অন্ধজনে দেহো আলো, মৃতজনে দেহো প্রাণ—
তুমি করুণামৃতসিন্ধু করো করুণাকণা দান ॥
শুষ্ক হৃদয় মম কঠিন পাষাণসম,
প্রেমসলিলধারে সিঞ্চহ শুষ্ক নয়ান ॥
যে তোমারে ডাকে না হে তারে তুমি ডাকো-ডাকো।
তোমা হতে দূরে যে যায় তারে তুমি রাখো রাখো।
তৃষিত যেজন ফিরে তব সুধাসাগরতীরে
জুড়াও তাহারে স্নেহনীরে, সুধা করাও হে পান ॥
তোমারে পেয়েছিনু যে কখন্ হারানু অবহেলে,
কখন্ ঘুমাইনু হে,আঁধার হেরি আঁখি মেলে।
বিরহ জানাইব কায়, সান্ত্বনা কে দিবে হায়,
বরষ বরষ চলে যায়, হেরি নি প্রেমবয়ান—
দরশন দাও হে , দাও হে দাও , কাঁদে হৃদয় ম্রিয়মাণ ॥
তত্ত্ববোধিনী [ফাল্গুন ১৮০৭ শকাব্দ,১২৯২ বঙ্গাব্দ)। ধুন-ঠুংরি। পৃষ্ঠা ২২২] [নমুনা]
সঙ্গীত প্রকাশিকা
[পত্রিকা
(ভাদ্র ১৩০৯
বঙ্গাব্দ)। রাগিণী ধুন তাল ঠুংরী। পৃষ্ঠা: ১৪৬] [নমুনা]
রেকর্ডসূত্র: সিদ্ধার্থ ঘোষের রচিত রেকর্ডে রবীন্দ্রসংগীত (ইন্দিরা সংগীত-শিক্ষায়তন। নভেম্বর ১৯৮৯) গ্রন্থ থেকে আলোচ্য গানের যে রেকর্ডসূত্রের তথ্য পাওয়া যায়। তা হলো-
১৯২৬
খ্রিষ্টাব্দে বেলেঘাটায় গ্রামোফোন কোম্পানির স্টুডিওত রবীন্দ্রনাথের
গান ও আবৃত্তি রেকর্ড করা হয়েছে। ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দের ৫ অক্টোবর
গ্রামোফোন কোম্পানি ও কবির ভিতর স্বাক্ষরিত চুক্তিপত্রে ২৫টি গান ও
আবৃত্তির উল্লেখ রয়েছে। এই তালিকায় এই গানটি ছিল। গানটির রেকর্ড নম্বর
ছিল
BD 1232/P
8367।
প্রকাশের
কালানুক্রম:
১১ মাঘ ১২৯২ বঙ্গাব্দ শনিবার ২৩ জানুয়ারি ১৮৮৬ খ্রিষ্টাব্দ তারিখে
ষড়্পঞ্চাশ
সাংবৎসরিক মাঘোৎসব উপলক্ষে অনুষ্ঠিত প্রাতঃকালীন অধিবেশনে গানটি গীত হয়েছিল।
এরপর যে সকল গ্রন্থাদিতে এই গানটি প্রকাশিত হয়েছিল, সেগুলো হলো-
গানের বহি ও বাল্মীকি প্রতিভা (১৩০০ বঙ্গাব্দ),
ব্রহ্মসঙ্গীত
গ. সঙ্গীতবিষয়ক তথ্যাবলি:
স্বরলিপি:
রেকর্ড
P-8367
থেকে
প্রথম স্বরলিপি প্রস্তুত
করেন শ্রীপ্রফুল্লকুমার দাস। পরে এই স্বরলিপিটি পরিমার্জিত করেন শ্রীশৈলজারঞ্জন
মজুমদার। সম্পূর্ণ গানের তালবদ্ধ দ্বিতীয় স্বরলিপিটি প্রস্তুত করেন কাঙ্গালীচরণ
সেন।
[শৈলজারঞ্জন
মজুমদার]
[কাঙ্গালীচরণ
সেন]
সুর ও তাল:
রাগ-মিশ্র ভৈরবী।
প্রথম স্বরলিপি: ঢালা গান। [স্বরবিতান সপ্তবিংশ (২৭), পৃষ্ঠা ৫-৮।]
দ্বিতীয় স্বরলিপি: এই স্বরলিপিটি ২।২।২।২ মাত্রা ছন্দে 'ঠুংরি' তালে নিবদ্ধ।[স্বরবিতান সপ্তবিংশ (২৭), পৃষ্ঠা ৯-১২।]
রাগ:
ধুন।
তাল:
ঠুংরি
[কাব্য-গ্রন্থ
, অষ্টমভাগ (মজুমদার লাইব্রেরি, ১৩১০ বঙ্গাব্দ)]
[গান
ইন্ডিয়ান
প্রেস
(১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩১৬
বঙ্গাব্দ)]
[তত্ত্ববোধিনী (ফাল্গুন ১৮০৭ শকাব্দ,১২৯২
বঙ্গাব্দ)]
[বাঙালীর
গান (পশ্চিমবঙ্গ বাংলা
আকাদেমি, এপ্রিল ২০০১)]
[ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি
প্রথম ভাগ (১ মাঘ ১৩১১ বঙ্গাব্দ)]
[সঙ্গীত
প্রকাশিকা পত্রিকা
(ভাদ্র ১৩০৯)]
রাগ: ভৈরবী। তাল: কাহারবা। [রবীন্দ্রসংগীত: রাগ-সুর নির্দেশিকা। সুধীর চন্দ। প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৩। পৃষ্ঠা: ২৩]
রাগ:
ভৈরবী। তাল: ঢালা। [রাগরাগিণীর
এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত। প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সংগীত আকাদেমি,
জুলাই ২০০১। পৃষ্ঠা: ৪৬।]
[ভৈরবীতে
নিবদ্ধ রবীন্দ্রসঙ্গীতের তালিকা]
গ্রহস্বর: সা। (উভয় স্বরলিপি অনুসারে)