বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা :
শিরোনাম:
ধনে জনে আছি
জড়ায়ে হায়,
পাঠ ও পাঠভেদ:
ধনে জনে আছি জড়ায়ে হায়,
তবু জানো মন তোমারে চায়॥
অন্তরে আছ অন্তর্যামী,
আমা চেয়ে আমার জানিছ স্বামী—
সব সুখে দুখে ভুলে থাকায়
জানো মম মন তোমারে চায়॥
ছাড়িতে পারি নি অহঙ্কারে,
ঘুরে মরি শিরে বহিয়া তারে,
ছাড়িতে পারিলে বাঁচি যে হায়—
তুমি জানো মন তোমারে চায়।
যা আছে আমার সকলই কবে
নিজ হাতে তুমি তুলিয়া লবে—
সব ছেড়ে সব পাব তোমায়।
মনে মনে মন তোমারে চায়॥
পাণ্ডুলিপির পাঠ: [RBVBMS 478 ] [নমুনা]
পাঠভেদ: পাঠভেদ আছে। স্বরবিতান-৩৭-এর ৯৭ পৃষ্ঠায় মুদ্রিত পাঠভেদ অনুসারে নিচের পাঠভেদটি দেখানো হলো।
অন্তরে আছ অন্তর্যামী : গান (১৯০৯) গীতলিপি ৬
অন্তরে
আছ হে অন্তর্যামী
: গীতবিতান (আশ্বিন ১৩৩৮)
তথ্যানুসন্ধান
ক. রচনাকাল ও স্থান: RBVBMS
478
পাণ্ডুলিপিতে গানটির রচনা
তারিখ পাওয়া যায় '১৫ ভাদ্র'।
গীতাঞ্জলির
প্রথম সংস্করণে
গানটির সাথে তারিখ উল্লেখ আছে '১৫ ভাদ্র
১৩১৬। উল্লেখ্য,
রবীন্দ্রনাথ
১৩১৬ বঙ্গাব্দের
৮ ভাদ্রে কলকাতা থেকে
শান্তিনিকেতনে আসেন এবং ১৯শে ভাদ্র পর্যন্ত এখানেই কাটান। ১৫ই ভাদ্রে তিনি এই
গানটি রচনা করেন।
এই সময়
রবীন্দ্রনাথের
বয়স ছিল ৪৮ বৎসর ৪ মাস।
[রবীন্দ্রনাথের
৪৮ বৎসর অতিক্রান্ত বয়সে রচিত গানের তালিকা]
খ. প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
গ্রন্থ:
কাব্যগ্রন্থ অষ্টম খণ্ড [ইন্ডিয়ান প্রেস ১৩২৩ বঙ্গাব্দ, গীতাঞ্জলি, গান সংখ্যা ২৩, পৃষ্ঠা ৩০৭] [নমুনা]
দ্বিতীয় সংস্করণ [ইন্ডিয়ান প্রেস (১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩১৬ বঙ্গাব্দ)। ব্রহ্মসঙ্গীত। কানাড়া-খাম্বাজ। তাল খাম্বাজ পৃষ্ঠা: ৩৯৬-৯৭। [নমুনা: প্রথমাংশ, শেষাংশ]
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ (বিশ্বভারতী, আশ্বিন ১৩৩৮), পৃষ্ঠা: ২৯৮-৯৯। [নমুনা: ১, ২]
প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী, মাঘ ১৩৪৮), পর্যায়: পূজা, উপবিভাগ: প্রার্থনা ২৭, পৃষ্ঠা: ৫০। [নমুনা]
অখণ্ড, তৃতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী, পৌষ ১৩৮০), পূজা ১১৮, উপ-বিভাগ : প্রার্থনা ২৭, পৃষ্ঠা: ৫৪।
গীতলিপি ৬ষ্ঠ ভাগ (১৩২৫ বঙ্গাব্দ, ১৯১৮ খ্রিষ্টাব্দ)। সুরেন্দ্রনাথ বন্দোপাধ্যায়-কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত হয়েছিল।১
প্রথম সংস্করণ [ইন্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস ১৩১৭। ৩০ সংখ্যক গান, পৃষ্ঠা ৩৬।] [নমুনা]
রবীন্দ্ররচনাবলী একাদশ খণ্ড (বিশ্বভারতী, আষাঢ় ১৩৪৯), পৃষ্ঠা ২৬।
ধর্ম্মসঙ্গীত [ইন্ডিয়ান প্রেস্ লিমিটেড, ১৩২১ বঙ্গাব্দ, গান, পৃষ্ঠা: ৪৩-৪৪] [নমুনা: প্রথমাংশ, শেষাংশ]
সঙ্গীত গীতাঞ্জলি (১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ) ভীমরাও শাস্ত্রী-কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত হয়েছিল।১
স্বরবিতান সপ্তত্রিংশ (৩৭) (বিশ্বভারতী, ভাদ্র ১৪১৩) খণ্ড, ৪ সংখ্যক গান, পৃষ্ঠা: ১৩-১৪।
রেকর্ডসূত্র:
প্রকাশের
কালানুক্রম:
১৩১৬ বঙ্গাব্দে
গানটি
প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল
'গান' নামক
গ্রন্থের
দ্বিতীয় সংস্করণে।
এরপর যে সকল গ্রন্থাদিতে গানটি
প্রকাশিত হয়েছিল- সে গুলোহলো-
গীতাঞ্জলি
প্রথম সংস্করণ
(১৩১৭),
ধর্ম্মসঙ্গীত (১৩২১ বঙ্গাব্দ),
কাব্যগ্রন্থ অষ্টম খণ্ড
(১৩২৩),
গীতলিপি
৬ষ্ঠ ভাগ (১৩২৫)ও
সঙ্গীত গীতাঞ্জলি (১৩৩৪)
এ সকল গ্রন্থাদির পরে,
১৩৩৮ বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাসে প্রকাশিত
গীতবিতান -এর
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ
- গানটি প্রথম অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল।
এর
প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছিল ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের মাঘ মাসে।
এই সংস্করণে গানটি অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল
পূজা,
পর্যায়ের উপবিভাগ: প্রার্থনা হিসেবে।
১৩৭১ বঙ্গাব্দের আশ্বিন
মাসে প্রকাশিত অখণ্ড গীতবিতানের ১১৮ সংখ্যক গান হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল।
অখণ্ড গীতাবিতানের তৃতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছিল পৌষ ১৩৮০ বঙ্গাব্দের পৌষ
মাসে।
গ. সঙ্গীত বিষয়ক তথ্যাবলী:
স্বরলিপি: [নমুনা]
স্বরলিপিকার:
সুরেন্দ্রনাথ বন্দোপাধ্যায়। গীতলিপি ৬ষ্ঠ ভাগ থেকে স্বরবিতান-৩৭-এ গৃহীত হয়েছে।
ভীমরাও শাস্ত্রী [সঙ্গীত
গীতাঞ্জলি]
[সুরেন্দ্রনাথ
বন্দোপাধ্যায়-কৃত স্বরলিপির তালিকা]
[ভীমরাও
শাস্ত্রীকৃত স্বরলিপির তালিকা]
সুর ও তাল: [RBVBMS 478 ] তে গানটির উপরে রাগের উল্লেখ রয়েছে- 'কানাড়া খাম্বাজ'।
রাগ-সিন্ধু্ড়া-খাম্বাজ। তাল-একতাল। [স্বরবিতান সপ্তত্রিংশ (৩৭)]
বিষয়াঙ্গ: ব্রহ্মসঙ্গীত।
সুরাঙ্গ: খেয়ালাঙ্গ
গ্রহস্বর: র্সনা।
লয়: মধ্য।
সূত্র:
স্বরবিতান সপ্তত্রিংশ (৩৭) (বিশ্বভারতী, ভাদ্র ১৪১৩), পৃষ্ঠা ১০১।