'সদাশিব, শিব, ব্রহ্মা, ভরত, ঋষি কশ্যপ, মতঙ্গ, যাষ্টিক, দুর্গা, শক্তি, শার্দূল, কোহল, বিশাখিল, দত্তিল, কম্বল, অশ্বতর, বায়ু, বিশ্বাবসু, রম্ভা, অর্জুন, নারদ, তুম্বুরু, অঞ্জনানন্দ (হনুমান্), মাতৃগুপ্ত, রাবণ, নন্দিকেশ্বর, স্বাতি, গণ, বিন্দুরাজ, ক্ষেত্ররাজ, রাহুল, রুদ্রট, রাজানান্য, ভোজরাজ, পরমর্দী, জগতের একচ্ছত্র রাজা সোমেশ, ভরত-গ্রন্থের লোল্লট, উদ্ভট, শঙ্কুক ও ভট্ট অভিনবগুপ্ত, তৎপর শ্রীমান্ কীর্তিধর এবং অন্য বহু সঙ্গীতবিশারদ যাঁহারা (ছিলেন) তাঁহাদের মতরূপ সাগরকে অগাধ বোধরূপ মন্থনদণ্ড দ্বারা নিঃশেষে মন্থন করিয়া শ্রীশার্ঙ্গদেব এই সারোদ্ধার প্রণয়ন করিয়াছেন।'
এ সকল ব্যক্তিবর্গের সঙ্গীতচিন্তার সাথে তিনি কিভাবে পরিচিত হয়েছিলেন, সে বিষয়ে জানা যায় না। তবে তিনি
তাঁর পূর্বে রচিত বিশেষ কিছু গ্রন্থ অনুসরণ করেছিলেন। এই তালিকায় রয়েছে- ভরতের নাট্যশাস্ত্র (খ্রিষ্টীয় দ্বিতীয় শতাব্দী), দত্তিলাচার্যের রচিত 'দত্তিলম' (খ্রিষ্টীয় তৃতীয় শতাব্দী), মতঙ্গ রচিত বৃহদ্দেশী (ষষ্ঠ শতাব্দী), এবং নারদের রচিত সঙ্গীতমকরন্দঃ (খ্রিষ্টীয় একাদশ শতাব্দী)।