এই গ্রন্থের চৈত্র ১৪১৪ মুদ্রণের ১৫৯ পৃষ্ঠায় মুদ্রিত প্রজ্ঞাপনটি নিচে উল্লেখ করা হলো।
গীতমালিকা প্রথম খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৩৩৩ সালে। এই গ্রন্থে চল্লিশটি গানের স্বরলিপি
সংকলিত হইয়াছিল। ১৩৪৫ সালে প্রকাশিত দ্বিতীয় সংস্করণে দশটি গান ও স্বরলিপি
(৪১-৫০-সংখ্যক) সংযোজিত হয় – সম্পাদনার দায়িত্ব বহন করেন অনাদিকুমার দস্তিদার।
বর্তমান গ্রন্থের অধিকাংশ গানের স্বরলিপি দিনেন্দ্রনাথ
ঠাকুর-কৃত। অনাদিকুমার দস্তিদার-কৃত ১০-১২, ১৪-১৬, ১৮, ১৯, ২১-২৬, ২৮, ৩০-৩৫ ও ৩৭
-সংখ্যক গানের স্বরলিপি ‘শান্তিনিকেতন’ পত্রিকার বিভিন্ন সংখ্যায় প্রকাশিত হইয়াছিল।
রচনাকাল/প্রকাশকাল শিরোনামে পরবর্তী তালিকা দ্রষ্টব্য।
এই গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত
গানের সুরভেদ, ছন্দোভেদ, পাঠভেদ, রচনাকাল ও প্রকাশকাল সম্পর্কে এ যাবৎ সংগৃহীত তথ্য
সন্নিবিষ্ট হইল। উল্লিখিত তথ্যাদি সংগ্রহ ও সংকলন করিয়াছেন শ্রীপ্রফুল্লকুমার দাস।
ফাল্গুন ১৩৮৩
নিচে এই গ্রন্থে গৃহীত গানের তালিকা তুলে ধরা হলো।
অগ্নিশিখা, এসো এসো, আনো আনো আলো [আনুষ্ঠানিক-১৭]
[তথ্য]
[নমুনা]
আকাশতলে দলে দলে [প্রকৃতি-৪০]
[তথ্য]
[নমুনা]
আকাশভরা সূর্য-তারা [প্রকৃতি-৮]
[তথ্য]
[নমুনা]
আজ কি তাহার বারতা পেল [প্রকৃতি-১৩২]
[তথ্য]
[নমুনা]
আজ কিছুতেই যায় না মনের ভার [প্রকৃতি-৪৬]
[তথ্য]
[নমুনা]
আজি মর্মরধ্বনি কেন জাগিল রে [পূজা-৩৪১
[তথ্য]
[নমুনা]
আমার এ পথ তোমার পথের থেকে [প্রেম-২৮৩]
[তথ্য]
[নমুনা]
আমার মন চেয়ে রয় [প্রেম-৩১৯]
[তথ্য]
[নমুনা]
আমার শেষ পারানির কড়ি কণ্ঠে নিলেম গান [পূজা-৩১]
[তথ্য]
[নমুনা]
আমার শেষ রাগিণীর প্রথম ধুয়ো [প্রেম-২৬]
[তথ্য]
[নমুনা]
আমি সন্ধ্যাদীপের শিখা [বিচিত্র-৯৬]
[তথ্য]
[নমুনা]
আয় রে মোরা ফসল কাটি [আনুষ্ঠানিক-১৬]
[তথ্য]
[তথ্য]
আষাঢ়, কোথা হতে আজ পেলি ছাড়া [প্রকৃতি-৪২]
[তথ্য]
[নমুনা]
এ কী মায়া, লুকাও কায়া [প্রকৃতি-১৮৩]
[তথ্য]
[নমুনা]
এ পারে মুখর হল কেকা ওই [প্রেম-২৫০]
[তথ্য]
[নমুনা]
এই শ্রাবণ-বেলা বাদল-ঝরা [প্রকৃতি-৪৪]
[তথ্য]
[নমুনা]
এবার অবগুণ্ঠন খোলো [প্রকৃতি-১৬২]
[তথ্য]
[নমুনা]
কণ্ঠে নিলেম গান আমার শেষ পারানির কড়ি [পূজা-৩১]
[তথ্য]
[নমুনা]
কদম্বেরই কানন ঘেরি [প্রকৃত-৪১]
[তথ্য]
[নমুনা]
কালের মন্দিরা যে সদাই বাজে [বিচিত্র-৫]
[তথ্য]
[নমুনা]
কী ফুল ঝরিল বিপুল অন্ধকারে [প্রেম-২৭৮]
[তথ্য]
[নমুনা]
কুসুমে কুসুমে চরণচিহ্ন দিয়ে যাও [প্রকৃতি-২]
[তথ্য]
[নমুনা]
ছায়া ঘনাইছে বনে বনে [প্রকৃতি-৪৩]
[তথ্য]
[নমুনা]
তুমি কি কেবলই ছবি [প্রেম ও প্রকৃতি ৭৬]
[তথ্য]
[নমুনা]
তুমি তো সেই যাবেই চলে [প্রেম ও প্রকৃতি ৭১] [তথ্য]
[নমুনা]
তোমায় গান শোনাব [প্রেম-৬]
[তথ্য]
[নমুনা]
তোমার কটি-তটের ধটি [নাট্যগীতি-৮৩]
[তথ্য]
[নমুনা]
তোমার বীণায় গান ছিল [প্রেম-২৪৪]
[তথ্য]
[নমুনা]
তোমার শেষের গানের রেশ নিয়ে [প্রেম-২৫]
[তথ্য]
[নমুনা]
দুই হাতে—কালের মন্দিরা [বিচিত্র-৫]
[তথ্য]
[নমুনা]
ধরণী, দূরে চেয়ে [প্রকৃতি-১০২]
[তথ্য]
[নমুনা]
ধরণীর গগনের মিলনের ছন্দে [প্রকৃতি-৮৪]
[তথ্য]
[নমুনা]
না,না গো না, কোরো না ভাবনা [প্রেম-১০৩]
[তথ্য]
[নমুনা]
নাই বা এলে যদি সময় নাই [প্রেম-১৫৫]
[তথ্য]
[নমুনা]
নাই যদি বা এলে তুমি [প্রেম-২৬৫]
[তথ্য]
[নমুনা]
নিশীথরাতের প্রাণ [প্রকৃতি-২৬৮]
[তথ্য]
[নমুনা]
পাখি বলে,‘চাঁপা,আমারে কও [বিচিত্র-৯৪]
[তথ্য]
[নমুনা]
পাতার ভেলা ভাসাই নীরে [পূজা-৫৭৪]
[তথ্য]
[নমুনা]
পুব-হাওয়াতে দেয় দোলা [প্রকৃতি-৮২]
[তথ্য]
[নমুনা]
পৌষ তোদের ডাক দিয়েছে [প্রকৃতি-১৭৯]
[তথ্য]
[নমুনা]
প্রথম আলোর চরণধ্বনি উঠল বেজে যেই [পূজা-৩৪২]
[তথ্য]
[নমুনা]
বনে যদি ফুটল কুসুম [প্রেম-২৫৫]
[তথ্য]
[নমুনা]
মোরা ভাঙব তাপস, ভাঙব [প্রকৃতি-১৮৪]
[তথ্য]
[নমুনা]
যখন এসেছিলে অন্ধকারে [প্রেম-২৭৫]
[তথ্য]
[নমুনা]
যখন ভাঙল মিলন-মেলা [প্রেম-২৮২]
[তথ্য]
[নমুনা]
যায় নিয়ে যায় আমায় আপন [প্রেম-১৪]
[তথ্য]
[নমুনা]
যুগে যুগে বুঝি আমায় [প্রেম-২৫৪]
[তথ্য]
[নমুনা]
যে কেবল পালিয়ে বেড়ায় [বিচিত্র-৮৩]
[তথ্য]
[নমুনা]
যে দিন সকল মুকুল [প্রেম-৩০৮]
[তথ্য]
[নমুনা]
যে ধ্রুবপদ দিয়েছে বাঁধি বিশ্বতানে [পূজা-৩৩৫]
[তথ্য]
[নমুনা]
শ্রাবণবরিষন পার হয়ে [প্রকৃতি-৪৫]
[তথ্য]
[নমুনা]
হাটের ধুলা সয় না যে আর [বিচিত্র-২০]
[তথ্য]
[নমুনা]