বিষয়: রবীন্দ্রসঙ্গীত।
গান সংখ্যা:
শিরোনাম:
মনোমোহন,
গহন যামিনীশেষে
পাঠ ও পাঠভেদ:
মনোমোহন, গহন যামিনীশেষে
দিলে আমারে জাগায়ে ॥
মেলি দিলে শুভপ্রাতে সুপ্ত এ আঁখি
শুভ্র আলোকে লাগায়ে ॥
মিথ্যা স্বপনরাজি কোথা মিলাইল,
আঁধার গেল মিলায়ে।
শান্তিসরসী-মাঝে চিত্তকমল
ফুটিল আনন্দবায়ে ॥
পাণ্ডুলিপির পাঠ: রবীন্দ্রনাথের পাণ্ডুলিপি পাওয়া যায় নি।
খ. প্রকাশ ও গ্রন্থভুক্তি:
গ্রন্থ:
গান
দ্বিতীয় সংস্করণ (১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩১৬ বঙ্গাব্দ)। ব্রহ্মসঙ্গীত। রাগিণী আসাবরী, তাল-ঝাঁপতাল। পৃষ্ঠা: ২৬০। [নমুনা]
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ [বিশ্বভারতী, আশ্বিন ১৩৩৮ বঙ্গাব্দ। ১৩১০ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত 'মোহিত সেন সম্পাদিত কাব্যগ্রন্থের ৮ম ভাগের 'গান' অংশ থেকে গৃহীত হয়েছিল। পৃষ্ঠা: ২৩৪-২৩৫]
প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণ [বিশ্বভারতী, মাঘ ১৩৪৮, পর্যায়: পূজা, উপবিভাগ: জাগরণ ১৫, পৃষ্ঠা: ১১৫] [নমুনা]
গান
প্রথম সংস্করণ
(১৩১৫ বঙ্গাব্দ),
গান
দ্বিতীয় সংস্করণ
(১৩১৬
বঙ্গাব্দ),
কাব্যগ্রন্থ,
দশম খণ্ড
(১৩২৩ বঙ্গাব্দ),
ধর্ম্মসঙ্গীত
(১৩২১ বঙ্গাব্দ), বৈতালিক (চৈত্র
১৩২৫
বঙ্গাব্দ)
ও
গীতিচর্চ্চা (১৩৩২
বঙ্গাব্দ)।
এ সকল গ্রন্থাদির পরে,
১৩৩৮ বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাসে প্রকাশিত
গীতবিতান
-এর
প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ
১৩১০ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত 'মোহিত সেন সম্পাদিত কাব্যগ্রন্থের ৮ম ভাগের
'গান' অংশ থেকে গৃহীত হয়েছিল
।
এরপর
প্রথম খণ্ড, দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছিল ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের মাঘ
মাসে। এই সংস্করণে গানটি অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল
পূজা,
পর্যায়ের
জাগরণ উপবিভাগের ১৫ সংখ্যক গান
হিসেবে। ১৩৭১ বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাসে প্রকাশিত অখণ্ড গীতবিতানের
পূজা
পর্যায়ের ২৭৮ সংখ্যক গান হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল।
গানটি একইভাবে
অখণ্ড গীতাবিতানের তৃতীয় সংস্করণ
প্রকাশিত হয়েছিল পৌষ ১৩৮০ বঙ্গাব্দের পৌষ মাসে।
গ. সঙ্গীত বিষয়ক তথ্যাবলী:
স্বরলিপিকার:
কাঙ্গালীচরণ সেন। [ব্রহ্মসঙ্গীত স্বরলিপি ১ম ভাগ থেকে স্বরবিতান-২৭-এ গৃহীত হয়েছে]
দিনেন্দ্রনাথ
ঠাকুর। বৈতালিক (চৈত্র ১৩২৫
বঙ্গাব্দ)
সুর ও তাল:
রাগ-আশাবরী। তাল-ঝাঁপতাল। [স্বরবিতান-২৭]
রাগ: আশাবরী। তাল: ঝাঁপতাল। [রবীন্দ্রসংগীত : রাগ-সুর নির্দেশিকা। সুধীর চন্দ। (প্যাপিরাস, ডিসেম্বর, ২০০৬)] । পৃষ্ঠা: ৭২।
রাগ: আশাবরী। তাল: ঝাঁপতাল। [রাগরাগিণীর এলাকায় রবীন্দ্রসংগীত, প্রফুল্লকুমার চক্রবর্তী, জুলাই ২০০১], পৃষ্ঠা: ১২৫।
বিষয়াঙ্গ: ব্রহ্মসঙ্গীত।
সুরাঙ্গ: খেয়ালাঙ্গ।
গ্রহস্বর: ঋা।
লয়: মধ্য।