- গ্রাম: ষড়্জ
- গ্রামরাগ- জাত: মধ্যমা, পঞ্চমী এবং ধৈবতী থেকে উদ্ভূত
- গীতি: সাধারণী
- গ্রহস্বর: ধৈবত
- অংশস্বর: ধৈবত
- ন্যাসস্বর: পঞ্চম
- জাতি: সম্পূর্ণ-সম্পূর্ণ
- ব্যবহৃত বিকৃত স্বর: অন্তর গান্ধার ও কাকলী নিষাদ
- রস: অদ্ভুত, বীর ও হাস্য
- তাল: চচ্চৎপুট
- মার্গ: চিত্রা, বার্তিক ও দক্ষিণ
- নাটকে মধ্যমকরণ প্রক্রিয়ার সময়ে এই রাগ ব্যবহৃত হতো।
সঙ্গীতরত্বাকর থেকে এর আক্ষিপ্তিকা দেওয়া হলো-

এই গ্রন্থে
যাষ্টিকের
উদ্ধৃতিতে এই রাগটিকে গ্রামরাগ হিসেবে উল্লেখ করা
হয়েছে।
[পৃষ্ঠা: ১৭২-১৭৩] এই
গ্রামরাগের অধীনস্থ ভাষা রাগ ছিল ৭টি। এগুলো হলো-
কাম্বোজ,
মধ্যমগ্রামিকা,
সালবাহনিকা (সাতবাহিনী),
ভাগবর্ধনী
(ভোগবর্ধনী),
মধুরী (মধুকরী),
শকমিশ্রিতা
ও
ভিন্নপঞ্চমী।
শার্ঙ্গদেবের রচিত সঙ্গীতরত্নকারেও এই রাগটিকে
গ্রামরাগ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
পণ্ডিত বিষ্ণু নারয়ণ ভাতখণ্ডে (১৮৬০-১৯৩৩ খ্রিষ্টাব্দ) এই রাগটিকে বিলাবলের ঠাটের অন্তর্ভুক্ত করেন।
বর্তমানে উত্তর ভারতীয় সঙ্গীত পদ্ধতিতে ভাতখণ্ডেজির রাগবিধি অনুসৃত হয়ে থাকে।
তাঁর রচিত 'হিন্দুস্থানী সঙ্গীত পদ্ধতি' গ্রন্থে এই রাগ সম্পর্কে বলা হয়েছে-
'কুকুভ রাগ বিলাবল ঠাঠ থেকেই উদ্ভূত হয়। প্রভাতেই এ-রাগ গাওয়া হয়। বাদী স্বর মধ্যম এবং সম্বাদী ষড়্জ। বিলাবলের মতো এখানে সম্পূর্ণ আরোহ দেখতে সুন্দর লাগে। বিলাবলের মতো এখানেও দুটি নিষাদের প্রয়োগ হয়। 'সা-প' এবং 'সা-ম' স্বর-সঙ্গতি মাহাত্ম্যপূর্ণ। কিছু লোক অল্হৈয়া ও ঝিঁঝিট যোগ করে গান আর কিছু লোক জৈজৈওয়ন্তী ও অল্হৈয়া-র মিশ্রণে এই রাগ গেয়ে থাকেন।'বর্তমানে প্রচলিত ককুভ রাগের পরিচিত
আরোহণ: স র গ ম প ধ ন র্স
অবরোহণ: র্স ণ ধ প ম গ র স
ঠাট: বিলাবল
জাতি: সম্পূর্ণ-সম্পূর্ণ
বাদীস্বর: মধ্যম
সমবাদী স্বর: ষড়্জ
অঙ্গ: পূর্বাঙ্গ।
সময়: দিবা প্রথম প্রহরের সূচনালগ্নে (প্রাতঃকাল)
পকড়: সগ, ম, ণ ধ প, মপ, গম, স, গম, ধণর্স, র্সধণপ, র্সধণপ, ধম, গ, স, গ, ম