|
১. নাইট্রোজেন সংবন্ধন: এটি ফ্যাবিডস থাকের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য। এই থাকের অনেক সদস্য (বিশেষ করে ফ্যাবালেস, রোসালেস, ফাগালেস এবং কুকারবিটলেস বর্গের উদ্ভিদ) মাটির ব্যাকটেরিয়ার সাথে সহাবস্থান করে বায়ুমণ্ডল থেকে নাইট্রোজেন সংবন্ধন করতে পারে। এই গ্রুপটিকে অনেক সময় 'নাইট্রোজেন-ফিক্সিং ক্লোড' বলা হয়।ক্রমবিবর্তন:
২. বীজের গঠন: ফ্যাবিডস-এর অধিকাংশ উদ্ভিদের বীজ দ্বিবীজপত্রী এবং এদের বীজে সাধারণত শাঁস বা এন্ডোস্পার্ম কম থাকে অথবা থাকেই না। বীজের ভ্রূণটি বেশ বড় হয়।
৩. ফুলের গঠন: এদের ফুল সাধারণত পাঁচ-অংশী হয়। অর্থাৎ বৃতি, দলমণ্ডল বা পুংকেশর ৫টি বা ৫-এর গুণিতক থাকে। এছাড়া এদের পরাগরেণুর গঠনও ইউডিকোটস উদ্ভিদের উন্নত বৈশিষ্ট্যের পরিচয় দেয়।
৪. পত্ররন্ধ্রের বিন্যাস: শারীরবৃত্তীয় গবেষণায় দেখা গেছে, ফ্যাবিডস-এর অন্তর্ভুক্ত অনেক উদ্ভিদের পাতার নিচের পিঠে পত্ররন্ধ্রের চারপাশে বিশেষ ধরনের কোষবিন্যাস দেখা যায়।
৫. কাষ্ঠল ও লতানো স্বভাব: ফ্যাবিডস-এর ভেতরেই বিশ্বের সবচেয়ে বড় বড় বনজ বৃক্ষ (যেমন: ওক, বট) এবং একই সাথে পরিচিত লতানো উদ্ভিদ (যেমন: শসা, কুমড়া) অবস্থান করে। এদের সেকেন্ডারি জাইলেম বা কাঠ বেশ শক্ত ও উন্নত হয়।
১. মালপিঘিয়ালেস বর্গ: আবির্ভাবকাল ৯.৫ - ৮ কোটি খ্রিষ্টপূর্বাব্দে আবির্ভূত হয়েছিল।
২. অক্সালিডালেস বর্গ: আবির্ভাবকাল ৯ - ৮ কোটি খ্রিষ্টপূর্বাব্দে আবির্ভূত হয়েছিল।
৩. সেলাসট্রালেস: আবির্ভাবকাল ৯ - ৮ কোটি খ্রিষ্টপূর্বাব্দে আবির্ভূত হয়েছিল।
৪. রোসালেস বর্গ: আবির্ভাবকাল ৮.৯ - ৭ .৫ কোটি খ্রিষ্টপূর্বাব্দে আবির্ভূত হয়েছিল।
৫. ফাগালেস বর্গ: আবির্ভাবকাল ৮ .৫ - ৭ কোটি খ্রিষ্টপূর্বাব্দে আবির্ভূত হয়েছিল।
৬. কুকারবিটলেস বর্গ: আবির্ভাবকাল ৮ .৫ - ৭ কোটি খ্রিষ্টপূর্বাব্দে আবির্ভূত হয়েছিল।
৭. জাইগোফাইলালেস: আবির্ভাবকাল ৮ - ৬.৫ কোটি খ্রিষ্টপূর্বাব্দে আবির্ভূত হয়েছিল।
৮. ফ্যাবালেস বর্গ: আবির্ভাবকাল ৭ .৫ - ৬.৫ কোটি খ্রিষ্টপূর্বাব্দে আবির্ভূত হয়েছিল।