তাবলী প্রথম ভাগ (১৮৯৩ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩০০ )।
রবীন্দ্র গ্রন্থাবলী হিতবাদী (১৩১১ বঙ্গাব্দ)।
সঙ্গীতকোষ ক বিভাগ (১৩০৩ বঙ্গাব্দ)।
স্বরবিতান পঞ্চবিংশ (২৫) খণ্ডের ১১ সংখ্যক গান। পৃষ্ঠা ২৭-২৯।
পত্রিকা:
তত্ত্ববোধিনী (ফাল্গুন ১৮০৯
শকাব্দ ১২৯৪ বঙ্গাব্দ)।
ভৈরবী-একতালা।
পৃষ্ঠা: ২০২।
[নমুনা]
রেকর্ডসূত্র: সিদ্ধার্থ ঘোষের রচিত রেকর্ডে রবীন্দ্রসংগীত (ইন্দিরা সংগীত-শিক্ষায়তন। নভেম্বর ১৯৮৯) গ্রন্থ থেকে আলোচ্য গানের যে রেকর্ডসূত্রের তথ্য পাওয়া যায়। তা হলো-
১৯১৬ থেকে ১৯২৫ খ্রিষ্টাব্দের
ভিতরে 'গ্রামোফোন রেকর্ড কোম্পানি' এই গানের একটি রেকর্ড প্রকাশ করেছিল। গানটির
শিল্পী ছিলেন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। রেকর্ড নম্বর
P 4361।
প্রকাশের কালানুক্রম:
১১ মাঘ ১২৯৪ বঙ্গাব্দ (মঙ্গলবার,২৪
জানুয়ারি ১৮৮৮ তারিখে
অষ্টপঞ্চাশতৎ সাম্বৎসরিক মাঘোৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানের
প্রাতঃকালীন অধিবেশনে গানটি গীত হয়েছিল।
এরপর
তত্ত্ববোধিনী (ফাল্গুন ১২৯৪ বঙ্গাব্দ)
প্রথম গানটি প্রকাশিত হয়েছিল।
এরপর যে সকল গ্রন্থাদিতে গানটি
প্রকাশিত হয়েছিল, সেগুলো হলো-
ভারতীয় সঙ্গীতমুক্তাবলী প্রথম ভাগ
(১৩০০ বঙ্গাব্দ),কাব্যগ্রন্থাবলী (১৩০৩),
সঙ্গীতকোষ ক বিভাগ (১৩০৩ বঙ্গাব্দ),
কাব্যগ্রন্থ অষ্টম খণ্ড
(১৩১০ বঙ্গাব্দ),
রবীন্দ্র গ্রন্থাবলী হিতবাদী (১৩১১
বঙ্গাব্দ)।
বাঙালীর
গান (১৩১২
বঙ্গাব্দ),
ব্রহ্মসঙ্গীত ও সঙ্কীর্ত্তন (১৩১৪ বঙ্গাব্দ),
গান
প্রথম সংস্করণ
(১৩১৫ বঙ্গাব্দ),
গান
দ্বিতীয় সংস্করণ
(১৩১৬
বঙ্গাব্দ),
ব্রহ্মসঙ্গীত
স্বরলিপি পঞ্চম ভাগ
(১৩১৬ বঙ্গাব্দ),
ধর্ম্মসঙ্গীত
(১৩২১ বঙ্গাব্দ),
কাব্যগ্রন্থ দশম খণ্ড
(১৩২৩ বঙ্গাব্দ),
বৈতালিক
(চৈত্র ১৩২৫ বঙ্গাব্দ)
ও
গীতিচর্চ্চা
(১৩৩২ বঙ্গাব্দ)।
এ সকল গ্রন্থাদির পরে,
১৩৩৮ বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাসে প্রকাশিত
গীতবিতান
-এর
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ
-
গানটি প্রথম অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। এর
প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছিল ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের মাঘ মাসে। এই
সংস্করণে গানটি অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল
পূজা, পর্যায়ের
উপবিভাগ: প্রার্থনা হিসেবে। ১৩৭১ বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাসে প্রকাশিত অখণ্ড গীতবিতানের ১১৩ সংখ্যক গান হিসেবে
অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। অখণ্ড গীতাবিতানের তৃতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছিল পৌষ
১৩৮০ বঙ্গাব্দের পৌষ মাসে।
গ. সঙ্গীতবিষয়ক তথ্যাবলি:
ভাঙা গান:
এটি একটি ভাঙা
গান।
মূল গান-ভৈরবী
।
একতালা।
মোরে গিরিধর গোপাল।
দ্র:
রবীন্দ্রসংগীতের ত্রিবেণীসংগম। ইন্দিরাদেবী চৌধুরানী।
গান সংখ্যা ১০৪।
স্বরলিপি: [নমুনা]
স্বরলিপিকার:
স্বরবিতান পঞ্চবিংশ-এর ৬৬-৬৮ পৃষ্ঠায় কাঙ্গালীচরণ সেন-কৃত স্বরলিপিটি সুরভেদ
হিসাবে দেখানো হয়েছে।
উল্লেখ এই স্বরলিপিটি গ্রহণ করা হয়েছে- ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি ৫ (বৈশাখ ১৩১৬) থেকে।
মূল স্বরলিপিটি কার তা জানা যায় না।
কাঙ্গালীচরণ সেন।
[কাঙ্গালীচরণ
সেন-কৃত স্বরলিপির তালিকা]
সুর ও তাল:
রাগ- ভৈরবী। তাল- একতাল। [স্বরবিতান পঞ্চবিংশ, তত্ত্ববোধিনী]
রাগ- ভৈরবী। তাল- একতাল। [রবীন্দ্রসংগীত : রাগ-সুর নির্দেশিকা, সুধীর চন্দ, (প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৬), পৃষ্ঠ: ৫৭।]
রাগ-
ভৈরবী।
তাল- একতাল। [রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত, প্রফুল্লকুমার
চক্রবর্তী, জুলাই ২০০১, পৃষ্ঠা: ১০০।]
[ভৈরবীতে
নিবদ্ধ রবীন্দ্রসঙ্গীতের তালিকা]
[একতাল
তালে নিবদ্ধ রবীন্দ্রসঙ্গীতের তালিকা]
বিষয়াঙ্গ: ব্রহ্মসঙ্গীত
সুরাঙ্গ: খেয়ালাঙ্গ।
গ্রহস্বর: সা।
লয়: মধ্য।