নজরুলের
রচিত
ধর্মসঙ্গীত
সাধারণ
- পরমসত্তা: স্বতন্ত্র সত্তা হিসেবে বিরাজিত স্রষ্টাকে নজরুলের গানে পাওয়া যায় নানা রূপে। কোনো কোনো গানে, এই সত্তার মহিমা বন্দনা করা হয়েছে প্রার্থনা করা হয়েছে। এ সকল গানের পরমাত্মা বাইরে থেকে মানুষের অন্তরকে আলোকিত করেন। এসকল গানে পাওয়া যায় পরমসত্তার মহিমা কীর্তন করা হয়েছে। এ সকল কোনো বিশেষ নামে সত্তাকে অভিহিত করা হয় নি। এতে পাওয়া যায়, তব তুমি, তুই ইত্যাদি সর্বনামবাচক সম্বোধন। কোনো কোনো গানে বর্ণিত হয়েছে তাঁর নাম-বন্দনা। তবে তিনি কোন বিশেষ নামে বন্দিত হবেন তার নির্দেশনা পাওয়া যায় না। মূলত এ সকল গানের ‘তিনি’-কে যে কোনো নামেই বন্দনা করা যেতে পারে। কিছু গানে রয়েছে পর্মসত্তার কাছে প্রার্থনা। এই বিচারে পরমসত্তার গানগুলোকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- সামগ্রিক বন্দনা: এই বন্দনায় পরম সত্তাকে পাওয়া যায়- একেশ্ববদীদের নানা নামে অভিহিত । এছাড়া পাওয়া যায়, নাম-বন্দনা, ত্রাণকর্তারূপী সত্তা ইত্যাদির বর্ণনা। তাই বিষয়াঙ্গের বিচারে এই সত্তার বিভাজন হতে পারে- সামগ্রিক বর্ণনা, নামবন্দনা, ভরষা ও প্রার্ধনা।
- নাম বন্দনা: এই জাতীয় গানে পাওয়া যায় শুধই নাম-বন্দনা। নামেই মুক্তি এই বিশ্বাস থেকে উৎপন্ন ভাবধারায় পুষ্ট গান অনেকটা বৈষ্ণবদের নামকীর্তনের মতো। তবে এখানে পরমসত্তার কোনো সুনির্দিষ্ট নাম উচ্চারিত হয় না।
- অন্ধকারের তীর্থপথে [তথ্য]
- আত্মনিবেদন
- হে মোর স্বামী অন্তরযামী [তথ্য]
- ভরষা: মানুষের পার্থিব জীবনের নানা যেন এই পরমসত্তারই লীলা, এই লীলার অংশ হিসেবে তিনিই সঙ্কটদাতা, তিনই সঙ্কটমোচনারী। একমাত্র তিনিই ভরসা
- আহার দেবেন দেবেন তিনি রে [তথ্য]
- প্রার্থনা: ধর্মসঙ্গীতের অন্যতম অধ্যায় হলো- প্রার্থনা। ধর্মভেদে নানারূপ প্রর্থনা রয়েছে।
- জিজ্ঞাসা
- হে মায়াবী ব'লে যাও [তথ্য]
- সুন্দর