৩৬
বৎসর অতিক্রান্ত বয়স
নজরুল ইসলামের ৩৬ বৎসর অতিক্রান্ত বয়স শুরু হয়েছিল ১১ জ্যৈষ্ঠ
১৩৪২ বঙ্গাব্দ (বৃহস্পতিবার ২৫মে ১৯৩৫ খ্রিষ্টাব্দ) থেকে। শেষ হয়েছিল ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৩৪৩
বঙ্গাব্দ (২৩শে মে ১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দ)
২৪-৩১ মে ১৯৩৫ (১১-১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৩৪২)
নজরুলের ৩৬ বৎসর অতিক্রান্ত বয়সে শুরুতে পত্রিকায় তাঁর
প্রথম একটি কবিতা প্রকাশিত হয়েছিল। যেমন-
- সাপ্তাহিক নাগরিক। ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৩৪২।
জুন ১৯৩৫ (১৮ জ্যৈষ্ঠ-১৫ আষাঢ় ১৩৪২)
- এই মাসে রেকর্ডে প্রকাশিত গান
- মেগাফোন। জুন ১৯৩৫। জেএনজি ১৮৭। জ্ঞান দত্ত
- ঝলমল জরীণ বেণী দুলায়ে
[তথ্য]
- টুইন। জুন ১৯৩৫। এফটি ৩৯৭৫। দেবেন বিশ্বাস
- টুইন। জুন ১৯৩৫। এফটি ৩৯৭৭। আঙুরবালা
- তরুণ অশান্ত কে বিরহী [তথ্য]
- বরষা ঐ এল বরষা [তথ্য]
- টুইন। জুন ১৯৩৫। এফটি ৩৯৮০। আব্বাসউদ্দিন
- বহে শোকের পাথার
[তথ্য]
-
ত্রিভুবনের প্রিয় মোহাম্মদ
[তথ্য]
- টুইন। জুন ১৯৩৫। শিল্পী: মিস পদ্মরাণী। রেকর্ডটি বাতিল হয়েছিল
- এইচএমভি। এন ৭৩৬৫। শিল্পী: ইন্দিরা সেনগুপ্ত
- এইচএমভি। জুন ১৯৩৫। এফটি ৭৩৭১। দেববালা দাসী
- এই পত্রিকায় প্রকাশিত রচনা
- মোহাম্মদী। আষাঢ় ১৩৪২
- মোয়াজ্জিন। আষাঢ় ১৩৪২
- সঙ্গীতবিজ্ঞান প্রবেশিকা। আষাঢ় ১৩৪২
- ভারতবর্ষ। আষাঢ় ১৩৪২
১৯৩৫ জুলাই (১৬ আষাঢ়-১৫ শ্রাবণ ১৩৪২)
এই মাসের ৩১ তারিখে (বুধবার ১৫ শ্রাবণ ১৩৪২), স্কুল
পাঠ্যগ্রন্থ মক্তব সাহিত্য প্রকাশিত হয়। এটি ছিল মূলত নজরুল
ওসলাম-কৃত নানা লেখকের রচনার সংকলন। প্রকাশক: খোন্দকার আব্দুল জব্বার, ২৫ এ
পঞ্চানন টোলা লেন, কলকাতা। মুদ্রাকর: এ সি সরকার
ক্লাসিক প্রেস ২১ পটুয়াটোলা লেন, কলকাতা। পৃষ্ঠা: ২১।
গ্রন্থ সূচি:
- মোনাজাত: সুরা ফাতিহার অনুবাদ। অনুবাদক নজরুল
ইসলাম।
- হজরত মোহাম্মদের উম্মত পরীক্ষা। [হাদিস] নজরুল
ইসলাম
- আলস্যের ফল। রবীন্দ্রনাথ
- পানি। নজরুল ইসলাম
- কুটির । নজরুল ইসলাম
- ঈদের দিনে। [হাদিস] নজরুল ইসলাম
- মৌলবি সাহেব। নজরুল ইসলাম
- চাষী। । নজরুল ইসলাম
- কাবা শরীফ । নজরুল ইসলাম
- কোরাআন শরীফ । নজরুল ইসলাম
- উদ্ভিদ। নজরুল ইসলাম
- আল্লাহু তায়ালা। নজরুল ইসলাম
- আমাদের খাদ্য। ডঃ চুণীলাল বসু
- হজরতের মহানুভবতা। নজরুল ইসলাম
- গোরু। নজরুল ইসলাম
- আদর্শ ছেলে। কুসুমকুমারী দাশ
- পরিচ্ছদ। নজরুল ইসলাম
- সত্যরক্ষা। নজরুল ইসলাম
- বিড়াল। নজরুল ইসলাম
- ঈদের চাঁদ। নজরুল ইসলাম
- হারজিত। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- এই মাসে রেকর্ডে প্রকাশিত গান
- মেগাফোন। জুলাই ১৯৩৫। জেএনজি ১৯৭। শিল্পী: শ্রীমতি
পারুল
- আজি এ বাদল দিনে [তথ্য]
- মেঘের হিন্দোলা দেয় পূব-হাওয়াতে দোলা [তথ্য]
- এইচএমভি। এন ৭৩৭৭। শিল্পী: শঙ্করা মিশ্র
- দোলে প্রাণের কোলে প্রভুর নামের মালা
[তথ্য]
- যুগ যুগ ধরি' লোকে লোকে মোর
[তথ্য]
- এইচএমভি। এন ৭৩৭৮। শিল্পী: মিস অনিমা বাদল
- এইচএমভি। এন ৭৩৮৯। শিল্পী: ধীরেন দাস
- আমার হৃদয় মন্দিরে ঘুমায় [তথ্য]
- তুমি দিয়েছ দুঃখ-শোক-বেদনা
[তথ্য]
- টুইন। এফটি ৪০১৫। নিতাই
ঘটক
- বনে মোর ফুল ঝরার বেলা [তথ্য]
- তোমার হাতের সোনার রাখি [তথ্য]
- টুইন। এফটি ৪০১৭। আশালতা রায়
- ওলো ফুল পসারিণী
[তথ্য]
- নীপ-শাখে বাঁধো ঝুলনিয়া
[তথ্য]
- টুইন। এফটি ৪০১৮। ইন্দুসেন
- নবনীত সুকোমল লাবনি তব শ্যাম [তথ্য]
- বাঁশির কিশোর ব্রজগোপী চিত-চোর [তথ্য]
- টুইন। এফটি ৪০১৯। ইন্দুবালা
- ব্রজবাসী মোরা এসেছি মথুরা [তথ্য]
-
হে বিধাতা ! হে বিধাতা ! হে বিধাতা ! [তথ্য]
- দোলে নিতি নব রূপের ঢেউ পাথার [তথ্য]
- এই মাসে বাতিলকৃত রেকর্ড
-
এইচএমভি। মিস সরযু
- বনফুলে তুমি মঞ্জরী গো
[তথ্য]। শিল্পী: মিস সরযু
- মদনমোহন শিশু নটবর [তথ্য]আশ্চর্যময়ী
- মনে যে মোর মনের ঠাকুর
[তথ্য]
শিল্পী: তারক প্রসাদ পাঠক।
- শ্রান্ত-ধারা বালুতটে শীর্ণা-নদীর গান
[তথ্য] ধীরেন দাস
১৩৪২ বঙ্গাব্দের শ্রাবণ (জুলাই-আগষ্ট ১৯৩৪)
মাসে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত
নতুন গান।
- মোহাম্মদী। শ্রাবণ ১৩৪২।
- অয়ি চঞ্চল লীলায়িত দেহা
[তথ্য]
- চোখে চোখে চাহ যখন
[তথ্য]
- মোয়াজ্জিন। শ্রাবণ ১৩৪২
- শোনো শোনো ইয়া ইলাহী [তথ্য]
- সঙ্গীতবিজ্ঞান প্রবেশিকা। শ্রাবণ ১৩৪২
- উতল হ'ল শান্ত আকাশ [তথ্য]
প্রমথনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়-কৃত স্বরলিপি-সহ প্রকাশিত
হয়েছিল। [নমুনা]
আগষ্ট ১৯৩৫ (১৬ শ্রাবণ-১৪ ভাদ্র ১৩৪২)
- এই মাসে নজরুলের লিখিত পত্র
- ২৮ আগষ্ট (বুধবার ১১ ভাদ্র ১৩৪২),
সাপ্তাহিক নাগরিক পত্রিকার ১৩৪২ সংখ্যার জন্য রবীন্দ্রনাথের কাছে নজরুল একটি
লেখা চেয়ে চিঠি লেখেন। এর উত্তরে রবীন্দ্রনাথ ১৫ ভাদ্র ১৩৪২ (রবিবার ১
সেপ্টেম্বর ১৯৩৫) 'তীর্থ-পথিক' শিরোনামের একটি কবিতা পাঠান। এই কবিতাটি নাগরিক
পত্রিকার ১৩৪২ বঙ্গাব্দের ২২ বর্ষ ১ম সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল।
[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-কে লেখা পত্র]
- এই মাসে রেকর্ডে প্রকাশিত
গান
- টুইন। এফটি ৪০২৮। কমলা ঝরিয়া
- পরদেশী বধুঁ!ঘুম ভাঙায়ো চুমি' আঁখি
[তথ্য]
- টুইন। এফটি ৪০৩০।
কুমারী বীণাপাণি
- ঝরে বারি গগনে ঝুরু ঝুরু
[তথ্য]
- বুনো ফুলের করুণ সুবাস ঝুরে [তথ্য]
- টুইন। এফটি ৪০৩১।
কুমারী গীতা বসু। রেকর্ড লেবেলে
লেখা আছে-
Rain Song
টুইন। এফটি ৪০৩২।
বেবি (আশরাফি খানম)
টুইন। এফটি ৪০৩৩। শিল্পী: সান্ত্বনা সেন। সুর: কাজী নজরুল ইসলাম।]
টুইন। এফটি ৪০৩৪।
কালী বর্মণ
- আমায় আর কত দিন মহামায়া
[তথ্য]
-
তোর কালো রূপ লুকাতে মা
[তথ্য]
অপরেশ মুখোপাধ্যায়ের রচিত চণ্ডীদাস নাটকটি এই তিনটি রেকর্ডে প্রকাশিত হয়েছিল। এই ৩টি গান ছিল নজরুলের রচিত। রেকর্ড প্রকাশ করেছিল টুইন রেকর্ড কোম্পানি। গানযুক্ত রেকর্ড নম্বর ছিল- ৪০৩৭, ৪০৪৫ এবং ৪০৪৬। গানগুলো হলো-
প্রেমের গোকুলে কুটির বাঁধিব গো
[তথ্য]
টুইন। এফটি ৪০৩৭। শিল্পী: দেবেন বিশ্বাস ও হরিমতি।
শোনালো শ্রবণে শ্যাম শ্যাম নাম
[তথ্য]
এফটি ৪০৪৫। চরিত্র রমা। শিল্পী হরিমতী।
প্রেম আমার জাতি লাজ কুল
[তথ্য]
টুইন। এফটি ৪০৪৬। শিল্পী: দেবেন বিশ্বাস ও হরিমতি।
এই মাসে এইচএমভি থেকে প্রকাশিত নতুন গানগুলো ছিল-
এইচএমভি। এন ৭৩৯৩। মৃণালকান্তি ঘোষ
- খেলিছ এ বিশ্ব লয়ে বিরাট শিশু আনমনে [তথ্য]
- তোমার মহাবিশ্বে কিছু হারায় না তো কভু
[তথ্য]
এইচএমভি থেকে ৬টি রেকর্ডে (রেকর্ড
নম্বর এন ৭৩৯৫-এন ৭৪০০
পর্যন্ত ) মন্মথ
রায়ের রচিত লাইলী মজনু নাটকটি প্রকাশিত হয়েছিল। এই রেকর্ডগুলোতে নজরুলের রচিত
ও সুরারোপিত ১৩টি গান প্রকাশিত হয়েছিল।
গানগুলো হলো-
- এন ৭৩৯৫। লাইলী মজনু। প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড।
- তোমার সজল চোখে লেখা
[তথ্য] ধীরেন দাস ও হরিমতী
- (হায়)
তুমি চলে যাবে দূরে লায়লী
[তথ্য]
- এন ৭৩৯৬। লাইলী মজনু তৃতীয় ও চতুর্থ খণ্ড।
- আবার কেন বাতায়নে
[তথ্য]। লাইলী ও মজনুর গান। শিল্পী: ধীরেন দাস ও হরিমতী।
- এন ৭৩৯৭। লাইলী মজনু। পঞ্চম ও ষষ্ঠ খণ্ড।
- বনের হরিণ বনের হরিণ ওরে কপট চোর [তথ্য]।
মজনুর গান। শিল্পী: ধীরেন দাস
- রূপের কুমার জাগো
[তথ্য]
সুন্দরীদের গান
- এন ৭৩৯৮।
লাইলী মজনু। সপ্তম ও অষ্টম খণ্ড।
- ভোলো ভোলো গো লায়লী
[তথ্য]।
মজনুর গান। শিল্পী: ধীরেন দাস
- আজকে শাদী বাদশাজাদীর
[তথ্য] সাকীর চরিত্র। শিল্পী: ইন্দুবালা।
[শ্রবণ
নমুনা]
- নম্বর এন ৭৩৯৯। লাইলী মজনু। নবম ও দশম খণ্ড।
- পিয়াল তরুতে হেরিয়াছিল
[তথ্য] মজনুর গান। শিল্পী ধীরেন দাস।
-
তোমার বিবাহে আপনার হাতে
[তথ্য] মজনুর গান। শিল্পী ধীরেন দাস।
- বরের বেশে আসবে জানি [তথ্য]
লায়লীর গান। শিল্পী হরিমতী
-
তোমার ডাক শুনেছি
[তথ্য] মজনুর গান। শিল্পী: ধীরেন দাস
- নম্বর এন ৭৪০০। লাইলী মজনু। একাদশ ও চতুর্দশ খণ্ড।
- লায়লী গো এসো এসো [তথ্য] মজনুর গান। ধীরেন দাস
-
তোমার কবরে প্রিয় মোর তরে
[তথ্য] মজনুর গান। ধীরেন দাস
এই মাসে বাতিলকৃত রেকর্ড
- হেমন্তিকা এসো এসো [তথ্য] শিল্পী:
ইন্দুবালা। রেকর্ডটি পরে বাতিল হয়ে গিয়েছিল।- স্নিগ্ধ-শ্যাম-বেণী-বর্ণা
এসো মালবিকা [তথ্য] শিল্পী দেবেন বিশ্বাস।
রেকর্ডটি পরে বাতিল হয়ে গিয়েছিল।
- ফিরে আয় ঘরে ফিরে
[তথ্য]
শিল্পী: কমলা দেবী। রেকর্ডটি পরে বাতিল হয়ে যায়]
- লীলা-চঞ্চল ছন্দ দোদুল চল -চরণা
[তথ্য]
শিল্পী: মিস মাণিক মালা। রেকর্ডটি পরে বাতিল হয়ে যায়।
এই মাসে পত্রিকায় প্রকাশিত রচনা
- মোহাম্মদী। ভাদ্র ১৩৪২। হাসির গান কর্থ্য ভাষা
আমি কর্থ্য ভাষা (কর্থ্য ভাষা কইতে নারি) [তথ্য]
সেপ্টেম্বর ১৯৩৫ (১৫ ভাদ্র-১৩ আশ্বিন ১৩৪২)
আগেই উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২৮ আগষ্ট (বুধবার ১১ ভাদ্র ১৩৪২),
সাপ্তাহিক নাগরিক পত্রিকার ১৩৪২ সংখ্যার জন্য রবীন্দ্রনাথের কাছে নজরুল একটি
লেখা চেয়ে চিঠি লেখেন। এর উত্তরে রবীন্দ্রনাথ ১৫ ভাদ্র ১৩৪২ (রবিবার ১
সেপ্টেম্বর ১৯৩৫) 'তীর্থ-পথিক' শিরোনামের একটি কবিতা পাঠান। এই কবিতাটি নাগরিক
পত্রিকার ১৩৪২ বঙ্গাব্দের ২২ বর্ষ ১ম সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল।
৩ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার ১৭ ভাদ্র ১৩৪২), নজরুল কলকাতার ৩৯
সীতানাথ রোড থেকে পাবনা-নিবাসী কবি মাহমুদা খাতুন সিদ্দিকীকে একটি চিঠি লেখেন।
মাহমুদা খাতুন সিদ্দিকা-কে লেখা পত্র]
এই মাসে সঞ্চিতা কাব্যগ্রন্থে সংকলিত 'বিদ্রোহী' 'কাণ্ডারী' 'হুঁশিওয়ার'
ও ধীবরের গান' প্রচার বন্ধ করার জন্য সরকার নির্দেশ জারি করে
১৮ সেপ্টেম্বর (বুধবার ১ আশ্বিন ১৩৪২) নজরুলের সাথে
এইচএমভি রেকর্ড কোম্পানির এই
চুক্তি হয়। এই সূত্রে চুক্তিতে যে সকল গান পাওয়া যায়, সেগুলো হলো-
- অন্তরে তুমি আছ চিরদিন [তথ্য]
- অন্ধকারে এসে তুমি [তথ্য]
- আমার ধ্যানের ছবি আমার হজরত [তথ্য]
- আমার বিফল পূজাঞ্জলি [তথ্য]
- আমার যাবার সময় হলো, দাও বিদায়
[তথ্য]
- উতল হ'ল শান্ত আকাশ [তথ্য]
- একলা জাগি তোমার বিদায় [তথ্য]
- ওহে ভ্যাবাকান্ত! দাও হে গান
[তথ্য]
- কার ঝর ঝর বর্ষণ বাণী (ঝর ঝর বর্ষণ বাণী)
[তথ্য]
- কল কল্লোল ত্রিংশ কোটি কণ্ঠে উঠেছে গান
[তথ্য]
- কাছে আমার নাই-বা এলে
[তথ্য]
- জাগো অমৃত পিয়াসী চিত আত্মা অনিরুদ্ধ
[তথ্য]
- জ্বালো দেয়ালী জ্বালো
[তথ্য]
- চীন আরব হিন্দুস্থান
[তথ্য]
- ঝড় এসেছে ঝড় এসেছে
[তথ্য]
- তব মাধবী লীলায় কর (মাধবী লীলায় কর)
[তথ্য]
- তুমি যখন এসেছিলে
[তথ্য]
- তোমার বীণার মূর্ছনাতে বাজাও
[তথ্য]
- নতুন চাঁদের তকবির শোন্ (কোরবানি দে তোরা)
[তথ্য]
- নয়নে তোমার ভীরু মাধুরীর মায়া
[তথ্য]
- নাই চিনিলে আমায় তুমি
[তথ্য]
এই গানের রচনার উৎস সম্পর্কে জানা যায়- আসাদুল হকের রচিত 'নজরুলের শ্রুতিধর
ধীরেন দাস' গ্রন্থ থেকে। এই গ্রন্থের ৫৩ পৃষ্ঠায় ধীরেন দাসের স্মৃতিচারণ অনুসারে
উল্লেখ করা হয়েছে-
"আমি [ধীরেন্দ্রনাথ
দাস] এ সময় কোলকাতা বেতারের নিয়মিত
কণ্ঠশিল্পী ছিলাম। প্রতি মাসেই একাধিকবার
আমাকে গান পরিবেশন করতে হতো। একদিনের কথা, আমি গান পরিবেশন
করে স্টুডিও থেকে বের হয়ে যাচ্ছি এমন সময় বেতার অফিসের ডিউটি অফিসার আমাকে ডেকে নিয়ে একটি এনভেলপ দিয়ে বললেন কয়েকদিন আগে চিঠিটি
বেতার অফিসের ঠিকানায় এসেছে। তাঁর হাত থেকে চিঠিটি নিয়ে আমি রাস্তায় গিয়ে
দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাম গাড়ীতে বসে যেতে যেতে চিঠিটি খুলে পড়তে লাগলাম। রেডিওতে আমার গান শুনে কোন প্রেমিকা যুবতী আমার প্রেমে
পড়েছে ও আমাকে তার প্রেম নিবেদন করেছে। নানা সুন্দর সুন্দর কথায় ও
নানা রূপে। ইতিমধ্যে বার কয়েক ওলট পালট করে পত্রটি আমার পড়া হয়ে গেল। প্রেমিকা আমাকে না দেখেই আমার কণ্ঠের গান শুনে আমাকে সে কল্পনা
করে নিয়েছে আমার নাক কেমন, কেমন আমার চোখ, আমার গায়ের রঙইবা
কেমন, ইত্যাদি। তাছাড়া আমার উচ্চতা কত আরো কত কি। এ সবই তার
কল্পলোকের কল্পনা। তাই তার চিঠিতে আমার কাছে তার প্রেম নিবেদন করে
তার কল্পলোকের প্রেমিককে একবার দেখতে চায়। কোথায় কেমন করে সে
আমাকে দেখবে দুটো কথা বলবে এটাই তার প্রস্তাব।
ট্রাম থেকে নেমে গেলাম গ্রামোফোন কোম্পানীতে দেখা হলো
কাজীদার সাথে। আমাকে দেখেই কাজীদা আমাকে বললেন, 'কি রে, কি হয়েছে
তোর? তোকে খুব উৎফুল্প মনে হচ্ছে? ব্যাপার কি?' ... 'আমি মুখে কিছু না বলে পকেটে রাখা পত্রটি
বের করে কাজীদার হাতে দিলাম। কাজীদা আমার হাত থেকে পত্রটি নিয়ে আদ্যপান্ত পড়লেন। কি ভাবলেন জানিনা। আমাকে হাত ধরে নিয়ে গেলেন
তিন তলার খাস কামরায়। কামরায় দরজা বন্ধ করে আমাকে পাশে বসিয়ে কি
যেন খসখস করে লিখে চললেন দ্রুত গতিতে। লেখার সাথে সাথে মাঝে মধ্যে
গুণগুণ করে সুর ভাজেন আবার লেখেন। শেষ পর্যন্ত রচনা করলেন একটি গান।
সুর, তাল,লয় সুসম সমন্বয়ে এনে পরে আমাকে গানটি শেখালেন। গানটি
শেখানোর পরে আমাকে বললেন, আমি যেন আমার আগামী বেতারের কোন
অনুষ্ঠানে এ গানটি প্রচার করি। সহজ সরল কথা মালায় ও অভিনব সুর
সংযোজনায় ভরপুর গানটি আমি কাজীদার নিকট থেকে শিখে নিলাম । আমি
আমার পরের বেতার অনুষ্ঠানে এই গানটি প্রচার করি।'
- নামাজ রোজা হজ্ জাকাতের
[তথ্য]
- প্রভাত বীণা তব বাজে হে
[তথ্য]
- বন্ধু রে, বন্ধু,পরান বন্ধু (দূরের বন্ধু আছে আমার)
[তথ্য]
- ভ্যাক্ত তব ডাকে মেনকা নন্দিনী [তথ্য]
- মন দিয়ে যে দেখি তোমায়
[তথ্য]
- মম প্রাণ-শতদল হোক প্রণামী-কমল (ওগো) তব চরণে
[তথ্য]
- যা সখি যা তোরা গোকূলে ফিরে
[তথ্য]
- হাতে হাত দিয়ে আগে চল্
[তথ্য]
- হে মহামৌনী তব প্রশান্ত গম্ভীর বাণী
[তথ্য]
১৯৩৫ খ্রিষ্টাব্দের সেপ্টেম্বর মাসে প্রকাশিত
রেকর্ড-কৃত গানের তালিকা
- এইচএমভি। সেপ্টেম্বর ১৯৩৫। এন ৭৪০৫। শিল্পী: মড কস্টেলো
- নিশি না পোহাতে যেয়ো না
[তথ্য]
- বিকাল বেলার ভূঁইচাঁপা গো সকাল বেলার যুঁই [তথ্য]
- এইচএমভি। সেপ্টেম্বর ১৯৩৫। এন ৭৪০৬। ইন্দুবালা
- ও কে উদাসী বেণু বাজায়
[তথ্য]
- শুধু নামে যাহার এত মধু
[তথ্য]
- এইচএমভি। সেপ্টেম্বর ১৯৩৫। এন ৭৪১১। রঞ্জিতকুমার রায়
-
ওগো দু'পেয়ে জীব ছিল গদাই
[তথ্য]
- বলি মাথা খাস্ রাধে
[তথ্য]
- এইচএমভি। সেপ্টেম্বর ১৯৩৫। এন ৭৪১৪। শিল্পী: মিস প্রমোদা
- গাহে আকাশ পবন নিখিল ভবন
[তথ্য]
- হে মোর স্বামী,অন্তর্যামী [তথ্য]
- টুইন। সেপ্টেম্বর ১৯৩৫। এফটি ৪০৭৪। শিল্পী
আব্দুল লতিফ
- তুমি লহ প্রভু আমার সংসারেরি ভার
[তথ্য]
- আমি বাঁধন যত খুলিতে চাই [তথ্য]
- টুইন। সেপ্টেম্বর ১৯৩৫। এফটি ৪০৭৫। শিল্পী আব্বাস উদ্দিন
- উঠুক তুফান পাপ-দরিয়ায় [তথ্য]
- মোহাম্মদ মোর নয়ন-মণি
[তথ্য]
- টুইন। সেপ্টেম্বর ১৯৩৫। এফটি ৪০৭৬। শিল্পী: মিস্ সত্যবালা
- হে চির সুন্দর বিশ্ব চরাচর [তথ্য]
- নারায়ণ! নারায়ণ! যে নামে জপে [তথ্য]
এই মাসে বাতিলকৃত রেকর্ড
- বৈকালি সুরে গাও চৈতালি গান [তথ্য]
এইচএমভি।
সুরেন্দ্র চক্রবর্তী
- সজল হাওয়া কেঁদে বেড়ায় [তথ্য]
এইচএমভি।
মিস সত্যবতী
এই মাসে পত্রিকায় প্রকাশিত রচনা
-
মোহাম্মদী
। আশ্বিন ১৩৪২
- ওগো দু'পেয়ে জীব ছিল গদাই
[তথ্য]
- ভারতবর্ষ। আশ্বিন ১৩৪২। প্রমথনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়-কৃত স্বরলিপি-সহ প্রকাশিত
হয়েছিল।
-
দেখে যা রে রুদ্রাণী মা সেজেছে
[তথ্য]
অক্টোবর ১৯৩৫ (১৪ আশ্বিন-১৪ কার্তিক ১৩৪২)
- এই মাসে রেকর্ডে প্রকাশিত রচনা
- মেগাফোন। জেএনজি ২০৯। শিল্পী: ফুল্লনলিনী
- যেন ফিরে না যায় এসে [তথ্য]
- টুইন। এফটি ৪১০১। রেণু ও দেবেন বিশ্বাস
- এসো মা দশভুজা [তথ্য]
- ভুবনময়ী ভবনে এসো [তথ্য]
- টুইন। এফটি ৪১০২। রেণু বিশ্বাস
- আমি দ্বার খুলে আর রাখব না
[তথ্য]
- টুইন। এফটি ৪১০৩। শিল্পী: নারায়ণ দাস বসু
- বঁধু সেদিন নাহিক আর [তথ্য]
- শোনালো শ্রবণে শ্যাম শ্যাম নাম
[তথ্য]
- টুইন। এফটি ৪১০৪। কুমারী রেবা সোম ও হেমচন্দ্র সোম
- আকুল ব্যাকুল ঢুঁড়ত ফিরু শ্যাম
(য়্যাকুল ব্যাকুল) [তথ্য]
- মেরে শ্রীকৃষ্ণ ধরম শ্রীকৃষ্ণ করম
[তথ্য]
- টুইন। এফটি ৪১০৫। আশালতা রায়
- সন্ধ্যা হলো ওগো রাখাল
[তথ্য]
- হায় ভিখারি কাহার কাছে
[তথ্য]
- টুইন। এফটি ৪১০৬। সিদ্ধেশ্বর মুখোপাধ্যায়
- চোখে চোখে চাহ যখন [তথ্য]
-
তোমার বীণার মূর্ছনাতে বাজাও
[তথ্য]
- টুইন। এফটি ৪১০৭।
কমলা চ্যাটার্জি ও ইন্দু সেন
- লক্ষ্মী মাগো এসো ঘরে
[তথ্য]
-
হেমন্তিকা এসো এসো [ইন্দু সেন]
[তথ্য]
- টুইন। এফটি ৪১০৮। শিল্পী গণি মিঞা (ধীরেন দাস)
- লহ সালাম লহ দ্বীনের বাদশাহ
[তথ্য]
- কবিতা। হজরতের মহানুভবতা
-
এইচএমভি।
এন ৭৪১৬। বাংলার ছেলেমেয়ে [কমল দাশগুপ্ত, সুবল দাশগুপ্ত সুধীরা দাশগুপ্ত ও
ইন্দিরা দাশগুপ্ত]
- এসো আনন্দিতা ত্রিলোক-বন্দিতা
[তথ্য]
- ওরে আলয়ে আজ মহালয়া (এলো মা আমার মা) [তথ্য]
- এইচএমভি। এন ৭৪১৭। আঙুরবালা
- ওগো পূজার থালায় আছে আমার
[তথ্য]
- এইচএমভি। এন ৭৪১৮। হরিমতি
- কিশোরী মিলন বাঁশরি
[তথ্য]
- রাসমঞ্চে দোল-দোল লাগে রে [তথ্য]
- এইচএমভি। এন ৭৪২১। মৃণালকান্তি ঘোষ
- বল্ রে জবা বল্ [তথ্য]
এই গানটি রচনার প্রেক্ষাপট সম্পর্কে জানা যায়- আসাদুল হকের রচিত 'নজরুলের
শ্রুতিধর ধীরেন দাস' গ্রন্থে। লেখক ধীরেন দাসের সর্বকনিষ্ঠ পুত্র হিমাদ্রী
দাসের উদ্ধৃতিতে লিখেছেন-
'...তাঁদের বাবা, ধীরেন দাস একদিন অনুপ কুমারকে কথায় কথায়
বলেছিলেন, একদিন বিশেষ কোন কাজে খুব সকালে গিয়েছিলেন গ্রামোফোন
কোম্পানীর রিহার্সেল অফিসে । তখন কাজী তাঁর কোন জরুরী কাজের জন্য ওখানে
ছিলেন। প্রতিদিনের মতো সকাল বেলা উড়িয়া ঠাকুর (পুরোহিত) এসেছে পূজা
করতে পুরোহিতের ডালিতে ছিল নানা রকমের ফুল। বিভিন্ন দেবতাকে বিভিন্ন
ফুলের পুজা করছেন। কাজীদা আপন মনে পুরোহিতের এই পূজা পর্ব প্রত্যক্ষ
করছেন। সব পুজার শেষে পুরোহিতের হাতের ডালিতে পড়ে আছে মাত্র একটি
রক্তজবা ফুল। এই ফুলটি পুরোহিত মা কালীর পায়ে দিয়ে পূজা পর্ব শেষ করে
চলে
গেল। হঠাৎ কাজীদা আমাকে জিজ্ঞনা করলেন, আচ্ছা ধীরু (নজরুল বাবাকে এই
নামেই ডাকতেন) সব দেবতাই যে কোন ফুলেই তুষ্ট, তবে কালী ঠাকরুণ কেন
শুধুই জবা ফুলে তুষ্ট হন। আমার উত্তরের অপেক্ষা না করেই কাজীদা হন হন
করে উঠে গেলেন ওপরে তার নিজের কামরায় । আমি অবাক হয়ে কিছু সময়
তার এই চলে যাওয়ার পথের দিকে তাকিয়ে ভাবতে লাগলাম, কাজীদা
হঠাৎ এমন করে চলে গেলেন কেন? তারপর আমি আমার প্রয়োজনীয় কাজগুলো
প্রায় শেষ করেছি এমন সময় দেখলাম কাজীদা ওপর থেকে নিচে নেমে এলেন সোজা
আমার রুমে, আমার সামনে দীড়িয়ে বললেন, 'ধীরু, লিখে ফেলেছি।' কাজীদার
হাত থেকে কাগজটি নিয়ে দেখলাম একটি অপূর্ব গান (শ্যামা সঙ্গীত)। গানের
বাণী নিম্নরূপ: 'শ্যামা সঙ্গীত/দেশ মিশ্র দাদরা/ বল জবা বল...'
['নজরুলের শ্রুতিধর ধীরেন দাস'।
আসাদুল হক। হাতে খড়ি/ঢাকা। জানুয়ারি ২০০৪।
পৃষ্ঠা: ৫৫।
- মহাকালের কোলে এসে
[তথ্য]
- এইচএমভি।
এন ৭৪২২। বিমল গুপ্ত
- এইচএমভি।
এন ৭৪২৩।
- আসিছেন হাবিব-এ খোদা [তথ্য] আব্বাস উদ্দীন ও কে মল্লিক
- মরু সাহারা আজি মাতোয়ারা
[তথ্য] কে মল্লিক
- এইচএমভি। অক্টোবর ১৩৩৫। নজরুলের রচিত
শ্রীমন্ত নাটক প্রকাশিত হয়েছিল। ছয়
খণ্ডের এই নাটকটি ৩টি রেকর্ডে প্রকাশিত হয়েছিল। রেকর্ড নম্বরগুলো ছিলো- এন ৭৪২৪
থেকে ৭৪২৬। এই নাটকে ৪টি গান ব্যবহৃত হয়েছিল।
- এন ৭৪২৪। প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড।
- ভবানী শিবানী দশপ্রহরণধারিণী
[তথ্য]
।
শ্রীমন্তের গান। শিল্পী: হরিমতী।
- এন ৭৪২৫। তৃতীয় ও চতুর্থ খণ্ড।
- সোনার চাঁপা ভাসিয়ে দিয়ে
[তথ্য] মাঝির গান। শিল্পী: রঞ্জিৎ রায়
- মাকে আমার এলাম ছেড়ে
[তথ্য] শ্রীমন্তের
গান। শিল্পী: হরিমতী
- এন ৭৪২৬। পঞ্চম ও ষষ্ঠ খণ্ড।
- জয় দুর্গা,দুর্গতি নাশিনী
[তথ্য]
শিল্পী: হরিমতী ও রঞ্জিৎ রায়
এই মাসে বাতিলকৃত রেকর্ড
- মনে রাখার দিন গিয়েছে
[তথ্য]
শিল্পী: আবদুল লতিফ। রেকর্ডটি প্রকাশিত হয় নি।
-
ঘুমাও ঘুমাও দেখিতে এসেছি [তথ্য]
এইচএমভি। শিল্পী:
কমল দাশগুপ্ত । রেকর্ডটি বাতিল হয়ে গিয়েছিল।
এই মাসে পত্রিকায় প্রকাশিত রচনা
- ভারতবর্ষ। কার্তিক ১৩৪২
- তৃষিত আকাশ কাঁপে রে [তথ্য]
- সমাচার। শারদীয়া সংখ্যা ১৩৪২
- আমার বিফল পূজাঞ্জলি
[তথ্য]
নভেম্বর ১৯৩৫ (১৫ কার্তিক -১৪ অগ্রহায়ণ ১৩৪২)
- এই মাসে রেকর্ডে প্রকাশিত গান
- মেগাফোন। জেএনজি ২২২। শিল্পী: শৈলেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য
- মেগাফোন। জেএনজি ২২৫। শিল্পী: আঙুরবালা (টেঁপি)
- এসো বঁধু ফিরে এসো [তথ্য]
- কত কথা ছিল বলিবার, বলা হলো না [তথ্য]
- টুইন। এফটি ৪১১৪। শিল্পী: জগন্নাথ মুখোপাধ্যায়
- অন্ধকারে তীর্থপথে [তথ্য]
-
শত জনম আঁধারে আলোকে [তথ্য]
- টুইন। এফটি ৪১১৬। শিল্পী: কালীপদ সেন
- এইচএমভি।
এন ৭৪৩০। শিল্পী: মিস অনিমা বাদল
- গলে টগর মালা কাদের ডাগর মেয়ে
[তথ্য]
- এইচএমভি।
এন ৭৪৩১। শিল্পী: ইন্দুবালা
- কাছে আমার নাই-বা এলে
[তথ্য]
- তুমি যখন এসেছিলে
[তথ্য]
- এইচএমভি।
এন ৭৪৩১। শিল্পী: গোপালচন্দ্র সেন্র সেন
- ওগো পিয়া তব অকরুণ ভালোবাসা [তথ্য]
- মালার ডোরে বেঁধো না গো
[তথ্য]
- এইচএমভি। এন ৭৪৩৪। শিল্পী: কমল দাশগুপ্ত
- কিশোরী সাধিকা রাধিকা শ্রীমতী
[তথ্য]
এই মাসে বাতিলকৃত রেকর্ড
- এইচএমভি।
[নভেম্বর ১৯৩৫
(কার্তিক-অগ্রহায়ণ ১৩৪২ )।
রেকর্ডটি বাতিল হয়ে গিয়েছিল।
ভুল করে যদি ভালোবেসে থাকি
[তথ্য]
[নমুনা]
এই মাসে পত্রিকায় প্রকাশিত রচনা
- সঙ্গীতবিজ্ঞান প্রকাশিকা। অগ্রহায়ণ ১৩৪২
ডিসেম্বর ১৯৩৫ (১৫ অগ্রহায়ণ -১৫ পৌষ ১৩৪২)
-
সুভদ্রা
১৯৩৫ খ্রিষ্টাব্দের ডিসেম্বর মাসে
(অগ্রহায়ণ-পৌষ ১৩৪২), এইচএমভি
রেকর্ড কোম্পানি থেকে বরদাপ্রসন্ন দাশগুপ্তের লেখা রেকর্ড নাটক 'সুভদ্রা'
প্রকাশিত হয়েছিল। রেকর্ড নম্বর এন ৭৪৪৯-৭৪৫৭। এই নাটকে নজরুলের ৬টি গান ছিল। এর
ভিতরে ১টি গান পূর্বে প্রকাশিত হয়েছিল। এই গানটি হলো-নমো নারায়ণ অনন্ত লীলা
নমো[তথ্য]। বাকি ৫টি গান ছিল নতুন। এই ৫টি গান হলো-
- আমি ভুলিতে পারি না সেই দূর [তথ্য]
এন ৭৪৪৯। নাটিকা:
সুভদ্রা। নাট্যকার: বরদাপ্রসন্ন দাশগুপ্ত। চরিত্র: ঊর্বশী। শিল্পী:
আঙুরবালা]
-
আমার লীলা বোঝা ভার [তথ্য]
এন ৭৪৫৪। নাটিকা: সুভদ্রা। নাট্যকার: বরদাপ্রসন্ন
দাশগুপ্ত। চরিত্র: বালকবেশী শ্রীকৃষ্ণ। শিল্পী: পদ্মাবতী]
- জয় জয় মা গঙ্গা পতিত পাবনী
[তথ্য]
এন ৭৪৫১। নাটিকা: সুভদ্রা। নাট্যকার: বরদাপ্রসন্ন
দাশগুপ্ত। চরিত্র: সহচরীগণের]
- তুমি রাজা নহ শুধু দ্বারকার [গান-১৯১৯]
[তথ্য]
এন ৭৪৪৯। নাটিকা: সুভদ্রা। নাট্যকার: বরদাপ্রসন্ন দাশগুপ্ত।
কৃষ্ণকুমারীদের গান]
-
তোমারি চরণে শরণ যাচি হে
[তথ্য]
এন ৭৪৫৬। নাটিকা: সুভদ্রা। নাট্যকার: বরদাপ্রসন্ন
দাশগুপ্ত। উর্বশীর গান। শিল্পী: আঙুরবালা]
১৯৩৫ খ্রিষ্টাব্দের ১২ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার ২৬ অগ্রহায়ণ ১৩৪২)
টুইন রেকর্ড কোম্পানির সাথে নজরুলের গান রেকর্ডের বিষয় চুক্তি হয়েছিল। এই চুক্তিতে
যে সকল গান ছিল। সেগুলো হলো-
-
আমার ঘরের মলিন দীপালোকে
[তথ্য]
-
আমার মোহাম্মদের নামের ধেয়ান
[তথ্য]
-
এ কি অপরূপ রূপের কুমার
[তথ্য]
-
একটুখানি দাও অবসর (মোরে একটুখানি দাও অবসর)
[তথ্য]
-
এলে তুমি কে, কে ওগো
[তথ্য]
-
ওগো নন্দদুলাল নাচে ছন্দ তালে
[তথ্য]
- কার ঝর ঝর বর্ষণ বাণী ( ঝর ঝর বর্ষণ বাণী)
[তথ্য]
- জ্বালিয়ে আবার দাও
[তথ্য]
-
তুমি আমারে কাঁদাও
[তথ্য]
-
তোমায় দেখি নিতুই চেয়ে
[তথ্য]
-
তোমার আঘাত শুধু দেখলো ওরা
[তথ্য]
-
নম নারায়ণ অনন্তলীলা নমো
[তথ্য]
-
নীল যমুনা সলিল কান্তি (কালো কালিন্দী)[তথ্য]
-
পথিক বন্ধু এসো এসো পাপড়ি ছাওয়া পথ বেয়ে
[তথ্য]
-
প্রিয়তম হে,আমি যে তোমারি [নজরুল ইসলাম]
[তথ্য]
-
বন-দেবী জাগো সহকার-করে বাঁধো [তথ্য]
-
বরণ করে নিও না গো
[তথ্য]
-
শ্রী রঘুপতিরাম লহ প্রণাম
[তথ্য]
- হায় ভিখারি কাহার কাছে
[তথ্য]
- হে নামাজী আমার ঘরে [তথ্য]
১৯৩৫ খ্রিষ্টাব্দের ২১ ডিসেম্বর শনিবার (৫ পৌষ ১৩৪২) এইচএমভি
রেকর্ড কোম্পানির সাথে নজরুলের গান রেকর্ডের বিষয় চুক্তি হয়েছিল। এই চুক্তিতে
যে সকল গান ছিল। সেগুলো হলো-
-
ও কে উদাসী বেণু বাজায়
[তথ্য]
-
কিশোরী মিলন বাঁশরি
[তথ্য]
-
কিশোরী সাধিকা রাধিকা শ্রীমতী [তথ্য]
-
গাহ নাম অবিরাম কৃষ্ণনাম কৃষ্ণনাম [তথ্য]
-
তুমি দিয়েছ দুঃখ-শোক-বেদনা
[তথ্য]
-
বিকাল বেলার ভুঁইচাঁপা গো
[তথ্য]
-
মালার ডোরে বেঁধো না গো
[তথ্য]
এই মাসে রেকর্ডে প্রকাশিত গান
- টুইন। ডিসেম্বর ১৯৩৫। এফটি ৪১৭১।
শিল্পী কুমারী পদ্মরাণী
গাঙ্গুলী।
- জাগো মালবিকা ! জাগো মালবিকা !
[তথ্য]
-
একটুখানি দাও অবসর (মোরে একটুখানি দাও অবসর)
[তথ্য]
- টুইন। ডিসেম্বর ১৯৩৫। এফটি ৪১৭২। শিল্পী দেবেন বিশ্বাস
- কে বলে মোর মাকে কালো
[তথ্য]
- মাগো আমি তান্ত্রিক নই
[তথ্য]
- টুইন। ডিসেম্বর ১৯৩৫। এফটি ৪১৭৬। শিল্পী আব্দুল লতিফ
- এইচএমভি। ডিসেম্বর ১৯৩৫। নম্বর ৭৪৪৩। শিল্পী: আঙুরবালা। সুর: নজরুল ইসলাম
-
অন্তরে তুমি আছ চিরদিন [তথ্য]
- আমার বিফল পূজাঞ্জলি [তথ্য]
- এইচএমভি। ডিসেম্বর ১৯৩৫। এন ৭৪৪৭।
শিল্পী: কল্যাণ গুপ্ত
- মন দিয়ে যে দেখি তোমায়
[তথ্য]
- সুন্দর অতিথি এসো
[তথ্য]
- এইচএমভি। ডিসেম্বর ১৯৩৫। এন ৭৪৪৮। শিল্পী: আব্বাস উদ্দিন।
- এলো আবার ঈদ ফিরে [তথ্য]
- যাবার বেলায় সালাম লহ
[তথ্য]
- এইচএমভি। ডিসেম্বর ১৯৩৫। এন ৭৪৫৮। শিল্পী প্রমোদা দেবী
- সজনে তলায় ও সজনী
[তথ্য]
- দেখলে তোমায় বাসতে ভালো হয়
[তথ্য]
এই মাসে বাতিলকৃত রেক্র্ডের গান
- টুইন শিল্পী: রণজিৎ মণ্ডল।
-
যখন আমার কুসুম ঝরার বেলা
[তথ্য]
এই মাসে পত্রিকায় প্রকাশিত রচনা
জানুয়ারি ১৯৩৬ (১৬ পৌষ-১৭ মাঘ ১৩৪২)
- এই মাসে নজরুলের লেখা চিঠিপত্র:
- ১৩ জানুয়ারি (সোমবার ২৮ পৌষ ১৩৪২), নজরুল রাঁচীর হিনু থেকে নজরুল
জসীমউদ্দীনকে চিঠি লেখেন।
[
কবি জসীমউদ্দীনকে লেখা পত্র]
১৭ জানুয়ারি (সোমবার ৩ মাঘ ১৩৪২), নজরুল গ্রামোফোন ক্লাব, ১০৬ আপার
সার্কুলার রোড, কলকাতা থেকে অতুলচন্দ্র দত্তকে রায় এ্যান্ড রায়চৌধুরীকে লেখা
চিঠিতে ১০০ টাকা হাওলাত দেওয়ার অনুরোধ করেন।
[
অতুলচন্দ্র দত্তকে লেখা পত্র]
২১ জানুয়ারি (মঙ্গলবার ৭ মাঘ ১৩৪৪২), নজরুল তাঁর 'রুবাইয়াৎ-ই-হাফিজ'
অনুবাদ গ্রন্থের একটি কপি রবীন্দ্রনাথকে উপহার দেন। এর উৎসর্গ অংশে নজরুল লিখেছিলেন-
'শ্রীশ্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের করকমলে। প্রণত ৭ই মাঘ, ১২৪২ সন।'
২৭ জানুয়ারি (সোমবার ১৩ মাঘ ১৩৪৪২), ফরিদপুর জেলা মুসলিম ছাত্র সম্মিলনীতে যোগ দিতে
আমন্ত্রিত হয়ে নজরুল ফরিদপুর শহরে আসেন। তাঁর আগমনে স্থানীয় ছাত্র-জনতার মধ্যে
বিপুল উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়। ফরিদপুর টাউন হলে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে নজরুল সভাপতিত্ব
করেন। সভায় বিভিন্ন বক্তা নজরুলে অভিনন্দন জানান। সভার শেষ পেয়ে সভাপতি হিসেবে
নজরুল 'বাংলার মুসলিমকে বাঁচাও' নামে এক লিখিত আবেগোচ্ছল ও অবিস্মরণীয় ভাষণ দেন।
এরপর ফরিদপুরে তিনি কয়েকদিন কাটান। এই সময় তিনি ফরিদপুরের কয়েকটি অনুষ্ঠানে গান
পরিবেশন করেন।
এই মাসে মন্মথ রায়ের রচিত 'নরমেধ' নামক একটি রেকর্ড প্রকাশ করেছিল টুইন রেকর্ড
কোম্পানি। এই নাটকে নজরুলের রচিত মোট ৫টি গান ব্যবহৃত হয়েছিল। এর ভিতরে '
তুমি দুখের বেশে এলে'
গানটি পূর্বে 'চন্দ্রবিন্দু' গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়েছিল।
- ওগো ঠাকুর! বলতে পার
[তথ্য]
এফটি ৪২০৯। চরিত্র: কুশধ্বজ। শিল্পী হরিমতী।
- দাও আরো আরো দাও সুরা
[তথ্য]
এফটি ৪২০৬। চরিত্র: নর্তকীর গীত।
- ঠাকুর তোমায় মালা দেব
[তথ্য]
এফটি ৪২০৬। চরিত্র: মণিমালা ও কুশধ্বজ। শিল্পী তারকবালা ও হরিমতী।
- তুমি দুখের বেশে এলে [তথ্য]
এফটি ৪২১০। শিল্পী: দেবেন বিশ্বাস
- হে গোবিন্দ,হে গোবিন্দ ও রাঙা
[তথ্য]
এফটি ৪২১১। সমবেত গান। শিল্পী: নরেশচন্দ্র মিত্র, ইন্দু সেন,
ধীরেন্দ্রনাথ প্রমুখ
এই মাসে রেকর্ডে প্রকাশিত অন্যান্য গান
- টুইন। জানুয়ারি ১৯৩৬। এফটি ৪২১২।
শিল্পী: রেণু বসু
-
তুমি আমারে কাঁদাও
[তথ্য]
-
এ কি অপরূপ রূপের কুমার [তথ্য]
- টুইন। জানুয়ারি ১৯৩৬। এফটি ৪২১৩। শিল্পী: নিতাই ঘটক
- টুইন। জানুয়ারি ১৯৩৬। এফটি ৪২১৪। শিল্পী: কুমারী নিশারাণী গুপ্ত
- তোমার দেওয়া ব্যথা সে যে [তথ্য]
- প্রিয়তম হে,আমি যে তোমারি
[তথ্য]
- টুইন। জানুয়ারি ১৯৩৬। এফটি ৪২১৫। ইন্দু সেন ও রেণুবালা
- তোমায় দেখি নিতুই চেয়ে
[তথ্য]
-
এলে তুমি কে, কে ওগো
[তথ্য]
- টুইন। জানুয়ারি ১৯৩৬। এফটি ৪২১৬। আব্বাস উদ্দীন আহমদ
- ওরে ও-দরিয়ার মাঝি
[তথ্য]
-
শোনো শোনো ইয়া ইলাহী [তথ্য]
-
এইচএমভি। জানুয়ারি ১৯৩৬। এন ৭৪৭২। শিল্পী: বীণাবাদিনী দেবী (মধুপুর)
-
হে মহামৌনী তব প্রশান্ত গম্ভীর বাণী
[তথ্য]
- মম প্রাণ-শতদল হোক প্রণামী-কমল (ওগো) তব চরণে
[তথ্য]
- এইচএমভি। জানুয়ারি ১৯৩৬। এন ৭৪৭৭। শিল্পী: রঞ্জিত রায়
- উচ্ছে নহে, ঝিঙে নহে, নহে সে পটল [তথ্য]
- ও তুই উল্টা বুঝ্লি রাম [তথ্য]
- এইচএমভি। জানুয়ারি ১৯৩৬। এন ৭৪৭৮। শিল্পী: রওশন আরা বেগম
-
আমার ধ্যানের ছবি আমার হজরত
[তথ্য]
-
নতুন চাঁদের তকবির শোন্ (কোরবানি দে তোরা)
[তথ্য]
এই মাসে পত্রিকায় প্রকাশিত গান
- ভারতবর্ষ। মাঘ ১৩৪২।
দক্ষিণ সমীরণ সাথে বাজো বেণুকা
[তথ্য]।
কথা ও সুর নজরুল ইসলাম। স্বরলিপি জগৎ ঘটক।
ফেব্রুয়ারি ১৯৩৬
(১৮ মাঘ -১৬ ফাল্গুন ১৩৪২)
এই মাসে নজরুল বাসা বদল করে সীতানাথ রোডের বাসায় ওঠেন।
এই মাসে কলকাতা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত হয়েছিল 'জীবনস্রোত' নামক
গীতি-আলেখ্য।
- জীবনস্রোত (গীতি-আলেখ্য)
১৯৩৬
খ্রিষ্টাব্দের ২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দ (১৪ ফাল্গুন ১৩৪২)
তারিখে কলকাতা বেতার কেন্দ্র থেকে
'জীবনস্রোত'
গীতি আলেখ্য অনুষ্ঠানে গানটি সম্প্রচারিত হয়েছিল। এই গীতি আলেখ্য সম্পর্কে ১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দের
২রা ফেব্রুয়ারি বেতার জগতে একটি পরিচিতি দেওয়া হয়েছিল। এই পরিচিতিতে বলা হয়েছিল-
'২৭শে ফেব্রুয়ারী রাত্রি ৮-০৬ মিনিটে
একটি অনুষ্ঠান হবে তার নতুনত্ব আপনাদের আকৃষ্ট করবে
বলে মনে হয়। এই অনুষ্ঠানটি রচনা করেছেন জগৎ ঘটক, সুর সংযোজন করেছেন নিতাই ঘটক
এবং প্রযোজনার ভার নিয়েছেন শ্রীসুরেশচন্দ্র চক্রবর্তী। এই অনুষ্ঠানটির নামকরণ
করা হয়েছে 'জীবনস্রোত'। জীবনস্রোতে গানের ভিতর দিয়ে যে দার্শনিকতার সূচনা করা
হয়েছে তা রসিক মনকে স্পর্শ করবে বলে আমার ধারণা।'
জীবনস্রোত গীতি-আলেখ্যের গানগুলো কে রচনা
করেছিলেন, এ বিষয়ে বেতার জগতের বিবরণ থেকে জানা যায় না।
প্রায়ই একই বিবরণ পাওয়া যায়, The Inidian Listener
পত্রিকার ৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৬ সংখ্যার ২৩২ পৃষ্ঠায়।
নাটকটির রচয়িতা
জগৎঘটকের কাছে রক্ষিত পাণ্ডুলিপি থেকে জানা যায় যে, এই গীতি আলেখ্যের গানগুলোর রচনা
করেছিলেন নজরুল ইসলাম। এ বিষয়ে ব্রহ্মমোহন ঠাকুর 'বেতারে নজরুল' গ্রন্থে উল্লেখ
করেছেন- 'নজরুল ঐ সময় গ্রামোফোন কোম্পানীর
Exclusive Cpmposer
ছিলেন। শর্ত ছিল গ্রামোফোন
কোম্পানী ছাড়া আর কোথাও নজরুল গান রচনা কিম্বা সুরারোপ করতে পারবেন না। আর সেই
কারণেই 'বেতার জগত'-এ নজরুলের নামের উল্লেখ নেই।
এই গীতি-আলেখ্যতে মোট ১২টি গান ব্যবহার করা হয়েছিল। এর
ভিতরে ৪টি গান সম্ভবত নজরুলের রচিত নয়। ষষ্ঠ গান 'অগ্নি-গিরি ঘুমন্ত উঠিল
জাগিয়া' পূর্বে ভারতবর্ষ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। অবশিষ্ট ৭টি
গান 'জীবন-স্রোত' গীতি আলেখ্যতে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। নিচে সকল গানের তালিকা তুলে
ধরা হলো।
- অগ্নি-গিরি ঘুমন্ত উঠিল জাগিয়া [তথ্য]
- এলো বরষা শ্যাম সরসা প্রিয় দরশা [তথ্য]
- ঐ কালো অঙ্গ রাঙা হবে [তথ্য]
- চলে ঐ আনন্দে ঝর্না রানী [তথ্য]
- চাঁদনী রাতে রুপালি মায়ায় [তথ্য]
- জল ফেলে জল আনতে গেলি [তথ্য]
- বসন্ত মুখর আজি [তথ্য]
- বয়ে যাই উতরোল অসীম সুদূর [তথ্য]
- বল কতদূর! আর কতদূর [তথ্য]
- শীতের হাওয়া বয় রে ভাই [তথ্য]
অন্যের রচিত গান
- রহিতে যে নারি ধৈরয ধরি যাচি হে তোমার দেখা [নজরুলের গান নয় ]
- ভব পারে যাবার লাগি আছে পারের কাণ্ডারী [নজরুলের গান নয় ]
এই মাসে রেকর্ডে প্রকাশিত গানের তালিকা
- টুইন: ফেব্রুয়ারি ১৯৩৬। এফটি ৪২৬৩। আব্বাস উদ্দিন
- হে নামাজী আমার ঘরে [তথ্য]
- আমার মোহাম্মদের নামের ধেয়ান
[তথ্য]
- টুইন: ফেব্রুয়ারি ১৯৩৬। এফটি ৪২৮০। কুমারী পারুল সেন
- তৃষিত আকাশ কাঁপে রে
[তথ্য]
-
তব মাধবী লীলায় কর (মাধবী লীলায় কর)
[তথ্য]
- এইচএমভি। ফেব্রুয়ারি ১৯৩৬। এন ৭৪৮৫। কমল দাশগুপ্ত
- এইচএমভি। ফেব্রুয়ারি ১৯৩৬। এন ৭৪৮৭। সাকিনা বেগম (আশ্চর্যময়ী)
- চীন আরব হিন্দুস্থান
[তথ্য]
- নামাজ রোজা হজ্ জাকাতের
[তথ্য]
মার্চ ১৯৩৬ (১৭ ফাল্গুন ১৮ চৈত্র ১৩৪২)
এই মাসে রেকর্ডে প্রকাশিত গানের তালিকা।
- টুইন। মার্চ ১৯৩৬। এফটি ৪২৮৯। শিল্পী:
ইন্দুবালা।
- অঞ্জলি লহ মোর
সঙ্গীতে
[তথ্য]
- দোলা লাগিল দখিনার বনে বনে
[তথ্য]
- টুইন। মার্চ ১৯৩৬। এফটি ৪২৯১। শিল্পী: ইন্দুসেন
ও
ইন্দুবালা।
- ওগো নন্দদুলাল নাচে ছন্দ তালে
[তথ্য]
- শ্রী রঘুপতি রাম
[তথ্য]
- এইচএমভি। মার্চ ১৯৩৬। এন ৭৪৯২।
শিল্পী: কমলা দেবী
- যা সখি যা তোরা গোকূলে ফিরে
[তথ্য]
- এইচএমভি। মার্চ ১৯৩৬। এন ৭৪৯৩। শিল্পী: আঙুরবালা
- এইচএমভি। মার্চ ১৯৩৬। এন ৭৪৯৪। হরিমতী
- খেলিছে জলদেবী সুনীল সাগর জলে
[তথ্য]
- বিদেশিনী বিদেশিনী চিনি চিনি
[তথ্য]
- এইচএমভি। মার্চ ১৯৩৬। এন ৭৪৯৬।
শিল্পী: মৃণালকান্তি ঘোষ
- এইচএমভি। মার্চ ১৯৩৬। এন ৭৪৯৯। শিল্পী: পিয়ারু কাওয়াল
- ঐ হের রসুলে-খোদা এলো ঐ
[তথ্য]
- হে মদিনাবাসী প্রেমিক ধর হাত মম
[তথ্য]
এই মাসে 'পাতালপুরী' নামক চলচ্চিত্র মুক্তি
পেয়েছিল।
- পাতালপুরী
(চলচ্চিত্র)
১৯৩৫ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ মারচ (সোমাবার ১০ চৈত্র ১৩৪২), কলকাতার রূপবাণী প্রেক্ষাগৃহে, 'পাতালপুরী'
নামক চলচ্চিত্র মুক্তি পায়। এই ছবির পরিচালক ছিলেন শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়। এই ছবির জন্য কবি
৭টি সুরসহ গান রচনা করেন। এছাড়া এই ছবির ৮টি গানে
তিনি সুরারোপ করেছিলেন। এছাড়া নজরুল ইসলাম এই ছবির সঙ্গীত পরিচালক ছিলেন।
নজরুলের রচিত ও সুরারোপিত ৭টি গান হলো-
- আঁধার ঘরের আলো [বিলাসীর গান][তথ্য]
- এলো খোঁপায় পরিয়ে দে [বিলাসীর গান]
[তথ্য]
- ও শিকারী মারিস না তুই [টুমনির গান
[তথ্য]
- তালপুকুরে তুলছিল সে [মুংরার গান]
[তথ্য]
- দুখের সাথী গেলি চল [মাতাল সর্দারের গান]
[তথ্য]
- ধীরে চল্ চরণ টলমল্ [কয়লাকুঠির কামিনদের গান]
[তথ্য]
- ফুল ফুটেছে কয়লা টবে [মুংরা ও বিলাসীর গান]
[তথ্য]
সূত্র:
প্রচার
পুস্তিকা
এপ্রিল ১৯৩৬ (১৯ চৈত্র-১৭ বৈশাখ ১৩৪৩)
৬ এপ্রিল (সোমবার ২৪ চৈত্র ১৩৪২),
নজরুল ৩৭/১ সীতানাথ রোড, কলকাতা থেকে হিজ
মাস্টার্স ভয়েস গ্রামোফোন কোম্পানির পক্ষ থেকে তাঁর এককালের শিক্ষক কবি কুমুদরঞ্জন
মল্লিককে চিঠি লেখেন।
[
কুমুদরঞ্জন মল্লিক-কে লেখা পত্র]
- এই মাসে রেকর্ডে প্রকাশিত রচনা
- টুইন। এফটি ৪৩২৪। শিল্পী: শিউলি সরকার
- টুইন। এফটি ৪৩২৭। শিল্পী: আব্দুল লতিফ
- প্রভু তোমাতে যে করে প্রাণ নিবেদন
[তথ্য]
- যাদের তরে এ সংসারে খাট্নু জনম-ভোর
[তথ্য]
- টুইন। এফটি ৪৩২৮। শিল্পী: আব্বাসউদ্দীন আহমদ
- ওগো মা ফাতেমা ছুটে আয়[তথ্য]
- ফোরাতের পানিতে নেমে [তথ্য]
- এইচএমভি।
এন ৯৭০৫। মিস কড কস্টেলা
- নয়নে তোমার ভীরু মাধুরীর মায়া
[তথ্য]
- ফিরে ফিরে কেন তারই স্মৃতি
[তথ্য]
- এইচএমভি।
এন ৯৭০৭। গোপাল সেন
- কল কল্লোল ত্রিংশ কোটি কণ্ঠে উঠেছে গান
[তথ্য]
- ঝড় এসেছে ঝড় এসেছে [তথ্য]
- এইচএমভি।
এন ৯৭০৯। মৃণালকান্তি ঘোষ ও মানিকমালা
- সাজে অভিনব সাজে রাই
[তথ্য]
- হেলে দুলে চলে বন -মালা গলে
[তথ্য]
- এইচএমভি।
এন ৯৭১০। ভ্যাবাকান্ত নাটক।
- ওহে ভ্যাবাকান্ত! দাও হে গান
[তথ্য]
- ভ্যাক্ত তব ডাকে মেনকা নন্দিনী [তথ্য]
- এইচএমভি।
এন ৯৭১১। কে মল্লিক
- মোহাম্মদ নাম যত জপি [তথ্য]
- সুদূর মক্কা মদিনার পথে [তথ্য]
১৩৪৩ বঙ্গাব্দের বৈশাখ মাসে পত্রিকায় প্রকাশিত রচনা
- বুলবুল। বৈশাখ ১৩৪৩
- মোয়াজ্জিন। বৈশাখ ১৩৪৩
- তোমার নামে একি নেশা [তথ্য]
১-২৪ মে ১৯৩৬
(১৮ বৈশাখ-১০ জ্যৈষ্ঠ ১৩৪৩)
নজরুলের ৩৬ বৎসর অতিক্রান্ত বয়সের শেষ
কয়েকদিনে রেকর্ড ও পত্রিকায় প্রকাশিত রচনাসমূহ
- রেকর্ডে প্রকাশিত গান
- টুইন। এফটি ৪৩৬৭। শিল্পী: আঙুরবালা
- এত জল ও-কাজল-চোখে
[তথ্য]
- ভুলি কেমনে আজো যে মনে [তথ্য
- টুইন। এফটি ৪৩৬৯। শিল্পী: আব্দুল লতিফ
-
হে মোহাম্মদ এসো এসো
[তথ্য]
- য়্যা এলাহি য়্যা এলাহি
[তথ্য]
- এইচএমভি। এন ৯৭০৯। আব্বাসউদ্দিন আহম্মদ
- আল্লাহ আমার প্রভু, আমার নাহি নাহি ভয়
[তথ্য]
- শহীদী ঈদগাহে দেখ্ আজ [তথ্য]
- এইচএমভি। এন ৯৭১৪। নীলমণি সিংহ
- বজ্রগোপাল শ্যাম সুন্দর
[তথ্য]
- যোগী শিব শঙ্কর ভোলা দিগম্বর
[তথ্য]
- এইচএমভি। এন ৯৭২৩। আভা সরকার
- আমার সকল আকাশ ভ'রলো
[তথ্য]
- যদি আমি তোমায় হারাই
[তথ্য]
- এইচএমভি। এন ৯৭২৬। শিল্পী: মানিক মালা
- বনফুলে তুমি মঞ্জরী গো
[তথ্য]।
- ম্লান আলোকে ফুটলি কেন
[তথ্য]
- এইচএমভি। এন ৯৭২৭। আব্বাসউদ্দিন আহম্মদ
- স্নিগ্ধ-শ্যাম-বেণী-বর্ণা এসো মালবিকা [তথ্য]