তোমারি রাগিণী জীবনকুঞ্জে বাজে যেন সদা বাজে গো।
তোমারি আসন হৃদয়পদ্মে রাজে যেন সদা রাজে গো॥
তব নন্দনগন্ধমোদিত ফিরি সুন্দর ভুবনে
তব পদরেণু মাখি লয়ে তনু সাজে যেন সদা সাজে গো।
সব বিদ্বেষ দূরে যায় যেন তব মঙ্গলমন্ত্রে,
বিকাশে মাধুরী হৃদয়ে বাহিরে তব সঙ্গীতছন্দে।
তব নির্মল নীরব হাস্য হেরি অম্বর ব্যাপিয়া
তব গৌরবে সকল গর্ব লাজে যেন সদা লাজে গো॥
প্রথম সংস্করণ (সিটি বুক সোসাইটি, ১৩১৫ বঙ্গাব্দ ১৯০৮ খ্রিষ্টাব্দ। ব্রহ্মসঙ্গীত। পৃষ্ঠা: ৩২২। ইমন-তেওরা। [নমুনা]
দ্বিতীয় সংস্করণ (ইন্ডিয়ান প্রেস। ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩১৬ বঙ্গাব্দ)। ব্রহ্মসঙ্গীত। রাগিণী ইমন-তাল তেওরা। পৃষ্ঠা: ৩২১। [ নমুনা]
প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণ (বিশ্বভারতী, মাঘ ১৩৪৮), পর্যায়: পূজা, উপবিভাগ: প্রার্থনা ১২, পৃষ্ঠা: ৪৪। [নমুনা]
ধর্ম্মসঙ্গীত (ইন্ডিয়ান প্রেস্ লিমিটেড, ১৩২১ বঙ্গাব্দ)। গান, পৃষ্ঠা: ৭১। [নমুনা]
গীতি-চর্চ্চা (বিশ্বভারতী, পৌষ ১৩৩২), গান সংখ্যা ৮৫, পৃষ্ঠা: ৬৫। [নমুনা]
ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি প্রথম ভাগ (১ মাঘ ১৩১১ বঙ্গাব্দ)। ইমন কল্যাণ-তেওড়া। কাঙ্গালীচরণ সেন-কৃত স্বরলিপি-সহ মুদ্রিত হয়েছিল।
স্বরবিতান চতুর্থ (৪) খণ্ডের (বিশ্বভারতী, মাঘ ১৪১২), ৩৪ সংখ্যক গান। পৃষ্ঠা ৮২-৮৩।
পত্রিকা:
প্রকাশের
কালানুক্রম:
ভারতী পত্রিকার 'কার্তিক ১৩০৭'
সংখ্যায় গানটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।
১১ মাঘ ১৩০৭ বঙ্গাব্দ
[বৃহস্পতিবার, ২৪
জানুয়ারি
১৯০০ তারিখ]
একসপ্ততিতম মাঘোৎসবে এই গানটি পরিবেশিত হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানের
বিবরণসহ গানটি
তত্ত্ববোধিনী
(ফাল্গুন ১৩০৭ বঙ্গাব্দ) পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। এরপর গানটি যে সকল গ্রন্থাদিতে
কালানুক্রমে প্রকাশিত হয়েছিল, সেগুলো হলো-
নৈবেদ্য
(১৩০৮),
সঙ্গীত প্রকাশিকা পত্রিকা (১৩০৯),
কাব্য-গ্রন্থ, ষষ্ঠ খণ্ড (১৩১০),
কাব্যগ্রন্থ অষ্টম খণ্ড (১৩১০),
ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি
প্রথম ভাগ (১৩১১), গান
প্রথম সংস্করণ
(১৩১৫),
গান
দ্বিতীয় সংস্করণ
(১৩১৬),
ধর্ম্মসঙ্গীত
(১৩২১)
কাব্যগ্রন্থ সপ্তম খণ্ড
(১৩২৩),
গীতি-চর্চ্চা
(১৩৩২)।
১৩৩৮
বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাসে প্রকাশিত
গীতবিতান -এর
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণে- গানটি
প্রথম অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। এর
প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছিল ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের মাঘ মাসে। এই
সংস্করণে গানটি অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল
পূজা,
পর্যায়ের উপবিভাগ: প্রার্থনা হিসেবে।
১৩৭১ বঙ্গাব্দের আশ্বিন
মাসে প্রকাশিত অখণ্ড গীতবিতানের ১০৩ সংখ্যক গান হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল।
অখণ্ড গীতাবিতানের তৃতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছিল পৌষ ১৩৮০ বঙ্গাব্দের পৌষ
মাসে।
রাগ-ইমনকল্যাণ। তাল-তেওরা [রবীন্দ্রসংগীত : রাগ-সুর নির্দেশিকা। সুধীর চন্দ। প্যাপিরাস, ডিসেম্বর ২০০৬], পৃষ্ঠা: ৫৭।
[ইমনকল্যাণে
নিবদ্ধ রবীন্দ্রসঙ্গীতের তালিকা]
[তেওরা
তালের নিবদ্ধ গানের তালিকা]
গ্রহস্বর: ধনা।
লয়: মধ্য।